নির্দিষ্ট উপজেলা বাজারের পুরনো ভ্যাট হিসাব রিকনসাইলিং স্টেপ
Creative Info 360✅
২০ ফেব, ২০২৬
নির্দিষ্ট উপজেলা বাজারের পুরনো ভ্যাট হিসাব রিকনসাইলিং স্টেপ বলতে এখানে
বুঝাচ্ছে যে উপজেলা বাজারে যেসকল ব্যবসায়ীরা ব্যবসা করে, তাদের আগে নির্দিষ্ট
সময়ে ভ্যাট, লেনদেন এবং কোনো রেকর্ড পুনরায় আবার মিলিয়ে দেখা।
এইটা করার কারণ হলো এতে তাদের কোনো প্রকার লেনদেন বা কর রিটার্নে কোনো ঝামেলা
থাকে না।আমি আজকে আপনাদের এখানে এই ভ্যাট হিসাবের রিকনসাইলিং বিষয় নিয়ে বিস্তারিত
ভাবে আলোচনা করবো এবং একবারে শুরু থেকে জানাবো তো চলুন জেনে নেওয়া যাক।
পেজ সূচিপত্রঃ নির্দিষ্ট উপজেলা বাজারের পুরনো ভ্যাট হিসাব রিকনসাইলিং স্টেপ
নির্দিষ্ট উপজেলা বাজারের পুরনো ভ্যাট হিসাব রিকনসাইলিং স্টেপ
নির্দিষ্ট উপজেলা বাজারের পুরনো ভ্যাট হিসাব রিকনসাইলিং স্টেপ সম্পর্কে জেনে কাজ
করাটা আমি মনে করি প্রতিটি ব্যবসায়ীদের জন্য অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই
রিকনসাইলিং করলে আপনি আপনার ব্যবসাতে আগের সকল হিসাব নিকাশ থেকে শুরু করে সকল
প্রকার লেনদেন এবং কর বিষয়ে সব কিছু পুনরায় আবার চেক করতে পারবেন। এতে আপনার
ব্যবসাতে যদি কোন প্রকার ঘাটতি থাকে তাহলে সেটা তখনই সমাধান হয়ে যায়। সেজন্য আমার
মতে এই বিষয়ে প্রতিটি ব্যবসায়ীর আইডিয়া থাকা উচিৎ। চলুন নিচে এই ভ্যাট
রিকনসাইলিংয়ের নিয়ম জেনে নেয়।
ভ্যাট রেকর্ড সংগ্রহ করতে হবে। মানে যেখানে সারা মাসের রিপোর্ট থাকে।
বিক্রয় করার যে ইনভয়েস থাকে সেটা ভালো মতো যাচাই করতে হবে।
এবার ভ্যাট রিটার্নের সাথে সে রিপোর্ট মিলাও কিংবা ঐ ইনভয়েস।
যদি জন্য তথ্য মিল না থাকে রিটার্নের সাথে রিপোর্টের, তাহলে সেটা মার্ক করে
রাখো।
ভুল তথ্য পাওয়া গেলে সেটা যদি পারো তাহলে সংশোধন করে নাও।
তারপরে একটা নতুন করে সে রিপোর্টের একটা রিকনসাইল রিপোর্ট বানাও।
সব হয়ে গেলে সে রিপোর্ট কর অফিসে যেয়ে জমা দাও।
এইভাবে নিয়ম মেনে যদি পুরনো ভ্যাট রিকনসাইলিং করো তাহলে তোমার নিজের ব্যবসাতে লাভ
হবে ভবিষ্যতে। কারণ এইটা তোমার ব্যবসাকে স্বচ্ছ রাখবে।
প্রয়োজনীয় হিসাবপত্র ও ইনভয়েস সংগ্রহ প্রক্রিয়া
এই কর বা নির্দিষ্ট উপজেলা বাজারের পুরনো ভ্যাট হিসাব রিকনসাইলিং স্টেপ বাই
স্টেপ করতে হলে আগে থেকে আপনাকে এই বিষয়ে জানতে হবে, বুঝতে হবে। সেজন্য দরকার
কিছু প্রয়োজনীয় হিসাব পত্র এবং ইনভয়েস। আগে আমি বলে দেয় যে আপনাকে কিভাবে কি
করতে হবে। আপনাকে শুরুতে পুরনো ক্রয় ও বিক্রয় করার যে রেজিস্ট্রেশান থাকে সেটা
যোগার করতে হবে। কারণ এখানে আপনি আপনার সকল লেনদেন দেখতে পারবেন। বুঝতে পারবেন
যে কোথায় ভুল আছে।
রেজিস্ট্রেশান করার সময় যে ব্যাংক জমা রসিদ সেটা সংগ্রহ করতে হবে সাথে থাকবে
পেমেন্ট প্রমানও। সব থেকে সহজ হবে বলে আমি মনে করি সেটা হলো ডিজিটাল রেকর্ড
থাকলে সেটা প্রিন্ট করে নিতে হবে। এইভাবে প্রিন্ট করার পরে প্রতিটা কপি মাসের
উপর ভিত্তি করে সাজাই নাও, এতে তোমার সুবিধা হবে। কাজ করতে যেয়ে যদি দুই একটা
না পাও, তাহলে সেগুলো ভালো করে খুঁজো। পুরনো যে সকল ইনভয়েস মিস আছে সেগুলো ভালো
করে খুঁজে নিরাপদ জায়গাই রাখো।
জমা দেওয়া ভ্যাট রিটার্ন ও রিপোর্ট বিশ্লেষণ
পুরনো ভ্যাট হিসাব রিকনসাইলিং করতে হলে আগে এখানে জমা দেওয়া ভ্যাট রিটার্ন ও
রিপোর্ট বিষয়ে বুঝাতে হবে। তাতে বুঝা যাবে যে আগের মাসগুলোতে যে ভ্যাট পরিশোধ
করা হয়েছে। সেগুলো ভালমতো করে যাচাই বাছাই করা। এখানে আমি আপনাদের বলবো অনেক
অজানা তথ্য যেগুলো আপনার হয়ত জানা নাই। আপনাকে এই রিপোর্ট এবং রিটার্ন বিষয়ে
জানতে প্রথমেই আগের মাস বা বছরের ভ্যাট রিটার্ন ভালো করে খুলে দেখতে হবে।
সেখানে অনেক ক্রয় এবং বিক্রয়ের ভ্যাটের পরিমান দেওয়া থাকবে। সেটা ভালো করে
পর্যালোচনা করে নিতে হবে। তারপরে আপনি চাইলে ব্যাংকের রসিদের সাথে এই রিপোর্টের
টাকা জমার অংক মিলাই নিতে পারেন।
এইটা একটা ভালো দিক বলবো কারণ ভুল বশত টাকা কম বেশি হতেই পারে। ইনভয়েসে যে
টাকার রেট দেওয়া আছে সেটার সাথে রিপোর্টের রেট তুলনা করে দেখবেন। যার ফলে এখানে
আমি বুঝতে পারবেন যে কোথায় টাকার পরিমান কি রকম। যদি ভ্যাটে টাকার পরিমান কম বা
বেশি থাকে তাহলে সেটা ভালো করে চিহ্নিত করবেন। যদি পারেন তাহলে সেটা সংশোধন
করবেন, সেই সাথে কবে ঠিক করলেন সেটা নোট রাখবেন। যখন সব কিছু জেনে বুঝে নেওয়া
হবে তখন সে রিপোর্টগুলোর একটা ব্রিফ তৈরি করবেন। ঠিক এইভাবে করে আপনি চাইলে জমা
দেওয়া ভ্যাটের বিষয়ে ভালো করে বিস্তারিত জানতে পারবেন।
ক্রয় বিক্রয় রেকর্ডের সাথে ভ্যাট ডেটা মিলানো
আমরা এতক্ষণ জানলাম যে যেসব ভ্যাট জমা দেওয়া হয়েছে সেগুলো ভালো মতো জানা ও
বুঝা। এখন জানবো আমরা যে ক্রয় ও বিক্রয় রেকর্ডের সাথে এই ভ্যাটের যে ডেটা
থাকে সেগুলো মিলানোর নিয়ম যার জন্য পুরনো ভ্যাট হিসাব রিকনসাইলিং করা সহজ
হবে। এই ডেটা মিলানো অনেক বেশি জরুরি, কারণ ডেটা যদি না মিলে তাহলে আপনার
ব্যবসার জন্য যে ভ্যাট দেওয়া লাগে সেটাতে অনেক বড় একটা প্রভাব পড়ে। আর এই
হিসাব ঠিক রাখার জন্য রিকনসাইলিং স্টেপ নেওয়া হয়। আমি মনে করি প্রতিটি
ব্যবসায়ীদের উচিৎ এই স্টেপ মেনে কাজ করা। রিকনসাইলিং স্টেপের মধ্যে এই ক্রয় ও
বিক্রয়ের রেকর্ড কিংবা ডেটা মিলানো একটা অংশ।
শুরুতে আপনাকে আপনার ক্রয় ও বিক্রয় রেজিস্টার খুলে সব ডেটা ভালো করে লক্ষ্য
করতে হবে। তারপর একটা একটা করে প্রতি ইনভয়েসের ভ্যাটের পরিমানের সাথে
রিপোর্টের ডেটা মিলাতে হবে। যখন ক্রয় করা হয় তখন যে ইনপুট ভ্যাট দেওয়া হয়
সেটা ভালো মতো চেক করে নাও। এই ক্রয়ের সাথে বিক্রয়ের আউটপুটের পরিমান মিল আছে
কিনা সেটা ভালো করে খেয়াল করো। তাহলে যদি কোন প্রকার ভুল থাকে তাহলে সেটা
যাচাই করতে সহজ হবে। এবার প্রতিটি ইনভয়েসের নাম্বার, দিন তারিখ যা ডেটা আছে
সেটা রিটার্নের ফাইলের সাথে মিলাই দেখ কোথাও কোন সমস্যা আছে কিনা। সব ঠিক
থাকলে শেষে যেয়ে একটা রিকনসাইলিং সিট তৈরি করো। তাহলে আপনার ক্রয় এবং
বিক্রয়ের রেকর্ডের সাথে ভ্যাটের সাথে মিলাতে পারবা।
অমিল বা ভুল তথ্য শনাক্তকরণ ধাপ
যেহেতু ব্যবসা ঠিক মতো করে গেলে, মানে কত দামে ক্রয় হচ্ছে এবং কত দামে বিক্রয়
হচ্ছে সব ঠিক মতো করে গেলে যদিও কোন সমস্যা হওয়ার কথা না। কিন্তু তবুও কিছু
প্রশ্ন এখানে থেকে যায়। যেমন ক্ষেত্র বিশেষে কখনো কখনো সমস্যা হতে পারে সে
ক্ষেত্রে কিভাবে করে এই অমিল বা ভুল তথ্য ধরা যাবে সেটা এখন আমরা জানবো।
আমাদের সেজন্য কিছু নিয়ম মেনে কাজ করতে হবে। প্রথমে আমাদের রিটার্ন ও
হিসাবপত্র একসাথে মিলাবো। কোথাও কোন প্রকার ভুল আছে কিনা দেখবো। যদি কোন
অস্বাভাবিক হিসাব দেখতে পায়। তাহলে সেটা আমরা যত পারি আলাদা করে রাখবো, আর তা
না হলে সেটা আমরা চিহ্নিত করে নিবো।
তারপর আমরা লক্ষ্য করব যে নিয়ম করে ভ্যাট দেওয়া হয়েছে কিনা। যদি না দেওয়া হয়
তাহলে সেটা আমরা আলাদা করে পরে দিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করবো। এরপর আমরা দেখবো
আগের মাসের কোন বাকি ভুল বা অমিল আছে কিনা যাচাই করবো। যতটা পারব চেষ্টা করবো
হিসাবের ভুল বের করার। যদি না পাওয়া যায় তাহলে অনেক ভালো কথা। আর যদি অমিল
থাকে তাহলে সেটা আলাদা করে একটা নোটে রাখবো। এইভাবে যদি আমরা যাচাই বাছাই করি
তাহলে আমরা অমিল বা ভুল তথ্য বের করতে পারবো।
সংশোধনযোগ্য হিসাব নির্ধারণ ও আপডেট প্রক্রিয়া
ভুল বা অমিল তথ্য যদি আমরা বের করতে পারি, তাহলে সেখানে ভয় পাওয়ার কিছু নেয়।
সেটা সুন্দর মতো সাজিয়ে একটা নোট করে পরে সেটা আপডেট করার ব্যবস্থা করা যাবে।
সেজন্য আমাদের আগে ধাপে ধাপে এগোতে হবে। আগে আমাদের খুঁজে বের করতে হবে যে
কোথায় ভুল তথ্য আছে, যদি সেটা পাওয়া যায় তাহলে সেটা আলাদা করে রাখতে হবে।
তারপরে এই ভুল বা অমিল তথ্য কোন ইনভয়েস বা লেনদেনের মধ্যে আছে সেটা চিহ্নিত
করে রাখা লাগবে। এবার যখন আমরা ভুল তথ্যটা পেয়েছি তখন সে তথ্যের উপর ভিত্তি
করে বের করবো মূল হিসাবপত্র এবং সেগুলো প্রমান পত্র।
তারপর আমরা ভুল ভ্যাট পরিমান ঠিক করার জন্য নতুন একটা হিসাব করবো। যেটা ভুল
হয়েছিল সেটা ঠিক করার জন্য। পরবর্তীতে আমরা যেটা ঠিক করলাম সেটা আমরা একটা
এক্সেল সিটে আপডেট করে নিবো, যেন পরে সেটা আমরা খুঁজে পায়। এখন যে ভুল গুলো
হয়েছিল সেসব সংশোধনের বর্ণনা আমরা একটা নোটে তুলবো সংরক্ষণ করার জন্য। তারপর
শেষ যেয়ে আমরা নতুন হিসাব পুনরায় যাচাই করে রিকনসাইল রিপোর্টে সাবমিট করে
দিবো। এইভাবে করে আমরা আমাদের সংশোধন তথ্য আপডেট করে নিতে পারবো।
রিকনসাইলিং রিপোর্ট তৈরি করার ধাপ
আমরা এখন জানবো যে, সে সকল তথ্য যা আমরা এতক্ষণ সংশোধন করলাম সেটা রিকনসাইল
করা। আমাদের আগে সংশোধিত এবং যাচাই করা তথ্যগুলো আগে এক জায়গায় করে নিবো।
সেটার পরে আমরা আরেকবার ক্রয় বিক্রয় রেকর্ড ও ভ্যাট রিটার্নের তথ্য মিলিয়ে
নিবো যেন সেটা চূড়ান্ত হয়। ভুল তথ্যের অংশগুলো একটা আলাদা বিভাগ করে নিবো যেন
সেখানে রাখা যায়। সব সংশোধন করা তথ্য কিংবা আপডেট করা তথ্য আমরা রিপোর্টে
দিয়ে দিবো। সেগুলোর মাস বা বছর অনুযায়ী একটা ব্রিফ বা সারসংক্ষেপ বানাবো।
দিয়ে সব তথ্য গুলো আমরা একটা একটা করে ব্যবহার করবো আমাদের তৈরি করা টেবিলে,
যা পরে রিপ্রেজেন্টেশন আকারে দেওয়া যাবে। শেষে যেয়ে আমরা যেটা করবো তা হলো
চূড়ান্ত রিপোর্ট আরেকবার চেক দিয়ে উপজেলা বা স্থানীয় কর অফিসে যেয়ে জমা দিয়ে
আসবো। তাহলে আমাদের এই রিকনসাইল রিপোর্ট তৈরি করে কর অফিসে দেওয়া হবে। ঠিক
এইভাবে করে কাজ করলে আপনাদের ধারণা চলে আসবে এই রিকনসাইল রিপোর্ট তৈরি করার
ধরণ সম্পর্কে। ফলে আপনি পুরনো ভ্যাট হিসাব রিকনসাইলিং করতে পারবেন।
উপজেলা কর অফিসে যাচাই ও অনুমোদন প্রক্রিয়া
আমরা জেনে নিলাম যে রিকনসাইল রিপোর্ট তৈরি করতে হয় যেভাবে। এখন সেটা
প্রক্রিয়া হয়ে উপজেলা কর অফিসে যেয়ে যাচাই করে যেভাবে সে বিষয়ে জানবো আমরা।
আমরা যখন সকল তথ্য এক জায়গায় করে রিকনসাইল করার জন্য প্রস্তুত হলাম। তখন
আমাদের সে সাথে সকল প্রমান সাথে রাখার কথা মাথায় রাখতে হবে অবশ্যই। যেমন
প্রয়োজনীয় সকল ইনভয়েস, রসিদ এবং হিসাবপত্র। এগুলো যখন আমরা নিয়ে যাবো কর
অফিসে তখন আমাদের সেটা জমা দিতে হবে সে অফিসের ফাইল বা ডেস্কে।
সেখানে যিনি কর্মরত আছে তার সাথে আপনার এই বিষয়ে নিয়ে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা
করতে হবে। আপনার যদি কোন প্রকার প্রশ্ন থাকে তাহলে সেটা অবশ্যই সে কর্মকর্তার
সাথে কথা বলে সেটার সমাধান নিতে হবে। তারপরে সেখানে আপনাকে আপনার কাজের
অনুমোদনের জন্য কর অফিসে সাক্ষর বা নোট ফাইল করতে হবে। যখন এসব প্রসেস হয়ে
যাবে তখন আপনাকে অনুমোদিত কপি সংরক্ষণ করে রাখতে হবে ভবিষ্যতের জন্য। এইভাবে
উপজেলা কর অফিসে তথ্য যাচাই হয় এবং সেটা অনুমোদন হয়।
নতুন হিসাব সংরক্ষণ ও ব্যাকআপ করার নিয়ম
নির্দিষ্ট উপজেলা বাজারের পুরনো ভ্যাট হিসাব রিকনসাইলিং স্টেপ করার জন্য কর
অফিসে যখন সব প্রসেস সম্পূর্ণ করলেন তখন আপনাকে আপনার অনুমোদিত কপিটা সাথে
রাখতে হবে ভবিষ্যতের জন্য। কারণ পরে সেটা অনেক কাজে দিবে। তাই আমাদের এসকল
নিয়ম মেনে কাজ করতে হবে। তবে আমি কিছু বিষয় খেয়াল করে দেখেছি, আপনার ফাইল কর
অফিসে জমা দেওয়ার পরে কিছু বিষয় আপনাকে মেনে কাজ করতে হবে। সেগুলো আমি নিচে
পয়েন্ট আকারে দিচ্ছি।
রিকনসাইল করার শেষে আপনাকে সর্বশেষ হিসাব করে ফাইল তৈরি করে নিতে হবে
ফাইলের একটা আলাদা কপি দরকার হলে কম্পিউটারে রাখতে পারেন, পরে সেটা কাজে
দিবে।
অনলাইনে রাখারও উপায় আছে। যেমন গুগল ড্রাইভ কিংবা ড্রপবক্সে রাখতে পারেন।
প্রতিটি ফাইল রেখে সেটার আলাদা আলাদা নাম বা তারিখ দিয়ে ব্যবহার করতে
হবে।
পুরনো ফাইলগুলো আলাদা আরেকটা ফোল্ডারে রাখবেন, তবে সেটা ঠিক হওয়ার তথ্য
থেকে আলাদা
এইভাবে আপনি সকল তথ্য আলাদা আলাদা করে রেখে দিতে পারেন। কারণ ভবিষ্যতে সেটা
আপনার অনেক কাজে আসবে। মূলত এইভাবে ধারাবাহিকতা অবলম্বন করে সকল কাজ
করতে হবে।
শেষ কথাঃ নির্দিষ্ট উপজেলা বাজারের পুরনো ভ্যাট হিসাব রিকনসাইলিং স্টেপ
নির্দিষ্ট উপজেলা বাজারের পুরনো ভ্যাট হিসাব রিকনসাইলিং স্টেপ আমি এখানে
বিস্তারিত ভাবে তুলে ধরেছি। এখানে আমি এই ভ্যাটের রিকনসাইল এর বিভিন্ন দিক
তুলে ধরেছি। এখানে দেওয়া হয়েছে ভ্যাটের পুরোনো হিসাবের রিকনসাইল, সংশোধন করার
প্রসেস এবং সেটা কর অফিসে সাবমিট করার গাইড। আশা করি আপনারা যারা এইরকম কোন
সমস্যাতে পরবেন, তাদের জন্য এই আর্টিকেল একটা উপকার হিসেবে কাজ করবে।
আমার মতে প্রতিটি ব্যবসায়ীদের জন্য ভ্যাট হিসাব রিকনসাইলিং অনেক বেশি
গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই রিকনসাইলিং করলে আপনি আপনার ব্যবসাতে আগের সকল হিসাব
নিকাশ থেকে শুরু করে সকল প্রকার লেনদেন এবং কর বিষয়ে সব কিছু পুনরায় আবার চেক
করতে পারবেন। এতে আপনার ব্যবসাতে যদি কোন প্রকার ঘাটতি থাকে তাহলে সেটা তখনই
সমাধান হয়ে যায়। সেজন্য আমার মতে এই বিষয়ে প্রতিটি ব্যবসায়ীর আইডিয়া থাকা উচিৎ।
ক্রিয়েটিভ ইনফো ৩৬০ এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url