Fiverr এ গিগ ইমেজ আপলোডের সঠিক ডাইমেনশন সেটআপ
আজকের এই আর্টিকেলে আমরা Fiverr এ গিগ ইমেজ আপলোডের সঠিক ডাইমেনশন সেটআপ করার নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করবো। পাশাপাশি আপনাদেরকে জানাবো ফাইবারে গিগের ডাইমেনশন কত রেজুলেশনের মধ্যে থাকা উচিত এবং কিভাবে গিগ ইমেজ তৈরি করা যায়।
এই সেটআপ করার বিষয় জানা একজন ফ্রিল্যান্সারের অত্যন্ত প্রয়োজন। এখানে আরো থাকবে গিগের সঠিক সাইজ এবং আকর্ষণীয় ডিজাইন তৈরি করার মাধ্যমে গিগের দৃশ্যমান হওয়া, CTR এবং কনভারশন বাড়ানো। তো চলুন জেনে নেওয়া যাক বিস্তারিত।
পোস্ট সূচিপত্রঃ Fiverr এ গিগ ইমেজ আপলোডের সঠিক ডাইমেনশন সেটআপ করার পদ্ধতি
- Fiverr এ গিগ ইমেজ আপলোডের সঠিক ডাইমেনশন সেটআপ
- ফাইবার গিগ ইমেজ ডাইমেনশনের প্রয়োজনীয়তা
- সঠিক রেজুলেশন ও DPI সেটিং নির্দেশনা
- টেক্সট সেফ জোন ব্যবহার করার কৌশল
- ডেক্সটপ ও মোবাইল ভিউতে ইমেজ অপটিমাইজেশন
- ব্রান্ড কালার ও ফ্রন্ট সিলেকশনের নিয়ম
- Call to Action যুক্ত করার সেরা উপায়
- Canva ব্যবহার করে গিগ ইমেজ তৈরীর ধাপ
- ফাইবার গিগ ইমেজ SEO চেকলিস্ট
- শেষ কথাঃ Fiverr এ গিগ ইমেজ আপলোডের সঠিক ডাইমেনশন সেটআপ
Fiverr এ গিগ ইমেজ আপলোডের সঠিক ডাইমেনশন সেটআপ
Fiverr এ গিগ ইমেজ আপলোডের সঠিক ডাইমেনশন সেটআপ করার জন্য কিছু নিয়ম মেনে কাজ
করতে হবে। গিগের ইমেজ আপলোড করতে ইমেজ এর নির্দিষ্ট ডাইমেনশন আছে। গিগ ইমেজের
অফিসিয়াল সাইজ হলো 1280*769 পিক্সেল, এই সাইজ সকল ফ্রিল্যান্সার গিগে ব্যবহার
করে থাকে। সাইটে ইমেজ দ্রুত লোড নেওয়ার জন্য এবং ইমেজটা যেন ক্লিয়ার আসে সেজন্য
72 DPI রেজুলেশন ব্যবহার করা উচিত। তবে আমি মনে করি মোবাইলের ভিউতে টেক্সট যেন
ভালো থাকে এবং কেটে না যায় সেজন্য ইমেজের কেন্দ্রের দিকে টেক্সট রাখা উচিত।
গিগের ইমেজ যে নির্দিষ্ট ফরমেট ব্যবহার করা হয় সেটা হল jpeg বা png।
এই ফাইল ফরমেটটা গিগের ইমেজ সুন্দর করতে সাহায্য করে। অনেক ফ্রিল্যান্সার
ইমেজের সাইজ সম্পর্কে জানেনা। যার ফলে ইমেজ লোড নিতে দেরি করে এবং আপলোড অনেক
দেরি করে হয়। আমার জানা মতে ইমেজে সাইজ 2mb মধ্যে রাখা উচিত। এতে ইমেজ খুব
তাড়াতাড়ি লোড নেয় এবং ইমেজটা আপলোড খুব তাড়াতাড়ি হয়। তবে বাহ্যিক কিছু বিষয়
খেয়াল রাখলে গিগ ভালো মত সেট করা যায়, সেগুলো হলো ডিজাইন টা ভালো রাখতে হবে,
ব্রান্ড কালার টা সুন্দর এবং দেখতে ভালো লাগে এমন রাখা লাগবে, প্রফেশনাল ফ্রন্ট
ব্যবহার করা অত্যন্ত জরুরি বলে আমি মনে করি। তবে সর্বশেষে একটা জিনিস মাথায়
রাখা লাগবে প্রতি ফ্রিল্যান্সারকে কাজ শেষ হওয়ার পরে ডেক্সটপ এবং মোবাইল ভিউতে
কেমন দেখাচ্ছে সেটা আগে থেকে দেখে নেওয়া।
ফাইবার গিগ ইমেজ ডাইমেনশনের প্রয়োজনীয়তা
ফাইবারে কোন সার্ভিস দিতে হলে প্রথমে সার্ভিসের মার্কেটিং করার জন্য Fiverr এ
গিগ ইমেজ আপলোডের সঠিক ডাইমেনশন সেটআপ করা অত্যন্ত প্রয়োজন। একটা গিগ তৈরি
করতে হলে বিভিন্ন রকম দিক খেয়াল রাখতে হয়। কারণ আপনার গিগের উপর নির্ভর করে
ক্লাইন্টরা আপনার সার্ভিস নেয়। সেজন্য গিগে যেন প্রফেশনাল লুক থাকে সে দিকটা
খেয়াল রাখতে হবে, সেজন্য তাতে সঠিক সাইজ ব্যবহার করতে হবে। কারণ গিগ
ক্লায়েন্টের মনোযোগ আকর্ষণ করে। গিগের ইম্প্রেশন আরো ভালো করতে হলে আপনাকে
প্রতিটা ভিউ খেয়াল করে দেখতে হবে।
অর্থাৎ আমি বলতে চাচ্ছি ডেক্সটপ, মোবাইল ও ট্যাবের স্ক্রিনে গিগটা কেমন
দেখাচ্ছে সেটা খেয়াল রাখতে হবে। গিগের সঠিক নিয়ম মেনে কাজ না করলে ফাইবার
প্লাটফর্মে মান ধরে রাখা যায় না, ফলে সেটা ড্রপ করে। তবে গিগের ডাইমেনশনের
সাথেও গিগের সাইজ নির্ভর করে। অর্থাৎ গিগের সাইজ যদি 2mb কিংবা তার কম হয়
তাহলে সেটা লোড নিতে খুব একটা বেশি সময় নেয় না। সেজন্য গিগের সাইজ এমন রাখা
লাগবে যেন সেটা লোড খুব তাড়াতাড়ি নেয়। এ সকল দিক খেয়াল করে গিগ ইমেজ তৈরি
করলে ফাইবারে একটা ভালো রেঙ্কিং এ যাওয়া যায়।
সঠিক রেজুলেশন ও DPI সেটিং নির্দেশনা
একটি গিগ ইমেজে রেজুলেশন এবং DPI সেটিং করা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। DPI বলতে আসলে
বুঝায় Dots per Inch। অর্থাৎ 1 ইঞ্চি জায়গায় কতগুলো ডট থাকবে সেটাই DPI
বুঝাই। এই ডট বলতে এখানে বুঝাচ্ছে পিক্সেল। যত বেশি হবে ইমেজ তত বেশি ক্লিয়ার
এবং স্পষ্ট হবে। আর পিক্সেল কম হলে ইমেজ ও স্পষ্ট এবং লো কোয়ালিটি সম্পন্ন
হবে। সেজন্য একটি ইমেজে রেজুলেশন এবং ডিপিআই সেটিং সঠিকভাবে করা অনেক
গুরুত্বপূর্ণ। ফাইবারে গিগ ইমেজের একটি নির্দিষ্ট সাইজ আছে। সেটি হল 1280*769
পিক্সেল। DPI সাধারণত 72 DPI থাকা উত্তম, এর ফলে ইমেজ ক্লিয়ার এবং হাই
কোয়ালিটি হয় সেই সাথে ইমেজটা দ্রুত লোড নেয়।
বেশি DPI হলে ফাইলে সাইজ বেড়ে যায়, ফলে ফাইবারে লোড নিতেও অনেক সময় লাগায়।
আমি মনে করি টেক্সট স্পষ্ট রাখতে হলে 1280*769 রেজুলেশনে ভালো সেট হয়। তবে
আমার পরামর্শ প্রতিটি ডিভাইসে ভালোমতো করে চেক করে নিতে হবে, গিগের সাইজ ও
ফন্ট ঠিক আছে কিনা। এদিকে আমি বলব ইমেজ কিছু কিছু ক্ষেত্রে নষ্ট হয়ে যায়।
নষ্ট এড়ানোর জন্য আমাদেরকে ইমেজের কিছু ফরমেটে সেভ করতে হবে, সেগুলো হলো jpeg
ও png ফরমেট। এতে ইমেজ নষ্ট হয় না, বরং কোয়ালিটি ভালো থাকে। ইমেজের এই
রেজুলেশন ও DPI সেটিং ভালোমত করলে, ফাইবার প্লাটফর্মে ভালো স্থানে থাকা যায়।
টেক্সট সেফ জোন ব্যবহার করার কৌশল
Fiverr এ গিগ ইমেজ আপলোডের সঠিক ডাইমেনশন সেটআপ করার ক্ষেত্রে একটি গিগ ইমেজের
মধ্যে টেক্সট আলাদা ভূমিকা পালন করে। টেক্সট থাকার কারণে ক্লাইন্টরা সার্ভিস
সম্পর্কে আইডিয়া পাই। টেক্সট যত সুন্দর এবং সাবলীল হবে ক্লায়েন্টের আকৃষ্ট তত
বেশি করবে। সেজন্য টেক্সটাকে ভালো মতো করে গিগে ইমপ্লিমেন্ট করা অনেক জরুরী।
প্রথমে আমি বলব টেক্সটকে সবসময় মাঝ বরাবর রাখা দরকার গিগে। কারণ যখন ক্রপ করার
সময় আসবে তখন যেন টেক্সট কেটে না যায়। এর মধ্যে কিছু মাপ যোগ আছে ডান ও বাম দিক
থেকে অন্তত ৮০ থেকে ১০০px দূরত্ব বজায় রাখা ভালো। কারণ যখন মোবাইল ভিউতে চেক
করা হয় তখন ইমেজে টেক্সট ঠিকমত আসে না। আরেকটা বিষয় আমি গুরুত্ব দিয়ে আপনাদের
জানাবো সেটা হল ফন্ট সব সময় বড় রাখবেন।
এতে কি হয় যখন ফন্ট ছোট হয় তখন মোবাইল ভিউতে সেটা দেখা কষ্টসাধ্য হয়ে যায়। ফন্ট
বড় হলে সেটা বিভিন্ন ডিভাইজে দেখার সময় ভালোমতো দৃশ্যমান হয়। তবে এর মধ্যে কিছু
ব্যাকগ্রাউন্ড কালারও নির্ভর করে। ব্যাকগ্রাউন্ড কালার ও ফ্রন্ট সংমিশ্রণে লেখা
স্পষ্ট হয়। কিছু কিছু কালার আছে যেগুলোতে ফ্রন্ট ক্লিয়ার বোঝা যায় না, সে কালার
গুলো উপেক্ষা করে চলতে হবে। টেক্সট সব সময় চার থেকে ছয় শব্দের মধ্যে রাখা ভালো,
কারণ বেশি টেক্সট হলে ছোট ডিভাইসের ভিউতে সম্পূর্ণ টেক্সট দেখা যায় না। সেদিকটা
খেয়াল রাখা একজন ফ্রিল্যান্সারের মূল দায়িত্ব। এ সকল নিয়ম ও টিপস খেয়াল করে গিগ
ইমেজে টেক্সট রাখলে, তবে সেটা ক্লায়েন্টদের নজরে ভালোমতো আসবে, সাথে আকৃষ্ট
হবেও বেশি।
ডেক্সটপ ও মোবাইল ভিউতে ইমেজ অপটিমাইজেশন
ডেক্সটপ ও মোবাইল ভিউতে ইমেজ অপটিমাইজেশন বলতে আসলে এখানে বুঝাচ্ছে ছোট
ডিভাইস এবং বড় ডিভাইস এর স্ক্রিনে গিগ দেখা। কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায় ডেস্কটপ
ডিভাইসের স্ক্রিনে ইমেজ ভালোমতো দেখা গেলেও মোবাইল ডিভাইসের স্ক্রিনে ক্লিয়ার
আসে না এবং ছবি ঝাপসা হয়। সেজন্য আমাদের ডেক্সটপ ও মোবাইল ভিউতে ইমেজকে
অপটিমাইজ করতে হবে। ইমেজে টেক্সট মাঝামাঝি রাখলে মোবাইল ভিউতে টেক্সট ভালোমতো
বুঝা যায়। তবে এখানে বোঝার বিষয় হল ফন্ট সব সময় বড় এবং পরিষ্কার ব্যবহার করতে
হবে। কারণ ডেক্সটপে ফ্রন্ট স্পষ্ট হলেও মোবাইল ডিভাইসে সেটা ঝাপসা দেখাবে।
তবে পিক্সেল 1280*769 থাকলে ইমেজ স্পষ্ট বোঝা যায়। মোবাইল ভিউতেও লেখা সার্প
দেখা যায়। সেটিংসের কথা বলতে গেলে অ্যালাইনমেন্ট সব সময় সেন্টার রাখবেন। যার
ফলে ইমেজের ফোকাস বাড়ে। তবে আমি একটা বিষয় গভীরভাবে ভেবে দেখেছি, তা হল
ব্যাকগ্রাউন্ড কালার। কিছু কিছু এমন ব্যাকগ্রাউন্ড কালার আছে যেগুলো দেওয়ার
ফলে ক্লিয়ার ফন্টও স্পষ্ট দেখা যায় না। সেজন্য ঐ সকল ব্যাকগ্রাউন্ড কালার বাদ
দিয়ে কাজ করতে হবে। সবশেষে যে ডেক্সটপ এবং মোবাইল ভিউ ভালো মতো করে চেক করে
দেখতে হবে। যেমনটা ডেক্সটপ ভিউতে দেখাচ্ছে ঠিক তেমনি মোবাইল ভিউতে দেখাচ্ছে
কিনা ভালোমতো করে যাচাই-বাছাই করতে হবে।
ব্রান্ড কালার ও ফ্রন্ট সিলেকশনের নিয়ম
ইমেজের রেজুলেশন এবং সাইজ যেমনটা গুরুত্বপূর্ণ ঠিক তেমনি ব্র্যান্ড কালার ও
ফ্রন্ট সিলেকশন করা গুরুত্বপূর্ণ। তবে কিছু ব্যান্ড কালার ও ফ্রন্ট সিলেকশনের
নিয়ম মেনে ইমেজ তৈরি করলে সেটা অনেক সুন্দর গিগে পরিণত হবে। সে নিয়মগুলোর মধ্যে
প্রথমত আমাদের খেয়াল রাখতে হবে তিন থেকে চারটি রংয়ের মধ্যে আমাদের কাজ করতে
হবে। তারপরে প্রাইমারি, সেকেন্ডারি ও accent কালার সিলেক্ট করতে হবে, এতে
ব্র্যান্ডিং অনেক সহজ হয়। তবে কিছু কালার সাইকোলজি আছে যেগুলো ভেবে দেখলে অনেক
ভালো ফিডব্যাক পাওয়া যায়। যেমন নীল একটা বিশ্বাসের কালার, লাল এক ধরনের এনার্জি
নিয়ে আসে। এইভাবে কিছু কালার আছে যেগুলো বিভিন্ন অর্থ বহন করে।
আরেকটা বিষয় সেটা হল ব্যাকগ্রাউন্ড কালার সবসময় কনট্রাস্ট রাখা উচিত এতে টেক্সট
স্পষ্ট হয়। ইমেজের এবং টেক্সটের কালার কম্বিনেশন ঠিক রাখার জন্য আরেকটি বিষয়
হলো এমন কালার ব্যবহার করতে হবে যেটা আপনি আপনার ইমেজে, ব্যানারে ও সোশ্যাল
পোস্টে ব্যবহার করতে পারেন। কালার সিলেকশন এমন করে করতে হবে যেন টার্গেট
অডিয়েন্স নিয়ে আসা সহজ হয়। টার্গেট অডিয়েন্সি গুলোর মধ্যে হল ব্যবসার হতে পারে,
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের হতে পারে ও টেকনোলজি বিষয়ক হতে পারে। এ সকল দিক বুঝে শুনে
কালার এবং ফ্রন্ট সিলেক্ট করলে গিগ স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক ভালো হবে।
Call to Action যুক্ত করার সেরা উপায়
এবার আমরা যে বিষয় নিয়ে আলোচনা করব সেটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ। Call to Action
এটি একটি বাটন হিসেবে কাজ করে। এই বাটন এর ফলে আপনি প্রচুর পরিমাণে অডিয়েন্স
কালেক্ট করতে পারেন। ক্লাইন্ট আপনার সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে এই কল টু
অ্যাকশনে ক্লিক করে। এজন্য এই Call to Action সেট করার সময় ভালোভাবে খেয়াল
রাখতে হবে। তবে শুধু যে Call to Action অপশন থাকে সেটা না, বরং আরো অপশন থাকে
যেমন order now, get started, boost your sales ইত্যাদি। এগুলো এক এক ধরনের
বাটন হিসেবে কাজ করে যা ক্লাইন্টকে আপনার সাথে যোগাযোগের একটা মাধ্যম হিসেবে।
Call to Action কিছু কিছু সময় arrow আবার কিছু কিছু সময় direction চিহ্ন
হিসেবে কাজ করে।
- কোন কিছু কিনতে কিংবা অর্ডার করতে order now, shop now বাটন সেট করতে হবে।
- ক্লায়েন্টদের আকৃষ্ট করার জন্য buy now, get your professional logo today
- আবার ক্লায়েন্টের দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য limited offer, only today অথবা hurry up নামে কল টু একশন যুক্ত করা যায়।
এভাবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিভিন্নভাবে ক্লায়েন্টদেরকে আকৃষ্ট করতে call to
action যুক্ত করা যায়।
Canva ব্যবহার করে গিগ ইমেজ তৈরীর ধাপ
ফাইবারে গিগ তৈরি করার জন্য canva অনেক জনপ্রিয় একটা সফটওয়্যার। তবে
ধারাবাহিকভাবে ক্যানভা ব্যবহার করলে সুন্দর গিগ ইমেজ তৈরি করা যাবে। শুরুতে
canva app অ্যাকাউন্ট খুলে লগইন করতে হবে। তারপর গিগ ইমেজের ডাইমেনশন সিলেক্ট
করতে হবে। অর্থাৎ 1280*769 px সাইজে গিগ ডিজাইন করতে হবে। তবে প্রফেশনাল লুক
যদি চান তাহলে কিছু ব্যাকগ্রাউন্ড বা টেমপ্লেট ব্যবহার করতে পারেন।
এতে একজন পেশাদার ফ্রিল্যান্সারের পার্সোনালিটি তৈরি করে। ক্যানভাতে আপনি
টেমপ্লেটের সাথে টেক্সট ফন্ট দুটোই পাবেন। ইচ্ছামত আপনি টেক্সট সাইজ এবং
স্টাইল পরিবর্তন করতে পারবেন। যেটি বেশি ক্লাইন্টকে আকৃষ্ট করবে সে টেমপ্লেট
এবং ডিজাইন নির্বাচন করবেন। ইমেজ তৈরি হয়ে গেলে শেষে যেয়ে export &
download অপশনে ক্লিক করে, গিগ ইমেজ ডাউনলোড করে নিতে হবে।
ফাইবার গিগ ইমেজ SEO চেকলিস্ট
ফাইবারে গিগ ইমেজ তৈরি করে সেটি অপটিমাইজ করার জন্য SEO চেকলিস্ট নিয়ে আমি
আলোচনা করব। শুরুতে আমাদের ইমেজের ডাইমেনশন ও রেজুলেশন একটি নির্দিষ্ট
পিক্সেল রাখতে হবে। অর্থাৎ 1280*769 পিক্সেল এবং 72 DPI রাখতে হবে। এর ফলে
ইমেজ অনেক পরিষ্কার এবং হাই কোয়ালিটি হয়। এরপর টেক্সট সেন্টার এলাইনমেন্টে
রাখা লাগবে যেন ক্রপ করার সময় কিংবা মোবাইল ভিউতে ফন্ট ভালোমতো দেখা যায়।
লেখাগুলো ক্লিয়ার এবং বড় করতে হবে, যেন ব্যাকগ্রাউন্ডে কালারের সাথে ভালোমতো
ফুটে উঠে।
গিগের কিওয়ার্ড সার্ভিসে সাথে যেন একই হয়। Call to action ভালোমতো যুক্ত করতে
হবে যেন সেটা দৃশ্যমান হয়। শেষে যেয়ে ব্রান্ড কালার, ব্যানার, সেকেন্ডারি ও
প্রাইমারি কালার এক রঙের হয়। তবে একটা জিনিস আমি গুরুত্ব সহকারে বলতে চাই
ইমেজেস সাইজ 2 MB এর মধ্যে থাকা ভালো এবং ইমেজের ফরম্যাট JPEG ও PNG ফরম্যাটে
হয়। এ সকল চেক লিস্টের নিয়ম ভালো মতো অনুসরণ করে সে অনুযায়ী কাজ করলে ফাইবারই
গিগ ইমেজ ভালো মতো SEO করা যায়।
শেষ কথাঃ Fiverr এ গিগ ইমেজ আপলোডের সঠিক ডাইমেনশন সেটআপ
Fiverr এ গিগ ইমেজ আপলোডের সঠিক ডাইমেনশন সেটআপ করার স্টেপগুলো নিয়ে আমি এই
আর্টিকেলে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করেছি। এখানে আপনারা শুরুতে দেখতে পেরেছেন ইমেজ
সাইজ এবং রেজুলেশন এর বিষয়বস্তু নিয়ে। একটি গিগ পরিপূর্ণভাবে তৈরি করতে যা যা
প্রয়োজনীয় সবকিছু আমি এখানে তুলে ধরেছি। আশা করি এটি আপনাদের জন্য অনেক উপযোগী
আর্টিকেল হবে। এখানে দেখানো নিয়মগুলো যদি ধাপে ধাপে সম্পূর্ণ করা যায়,
তাহলে একটি সুন্দর গিগ ইমেজ তৈরি করা সহজ।
আমার মতে ফাইবারে গিগ ইমেজ আপলোডের কিছু নিয়ম রয়েছে যেগুলো আমাদের মেনে
কাজ করতে হবে। গিগের ইমেজ আপলোড করতে ইমেজ এর নির্দিষ্ট ডাইমেনশন আছে। গিগ
ইমেজের অফিসিয়াল সাইজ হলো 1280*769 পিক্সেল, এই সাইজ সকল ফ্রিল্যান্সার গিগে
ব্যবহার করে থাকে। সাইটে ইমেজ দ্রুত লোড নেওয়ার জন্য এবং ইমেজটা যেন ক্লিয়ার
আসে সেজন্য 72 DPI রেজুলেশন ব্যবহার করা উচিত। মূলত এগুলো ছাড়াও আমাদের আরও
বেশকিছু জিনিস লক্ষ্য রেখে তারপর আমাদের গিগ ইমেজ আপলোড করা উচিত।



ক্রিয়েটিভ ইনফো ৩৬০ এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url