ব্লগারে কাস্টম ডোমেইন কানেক্ট করার পূর্ণ গাইডলাইন

আজকের এই আর্টিকেলে আমরা ব্লগারে কাস্টম ডোমেইন কানেক্ট করার পূর্ণ গাইডলাইন সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করবো এবং পাশাপাশি কিভাবে ব্লগারে নিজের কাস্টম ডোমেইন যুক্ত করা যায় তা ধারাবাহিকভাবে স্ক্রিনশটসহ দেখিয়ে দিব।

ব্লগারে-কাস্টম-ডোমেইন-কানেক্ট-করার-পূর্ণ-গাইডলাইন

বর্তমানে আমরা সকলেই ব্লক পোস্ট লেখার জন্য গুগলের ব্লগার ব্যবহার করে থাকি। এরকম আর্টিকেল বা ব্লক পোস্টগুলো লিখে ওয়েবসাইটে পাবলিশ করার জন্য আমাদের ব্লগারে ওয়েবসাইটের ডোমেইন কানেক্ট করতে হয়। তো চলুন কিভাবে এটি করতে হয় জেনে নেই বিস্তারিত।

পোস্ট সূচীপত্রঃ ব্লগারে কাস্টম ডোমেইন কানেক্ট করার পূর্ণ গাইডলাইন

ব্লগারে কাস্টম ডোমেইন কানেক্ট করার পূর্ণ গাইডলাইন

এখন আমরা ব্লগারে কাস্টম ডোমেইন কানেক্ট করার পূর্ণ গাইডলাইন সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করবো। আজকাল আমরা অনেকেই বিভিন্ন ব্লক পোস্ট বা আর্টিকেল লেখার জন্য গুগলের ব্লগার ব্যবহার করে থাকি। গুগলের ব্লগারে আর্টিকেল বা ব্লক পোস্টগুলো লেখার পরে সেগুলো আমাদের নিজেদের ওয়েবসাইটে আমাদের করতে হয় এবং এই পাবলিশ করার জন্য আমাদের ব্লগারের সাথে আমাদের ওয়েবসাইটের ডোমেইনকে সংযুক্ত করতে হয়। তা নাহলে ব্লগারের লেখা আমাদের আর্টিকেলগুলো ওয়েবসাইটে শো করবে না। তো মূলত এই কাজটি করার জন্য আমাদের কাস্টম ডোমেইন কানেক্ট করার প্রয়োজন পরে।
ব্লগারের সাথে আমাদের ওয়েবসাইটের ডোমেইন কানেক্ট করার জন্য প্রথমে আমাদের ব্লগারের সেটিংস অপশনে গিয়ে একটু নিচে স্ক্রল করে কাস্টম ডোমেইন নামে যে অপশনটি রয়েছে সেটি খুঁজে বের করতে হবে। অপশনটি খুজে পেয়ে গেলে সেখানে আমাদের ক্লিক করে আমাদের ডোমেইন নামটি দিয়ে সাবমিট করতে হবে। সাবমিট করা হয়ে গেলে এরপর তারা আমাদের দুটি সিনেম দিবে এবং আমরা যেখান থেকে ডোমেইন ক্রয় করেছি সেই ওয়েবসাইটে গিয়ে আমাদের এই সিনেমগুলো যুক্ত করতে হবে। এগুলো যুক্ত করা হয়ে গেলে আমাদের এ রেকর্ড হিসেবে চারটি এ রেকর্ড বা আইপি অ্যাড্রেস যুক্ত করতে হবে। মূলত এভাবেই ব্লগারের সাথে আমাদের ওয়েবসাইটির ডোমেইন যুক্ত করতে হবে।

ব্লগার আসলে কি এবং এটির কাজ কি

এবার জানা যাক ব্লগার কি এবং এটি এর কাজ কি সে সম্পর্কে। ব্লগার হলো মূলত গুগলের একটি ব্লগিং প্ল্যাটফর্ম। যেখানে আমরা বিভিন্ন ধরনের ব্লক পোস্ট বা আর্টিকেল লিখে পাবলিশ করতে পারি। এটি একটি বিনামূল্যে ব্লগিং প্লাটফর্ম। এই প্লাটফর্মের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা কোনো ধরনের কোডিংয়ের ঝামেলা ছাড়াই খুব সহজেই নিজেদের ওয়েবসাইট তৈরি করে এবং সেই ওয়েবসাইট ব্যবহার করে আর্টিকেল পাবলিশ করতে পারে।
ব্লগারে-কাস্টম-ডোমেইন-কানেক্ট-করার-পূর্ণ-গাইডলাইন-বিস্তারিত
ব্লগারের মতো আরও একটি কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম রয়েছে যার নাম হলো ওয়ার্ডপ্রেস। কিন্তু ওয়ার্ডপ্রেসের তুলনায় ব্লগার মানুষের কাছে অধিক পরিচিত কারণ এটি গুগলের প্রোডাক্ট এবং গুগলের প্রোডাক্ট হওয়ায় এটি অধিক নিরাপদ এবং ট্রাস্টেটেড পাশাপাশি ব্লগারের মাধ্যমে ওয়েবসাইট বানাতে হোস্টিং বাবদ কোনো ধরনের খরচ হয় না কারণ একটি জিমেইল অ্যাকাউন্ট খুললেই আমরা প্রায় ১৫ জিবি মতো হোস্টিং ফ্রি পাই। মূলত এ সকল কারণে অধিকাংশ মানুষের কাছে ওয়ার্ডপ্রেসের তুলনায় ব্লগার সহজ এবং অধিক পরিচিত।

ডোমেইন বলতে আসলে কী বোঝায় 

আমরা এতক্ষন ব্লগার কি এবং এটি কি কাজে ব্যবহৃত হয় সে সম্পর্কে আলোচনা করলাম এবার আলোচনা করা যাক ডোমেইন বলতে আসলে কি বোঝায় এবং একটি ডোমেইনের কাজ কি সেই সকল বিষয় নিয়ে। ডোমেইন বলতে মূলত ইন্টারনেটে ব্যবহৃত কোনো নাম বা ঠিকানাকে বোঝায় আমরা যখন আমাদের নিজেদের ওয়েবসাইট বানায় এবং সেটি অনলাইনে পাবলিশ করে তখন সেই ওয়েবসাইটে নাম কি হবে সেটি মূলত ডোমেইনের মাধ্যমে নির্ধারিত হয়। প্রত্যেক মানুষের যেমন আলাদা আলাদা ভিন্ন ভিন্ন নাম রয়েছে তেমনি ইন্টারনেট দুনিয়াতেও প্রতিটি ওয়েবসাইটের ভিন্ন ভিন্ন নাম রয়েছে এবং এই ভিন্ন নাম কেই মূলত ডোমেইন নাম বলা হয়।
সাধারণত ডোমেইন একটি নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটকে খুঁজে পেতে সাহায্য করে। আমরা যদি একটি ওয়েবসাইট বানাই এবং সেই ওয়েবসাইটের ডোমেইন নেম নির্ধারণ করে রেজিস্টার করি তাহলে আমরা যখন কোনো সার্চ ইঞ্জিনে আমাদের ওয়েবসাইটর নাম লিখে সার্চ করোবো তখন আমাদের ওয়েবসাইটটি সবার সামনে চলে আসবে মূলত এটি হলো ডোমেইনের কাজ। যেকোনো ধরনের ব্লক পোস্ট বা আর্টিক্যাল লিখে পাবলিশ করার ক্ষেত্রে আমাদের নিজস্ব ওয়েবসাইট এবং নিজস্ব ডোমেইন থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। 

ব্লগারে ডোমেইন কানেক্ট করার প্রথম ধাপ

এতক্ষণ আমরা ব্লগার এবং ডোমেইন কি এবং এগুলো কিভাবে কাজ করে সে সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করলাম। এখন আমরা ব্লগারে কাস্টম ডোমেইন কানেক্ট করার পূর্ণ গাইডলাইন স্টেপ বাই স্টেপ আপনাদের সামনে তুলে ধরবো। আমরা এই পুরো কাজটিকে মোট পাঁচটি ধাপে ভাগ করেছি আপনাদের সুবিধার জন্য। কাস্টম ডোমেইন কানেক্ট করার জন্য প্রথমে আমাদের ব্লগার ড্যাশবোড থেকে সেটিংসে চলে যেতে হবে।


সেটিংসে গিয়ে আমাদের একটু নিচে স্ক্রল করে কাস্টম ডোমেইন নামের অপশনটি খুলতে হবে।



কাস্টম ডোমেইন অপশনটি পেয়ে গেলে আমাদের সেখানে ক্লিক করে আমাদের যে ডোমেইন নামটি রয়েছে সেটি www সহ দিয়ে দিতে হবে।


এভাবে ডোমেইন যুক্ত করার পর আমাদের সেভ নামে যে অপশন রয়েছে সেখানে ক্লিক করতে হবে। এভাবে ডোমেইন যুক্ত করার পর সেভ অপশনে ক্লিক করলে আমাদের সামনে আরেকটি ইন্টারফেস চলে আসবে যেটি আমরা দ্বিতীয় ধাপে আলোচনা করবো। 

ডোমেইন কানেক্ট করার দ্বিতীয় ধাপ

দ্বিতীয় ধাপে আমাদের সামনে এরকম একটি ইন্টারফেস চলে আসবে এবং এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারফেস কারণ এখানে আমাদের দুটি সিনেম প্রদান করা হবে। যে সিনেমগুলো পরবর্তীতে আমাদের ডোমেইন যুক্ত করার সময় কাজে লাগবে।


এখানে নীল বক্সের মধ্যে আমাদের দুটি সিনেম দিয়েছে এবং দুটি সিনেমের ডেসটিনেশন দিয়েছে এই দুটি সিনেম এবং ডেসটিনেশন আমাদের ডোমেইন প্রোভাইডারের ওয়েবসাইটে গিয়ে যোগ করতে হবে। এক্ষেত্রে সবচেয়ে জনপ্রিয়  হলো নেমচিপ। এখন আমরা কীভাবে নেমচিপে আমাদের ডোমেইনটি যুক্ত করবো সেটা দেখাবো। সিনেম দুটি যুক্ত করার জন্য প্রথমে আমাদের নেমচিপের ওয়েবসাইটে গিয়ে প্রোফাইল অপশন এ যেতে হবে।


প্রোফাইল অপশনে যাওয়ার পর আমাদের যে ডোমেইনটি আমরা ক্রয় করেছি সেটা দেখাবে সেখানে গিয়ে আমাদের ম্যানেজ নামের যে অপশনটি রয়েছে সেখানে ক্লিক করতে হবে।


এরপর আমাদের অ্যাড রেকর্ডে গিয়ে সিনেমা অপশন নির্বাচন করতে হবে। 


সিনেমের হোস্ট এবং ভ্যালুর জায়গায় আমাদের কি দিতে হবে তা আমরা বিস্তারিত তৃতীয় ধাপে আলোচনা করবো।

ডোমেইন কানেক্ট করার তৃতীয় ধাপ

তৃতীয় ধাপে আমাদের সিনেম রেকর্ড নির্বাচন করে সেখানে হোস্ট এবং ভ্যালুর জায়গায় পূর্বে আমাদের যে সিনেম এবং ডেসিনেশন দিয়েছিল সে দুইটি যুক্ত করতে হবে। এই দুটোই যুক্ত করার সময় আমাদের অবশ্যই খুবই সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে কারণ একটু কিছু ভুল হয়ে গেলে আমাদের ডোমেইনটি ওয়েবসাইটের সাথে কানেক্ট হবে না।


এখানে আমাদের CNAMES: (Name: www) দেওয়া আছে তাই আমাদের সিনেম রেকর্ডে গিয়ে হোস্টের জায়গায় www যুক্ত করতে হবে। এবং এখানে ডেস্টিনেশন দেওয়া আছে Destination: ghs.google.com সুতরাং আমাদের ওখানে ভ্যালুর জায়গায় এই ডেস্টিনেশনটি বসিয়ে দিতে হবে। 


এভাবে আমাদের দুইটি সিনেম রেকর্ড নিয়ে দুইটি সিনেম  এর ভ্যালু এবং হোস্ট যুক্ত করতে হবে।


এভাবে দুইটি সিনেম রেকর্ড সঠিকভাবে যুক্ত করার পর আমাদের সেভ অল চেঞ্জ এই অপশনে ক্লিক করে দিতে হবে। এভাবে আমরা দুইটি সিনেম সফল ভাবে যুক্ত করতে পারবো। যুক্ত করার পরে আমাদের এ রেকর্ড যুক্ত করতে হবে যেটি আমরা চতুর্থ ধাপে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করবো।

ডোমেইন কানেক্ট করার চতুর্থ ধাপ

ডোমেইনের সিনেম সঠিকভাবে যুক্ত করার পর। আমাদের চারটি এ রেকর্ড যুক্ত করতে হবে। এ রেকর্ডগুলো আমরা ব্লগারের সাপোর্ট পেজ লিংক থেকে পেয়ে যাব। তবে আপনাদের সুবিধার্থে আমরা এখানে দিয়ে দিলাম।


এই চারটি এ রেকর্ড সঠিকভাবে যুক্ত করার জন্য আমাদের নেম চিপের নিউ রেকর্ডের অপশনের জায়গায় গিয়ে এ রেকর্ড নির্বাচন করতে হবে।এক্ষেত্রে আমাদের চারটি এ রেকর্ড ঘর নির্বাচন করতে হবে।


এভাবে আমাদের চারটি এ রেকর্ড ঘর তৈরি করতে হবে। 


এখানে এখন আমাদের হোস্টের জায়গায় "@" দিতে হবে। আইপি অ্যাড্রেসের জায়গায় উপরের চারটি আইপি অ্যাড্রেস ধারাবাহিকভাবে দিতে হবে।


এভাবে সকল এ রেকর্ড পূরণ করা হয়ে গেলে আমাদের সেভ অল চেঞ্জ অর্থাৎ সাবমিট করতে হবে যেটি আমরা এর পরের ধাপে বিস্তারিত আলোচনা করবো।

ব্লগারে ডোমেইন কানেক্ট করার সর্বশেষ ধাপ

এটি ব্লগারে কাস্টম ডোমেইন কানেক্ট করার পূর্ণ গাইডলাইন দেওয়া এটা সর্বশেষ ধাপ। এভাবে আমাদের সকল ইনফরমেশন সঠিকভাবে যুক্ত করা হয়ে গেলে ডোমেইনটি আমাদের সাবমিট করতে হবে। এর জন্য আমাদের সকল ইনফরমেশন ভালো করে চেক করে সেভ অল চেঞ্জ বাটনে ক্লিক করতে হবে।


সেভ অল চেঞ্জ অপশনে ক্লিক করার পরে আমাদের পুনরায় ব্লগারের সেটিংস অপশন এ গিয়ে কাস্টম ডোমেইন সেকশনে যেতে হবে।


এবং সেটিংসে গিয়ে আমরা দেখতে পাবো আমাদের ডোমেইনটি সফলভাবে যুক্ত হয়ে গেছে। এখানে আমাদের ব্লক এড্রেস এবং কাস্টম ডোমেইন এড্রেস উভয় সুন্দরভাবে শো করছে। এগুলো সবঠিক থাকলে আমাদের রি ডাইরেক্ট ডোমেইন অপশনে ক্লিক করে সেটি চালু করে দিতে হবে।এভাবে আমরা সফলভাবে ব্লগারের কাস্টম ডোমেইন কানেক্ট করতে পারবো।

ডোমেইন কানেক্ট করার সময় কিছু সতর্কতা

এবার আসা যাক এই ডোমেইন যুক্ত করার সময় আমাদের কি কি বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে সকল বিষয় নিয়ে। ডোমেইন যুক্ত করা একটি জটিল কাজ এবং এখানে কোনো ধরনের ভুল হলে আমাদের ওয়েবসাইটের সাথে সঠিকভাবে ডোমেইন যুক্ত হবে না তাই আমাদের এই কাজটি করার সময় খুবই সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। আমাদের সিনেম এবং এ রেকর্ডগুলো যুক্ত করার সময় খুবই সাবধানতার সাথে ভালোভাবে দেখে ও মিলিয়ে নিয়ে তারপর যুক্ত করতে হবে।
ব্লগারে-কাস্টম-ডোমেইন-কানেক্ট-করার-পূর্ণ-গাইডলাইন-জানুন-বিস্তারিত
এগুলোর কোনোটাতে ভুল থাকলে আমাদের ডোমেইনটি সঠিকভাবে যুক্ত হবে না এবং যখন আমাদের ডোমেইন লিখে কেউ সার্চ করবে তখন আমাদের ওয়েবসাইট আর শো করবে না। তাই এ বিষয়টি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। পাশাপাশি অনেক সময় আমাদের নানা ধরনের সার্ভার ফেল মেসেজ আসতে পারে এরকম কিছু হলে আমাদের ঘাবড়ানোর কিছু নেই বরং কিছু সময় পর পুনরায় চেষ্টা করতে হবে। আমাদের ডোমেইনটিক সঠিক যুক্ত হয়ে গেলে সাধারণত ৩০ মিনিট থেকে এক ঘন্টার মধ্যে আমাদের ওয়েবসাইটে শো করবে। 

শেষ কথাঃ ব্লগারে কাস্টম ডোমেইন কানেক্ট করার পূর্ণ গাইডলাই

এতক্ষণ আমরা উপরে এই আর্টিকেলে ব্লগারে কাস্টম ডোমেইন কানেক্ট করার পূর্ণ গাইডলাইন সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করলাম এবং কিভাবে আপনি একটি ডোমেইন আপনার ব্লগারের সাথে যুক্ত করবেন তা ধারাবাহিকভাবে আপনাদের স্ক্রিনশট সহ দেখিয়ে দিলাম। বর্তমানে অনেকেই আমরা ব্লগার ব্যবহার করে থাকি বিভিন্ন আর্টিকেল বা ব্লক পোস্ট লেখার জন্য এক্ষেত্রে ব্লগারের সাথে কাস্টম ডোমেইন যুক্ত করা আমাদের সকলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
আমার মতে ব্লগারের সাথে কাস্টম ডোমেইন যুক্ত করা একটি কঠিন বা জটিল বিষয়। তাই এই কাজটি করার সময় আমাদের অবশ্যই সকলকে সাবধানতার সাথে কাজটি করতে হবে। কারণ কোনো ধরনের ভুল হয়ে গেলে ডোমেইনটি আমাদের ওয়েবসাইটের সাথে আর যুক্ত হবে না তখন পুরো কাজটা আমাদের প্রথম থেকে আবার শুরু করতে হবে। তাই ডোমেইন এড করার কাজটি ভালোভাবে এবং ধৈর্য নিয়ে করলে অবশ্যই সফলতা পাওয়া যাবে।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

ক্রিয়েটিভ ইনফো ৩৬০ এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url