আপনার ছবিগুলো নিয়ন্ত্রণ করার জন্য অ্যান্ড্রয়েডের সেরা ১০ টি গ্যালারি অ্যাপ

আপনার ছবিগুলো নিয়ন্ত্রণ করার জন্য অ্যান্ড্রয়েডের সেরা ১০ টি গ্যালারি অ্যাপ সম্পর্কে জানুন। আমরা প্রতিনিয়ত অ্যান্ড্রয়েড ফোনে অসংখ্য ছবি তুলে থাকি। ছবিগুলো এলোমেলো ভাবে থাকার কারণে অনেক সময় আমাদের প্রয়োজনীয় ছবি খুঁজে পেতে নানা সমস্যা হয়।
আপনার-ছবিগুলো-নিয়ন্ত্রণ-করার-জন্য-অ্যান্ড্রয়েডের-সেরা-১০-টি-গ্যালারি-অ্যাপ
তাই আমরা এখন অ্যান্ড্রয়েড ফোনের জন্য সেরা ১০ টি গ্যালারি অ্যাপ সম্পর্কে বিস্তারিত জানবো।এই অ্যাপগুলোর ব্যবহার পদ্ধতি যেমন সহজ তেমনি রয়েছে নানা মনোমুগ্ধকর ফিচার যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনকে করেছে আরও সহজ। সুতরাং চলুন আমরা জেনেনি অ্যান্ড্রয়েড ফোনের জন্য সেরা ১০ টি গ্যালারি অ্যাপ সম্পর্কে।

পোস্ট সূচিপত্রঃ আপনার ছবিগুলো নিয়ন্ত্রণ করার জন্য অ্যান্ড্রয়েডের সেরা ১০ টি গ্যালারি অ্যাপ

আপনার ছবিগুলো নিয়ন্ত্রণ করার জন্য অ্যান্ড্রয়েডের সেরা ১০ টি গ্যালারি অ্যাপ

আপনার ছবিগুলো নিয়ন্ত্রণ করার জন্য অ্যান্ড্রয়েডের সেরা ১০ টি গ্যালারি অ্যাপ সম্পর্কে এখন আমরা বিস্তারিত আলোচনা করবো। বর্তমান সময়ে স্মার্টফোন ব্যবহার করে না, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া বিরল।আমাদের আশেপাশের সবাই এখন আমরা স্মার্টফোন ব্যবহার করে থাকি। স্মার্টফোনের মধ্যে অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনের দাম আমাদের সবার হাতের নাগালে থাকায় অধিকাংশ মানুষ আমরা অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন ব্যবহার করে থাকি।

স্মার্ট ফোন দিন দিন শক্তিশালী হওয়ার পাশাপাশি এতে যোগ হচ্ছে নানা ধরনের মনোমুগ্ধকর সব ফিচার।এর পাশাপাশি স্মার্টফোনের ক্যামেরা দিন দিন আরও উন্নত হওয়ার ফলে আমরা এখন প্রায় সবাই বাইরে গেলে বা কোনো অনুষ্ঠানে গেলে অসংখ্য ছবি তুলে থাকি। এই এত এত ছবি আমাদের সঠিকভাবে দেখা ও নিয়ন্ত্রণ করার জন্য বেশ কিছু গ্যালারি অ্যাপস রয়েছে। এসব গ্যালারি অ্যাপ কখনো কখনো ফোনের সাথে বিল্ড ইন আকারে থাকে। 

কিন্তু যেসব ফোনের সাথে বিল্ড ইন আকারে থাকে না তাদের ক্ষেত্রে আলাদা করে একটি গ্যালারি অ্যাপ ডাউনলোড করে ইন্সটল করতে হয়। গ্যালারি অ্যাপ বা যেকোনো অ্যাপ ডাউনলোড করার জন্য নানান থার্ড পার্টি জায়গায় থাকলেও এর মধ্যে গুগল প্লে স্টোর অথবা অ্যাপেলের অ্যাপ স্টোর অধিক নিরাপদ। তাই আমরা যেকোনো অ্যাপস ডাউনলোড করার ক্ষেত্রে অবশ্যই গুগল প্লে স্টোর অথবা অ্যাপেল স্টোর থেকে ডাউনলোড করবো তাহলে আমাদের কোন ধরনের ঝুঁকি থাকবে না।

এখন যদি আমরা অ্যান্ড্রয়েড ফোনের জন্য সেরা ১০টি গ্যালারি অ্যাপ সম্পর্কে বলতে চাই তাহলে প্রথমে আসবে আমাদের Gogle Photos গ্যালারি, Simple Gallery, F-stop Gallery, Fossify Gallery, Camera Roll Gallery, Quickpic, Gallery, A+ Gallery, Cyanogen Gallery এবং সর্বশেষ MyRoll Gallery ও Gallery। মূলত উপরে বর্ণিত এই দশটি গ্যালারি অ্যাপ হলো অ্যান্ড্রয়েডের সেরা ১০টি গ্যালারি অ্যাপ। এখন আমরা প্রতিটা গ্যালারি অ্যাপের কাজ এবং এদের নানা ফিচার সম্পর্কে বিস্তারিত নিচের আলোচনা করবো।

গ্যালারি অ্যাপ কি এবং এর প্রয়োজনীয়তা

প্রথমে আসা যাক গ্যালারি কি এই বিষয়ে। গ্যালারি মূলত একটি অ্যাপ্লিকেশন বা অ্যাপ যা আমাদের কারো কারো ফোনে বিল্ড ইন থাকে আবার কারো ফোনে আলাদাভাবে ডাউনলোড করতে হয়। আমাদের ফোনের সকল ছবি বা ভিডিও দেখার জন্য আমরা যেই অ্যাপ ব্যবহার করে থাকি তাকে গ্যালারি বলে। আমরা আমাদের ফোনের ক্যামেরা দিয়ে ছবি তুললে বা ভিডিও করলে বা বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া থেকে অথবা অন্য কোন মাধ্যম থেকে কোন ছবি বা ভিডিও ডাউনলোড করলে সেটা আমরা গ্যালারি অ্যাপের মাধ্যমে দেখতে পাই।

এবার আমরা যদি গ্যালারি অ্যাপ এর প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে বলি তাহলে প্রথমে বলতে হবে গ্যালারি অ্যাপ ছাড়া আমরা আমাদের ফোনের যেকোনো ছবি বা ভিডিও দেখতে পাবো না। ছবি বা ভিডিও দেখার জন্য আমাদের ফোনে নূন্যতম একটি গ্যালারি অ্যাপ থাকতেই হবে। যদিও এখন অধিকাংশ ক্ষেত্রে ফোনের সাথেই একটি বিল্ড ইন গ্যালারি অ্যাপ্লিকেশন দেয়া থাকে তবে যদি কোন কারণে আমাদের ফোনে বিল্ড ইন কোন গ্যালারি অ্যাপ্লিকেশন না থাকে তাহলে সর্বপ্রথম আমাদের গুগল প্লে স্টোরে গিয়ে সার্চ করে নিজেদের পছন্দমত একটি গ্যালারি অ্যাপ ডাউনলোড করতে হবে। গ্যালারি আপনি ডাউনলোড হয়ে যাওয়ার পরে আমরা আমাদের ফোনের যাবতীয় ছবি ও ভিডিও এই অ্যাপের মাধ্যমে দেখতে পাবো
আবার অনেক ক্ষেত্রে আমাদের ফোনে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বা বা গোপনীয় কিছু কাগজপত্রের ছবি থাকে।সেক্ষেত্রে আমাদের ফোন অন্য কারো হাতে চলে গেলে সে আমাদের ফোনের গ্যালারিতে ঢুকে সহজই সেই ছবি দেখে নিতে পারবে। কিন্তু গ্যালারি অ্যাপ ব্যবহারের একটি বড় সুবিধা হলো আমরা আমাদের নিজেদের পছন্দের মত ফোল্ডার তৈরি করে সেটিকে পাসওয়ার্ড বা ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিয়ে লক করে রাখতে পারি ফলে যে কেউ ইচ্ছা করলে আমাদের গ্যালারিতে প্রবেশ করতে পারবে না। আবার কোন কারণে আমাদের ফোন চুরি হয়ে গেলে তথ্য পাচার বা যেকোনো ধরনের সমস্যা থেকে আমরা বেঁচে থাকতে পারবো।

Google Photos গ্যালারি অ্যাপ

Google Photos হলো গুগলের একটি গ্যালারি অ্যাপ। গুগলের এই গ্যালারিতে রয়েছে নানা ধরনের  চমৎকার সব ফিচার। আমরা যদি Google Photos অ্যাপটি ডাউনলোড করতে চাই তাহলে আমাদের প্রথমে গুগল প্লে স্টোরে গিয়ে সার্চ করতে হবে Google Photos লিখে এরপর আমাদের অ্যাপটি ইন্সটল করতে হবে। ইন্সটল করা হয়ে গেলে আমাদের প্রথমে নিজেদের গুগল একাউন্ট দিয়ে এখানে সাইন ইন করতে হবে। সাইন ইন করার ফলে আমাদের কোন ছবি আর হারিয়ে যাবে না কারণ Google Photos অ্যাপটিতে ব্যাকআপ নামে একটি অপশন রয়েছে। যা আমাদের ১৫জিবি পর্যন্ত ফ্রি গুগল স্টোরেজ প্রোভাইড করে।

এই ব্যাকআপ অপশনে যদি আমরা আমাদের যেকোনো ছবি বা ভিডিও ব্যাকআপ করে দি তাহলে আমাদের ফোনটি হারিয়ে গেলেও গুগল একাউন্টে আমাদের ছবিগুলো থেকে যাবে।এটা Google Photos এর অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। এরপর আচ্ছা যাক অন্যান্য বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে আমরা যদি আমাদের ফোনে কোন ছবি বা ভিডিও করি তাহলে সেটা আমরা সরাসরি আমাদের Google Photos এ দেখতে পাবো। এছাড়াও আমরা আমাদের গোপনীয় ছবি লক করে রাখতে পারব।

আবার Google Photos এর একটি দুর্দান্ত ফিচার হলো আমরা আমাদের এক মাসে বা এক সপ্তাহে যতগুলো ছবি তুলবো বা ভিডিও করবো Google Photos সেগুলোকে একটি আকারে আমাদের বানিয়ে দেখায় যা খুবই চমৎকার একটি ফিচার। পাশাপাশি Google Photos বিভিন্ন ছবিতে থাকা মানুষগুলোর ফেস আইডেন্টিফাই করে একটি তালিকা তৈরি করতে পারে এবং আমাদের ফোনে সেই একই চেহারার যতগুলো ছবিতে রয়েছে সেই ছবিগুলো Google Photos আলাদা করে দেখতে পারে। এছাড়াও আমরা আমাদের বিভিন্ন ছবি আমাদের নিজেদের ইচ্ছা মতো এডিট করার সুবিধা রয়েছে Google Photos এ।

এছাড়াও Google Photos এ আমরা বিভিন্ন ছবি মিশ্রণ করে একটি ছবি Collage করতে পারবো এটি Google Photos এর আরও একটি অসাধারণ ফিচার। পাশাপাশি বিভিন্ন ফোল্ডার করে বিভিন্ন ফোল্ডারে আমরা নিজেদের পছন্দমত ছবি রাখতে পারব পাশাপাশি আরও নানান ধরনের চমৎকার সব ফিচার এই Google Photos এ রয়েছে। মূলত এত এত ফিচার ও সুবিধা থাকার জন্য Google Photos আমার পছন্দের তালিকার শীর্ষে।

Simple Gallery অ্যাপ ও এর সুবিধা

Simple Gallery হলো আরও একটি গ্যালারি অ্যাপ অ্যাপ। এতেও রয়েছে নানা রকম চমৎকার সব সুবিধ।সিম্পল গ্যালারির নাম সিম্পল হলেও এটি অনেক জটিল কাজ করতে পারে। এটি আমাদের বিভিন্ন ছবি বা ভিডিওতে ফিঙ্গারপ্রিন্ট, প্যাটার্ন, বা পিন নাম্বার দিয়ে লক করে রাখতে পারে। পাশাপাশি এতে রয়েছে এডিটিং সুবিধা আমরা আমাদের সকল ছবি বা ভিডিও এই গ্যালারি মাধ্যমে নিজেদের পছন্দ মোতাবেক এডিট করতে পারবো। সিম্পল গ্যালারির আরও কয়েকটি সুবিধার মধ্যে একটি হলো এটি প্রায় ৩২ টি ভাষা সাপোর্ট করে ফলে পৃথিবীর অধিকাংশ দেশের মানুষ তাদের নিজেদের ভাষা ব্যবহার করে এই সিম্পল গ্যালারি অ্যাপটি ব্যবহার করতে পারবে।
অ্যান্ড্রয়েডের-সেরা-১০-টি-গ্যালারি-অ্যাপ-সম্পর্কে-জানুন-বিস্তারিত
আবার এই সিম্পল গ্যালারিতে আমরা রিকোভারি সুবিধা পেয়ে থাকি। অর্থাৎ আমাদের কোনো গুরুত্বপূর্ণ ছবি বা ভিডিও ডিলিট হয়ে গেলে আমরা সেটাকে পুরোটাই পুনরুদ্ধার বা রিকোভারি করতে পারব। এছাড়াও এতে রয়েছে প্রায় সকল ধরণের ছবি ও ভিডিও ফরম্যাট সাপোর্ট করে। ফলে আমাদের কোন ছবি বা ভিডিও এর ফরমেট নিয়ে চিন্তা করার দরকার পড়বে না। সিম্পল গ্যালারি একটি ওপেন সোর্স অ্যাপ হাওয়া আমরা এটাকে নিজেদের পছন্দমত কাস্টমাইজ করতে পারবো এবং যার ফলে যে কোন ফাইল বা ছবি সহজে সার্চ দিয়ে খুজে পেতে আমাদের সুবিধা হবে।

সুতরাং সিম্পল গ্যালারি অ্যাপে আমরা নানান সুবিধা পাচ্ছি। ছবি বা ভিডিও ভুলে ডিলিট হয়ে গেলে রিকোভারি করার সুবিধা পাচ্ছি পাশাপাশি পাচ্ছি একটি ওপেন সোর্স এক্সপিরিয়েন্স এবং কাস্টমাইজেশনের সুবিধা। যেকোন ছবি বা ভিডিও ফরমেট সাপোর্ট করার সুবিধা এবং নিজেদের ইচ্ছামত ভিডিও বা ছবি এডিট করার সুবিধা। এটি অনেক জটিল এবং অ্যাডভান্স কাজ করতে সক্ষম যা আমাদের স্মার্টফোন ব্যবহারের তথা গ্যালারি ব্যবহারের অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করে। তাই সেরা ১০ টি অ্যান্ড্রয়েড গ্যালারির মধ্যে এটি একটি

F-Stop Gallery অ্যাপ ও Fossify Gallery অ্যাপ এর নানান ফিচার 

F-Stop Gallery ও Fossify Gallery এই দুটি গ্যালারি নিয়ে এখন আমার আলোচনা করবো। এর পূর্বে আমরা Google Photos এবং Simple Gallery অ্যাপের নানা বৈশিষ্ট্য ও সুবিধা নিয়ে আলোচনা করেছি। F-Stop Gallery ও Fossify Gallery এই দুটি গ্যালারিও আগের দুটির মতো দুইটি গ্যালারি অ্যাপ। তবে ফিচারের দিক দিয়ে রয়েছে নানা ভিন্নতা। আমি আসা যাক F-Stop Gallery নিয়ে। 

F-Stop Gallery কে নিয়ে কথা বলতে হলে প্রথমে বলতে হবে এর সুন্দর চমৎকার ইউজার ইন্টারফেস।  আমাদের মধ্যে অনেকে আকর্ষণীয় ডিজাইনের গ্যালারি অ্যাপ খুঁজে থাকে তাদের জন্য F-Stop Gallery  হবে আদর্শ চয়েস। কারণ এর নিট এন্ড ক্লিন চমৎকার ডিজাইন মানুষকে আকৃষ্ট করে। তাই যারা খুব সুন্দর ডিজাইনের গ্যালারি অ্যাপ ব্যবহার করতে চান তারা এই অ্যাপটি ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়া অ্যাপে রয়েছে উন্নত মানের সার্চ ব্যবস্থা। আমরা আমাদের যেকোন ফাইল সার্চ দিলে খুব অনাসয়ে ফাইলটি খুঁজে পাওয়া যাবে।
F-Stop Gallery তে আমরা যে কোন ছবিকে অ্যালবাম, ট্যাগ, ম্যাপ বা বিভিন্ন ফোল্ডার ভিত্তিতে সাজাতে পারি যা আমাদের যে কোন জিনিস খুঁজে পেতে খুব সাহায্য করে। এছাড়াও এই গ্যালারিতে জিআইএফ GIF ব্যবহার সহ স্লাইড শো করার সুবিধাও এতে রয়েছে। তাই যারা সুন্দর ডিজাইন বা ইন্টারফেস এবং পাশাপাশি বিভিন্ন ফাইল যেমন GIF এবং সাইট শো করার সুবিধা চাচ্ছে তাদের জন্য F-Stop Gallery হবে একটি আদর্শ গ্যালারি।

এবার আসা যাক  Fossify Gallery নিয়ে এটি F-Stop Gallery এর মতোই একটি ওপেন সোর্স গ্যালারি। এটা রয়েছে সুন্দর পরিপাটি ইন্টারফেস যা মানুষকে আকৃষ্ট করে। পাশাপাশি Fossify Gallery তার নিরাপত্তার জন্য অধিক পরিচিত। এটি আমাদের কোন অ্যাড দেখায় না যার ফলে অ্যাড দেখানোর জন্য আমাদের কোন ইনফরমেশনও সে কোথাও শেয়ার করে না। তাই নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় আনলে এটি অধিক নিরাপদ একটি গ্যালারি। 

এটি অ্যাড ফ্রি হওয়ায় অনেকের পছন্দের তালিকায় এটি শীর্ষে থাকবে। কারণ অযথা অতিরিক্ত অ্যাড আসলে আমরা অনেকেই বিরক্ত বোধ করি। কিন্তু যেহেতু এই গ্যালারি টি একটি অ্যাড ফ্রি গ্যালারি তাই এই গ্যালারি ব্যবহার করলে অ্যাডের সমস্যা নিয়ে সমস্যা নিয়ে আমাদের আর কোন চিন্তা করতে হবে না।

Camera Roll Gallery অ্যাপের বৈশিষ্ট্য

Camera Roll Gallery অ্যাপে হলো আরও একটি গ্যালারি অ্যাপ। অন্যান্য গ্যালারি আপনার মত ক্যামেরা রোল গ্যালারিরও কিছু নিজস্ব বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা তাকে অন্যান্য গ্যালারি থেকে আলাদা করে। প্রথমে আসা যাক এই গ্যালারির ডিজাইন নিয়ে ক্যামেরা রোল গ্যালারির ডিজাইন খুব সিম্পল বা সাধারণ হওয়ায় এটি খুব ফাস্ট কাজ করে। যার ফলে যে কোন কাজ আমরা খুব তাড়াতাড়ি এই অ্যাপের মাধ্যমে করতে পারবো। যেহেতু আমরা বলেছি এর ডিজাইন খুব সাধারণ বা সিম্পল তাই এটি ব্যবহার করা আমাদের জন্য আরও সহজ। 

অন্যান্য গ্যালারি অ্যাপ এর মতো এতেও রয়েছে ফটো এডিটিং সুবিধা। যেহেতু এটি ফাস্ট একটি গ্যালারি সুতরাং বিভিন্ন এডিটিং এর সময় এটি অন্যান্য গ্যালারির তুলনায় ফার্স্ট কাজ করবে। পাশাপাশি এটি অ্যানিমেশন ভিডিও গ্যালারি অ্যাপ হিসেবে কাজ করে। ক্যামেরা রোল গ্যালারি অ্যাপ এর মাধ্যমে আমরা চাইলেই খুব সহজে ভার্চুয়াল অ্যালবাম তৈরি করতে পারব। এই অ্যাপের মাধ্যমে আমরা যদি চাই কোন ফোল্ডার সহ ফোল্ডারের মধ্যে যা আছে সব একসাথে হাইড করতে আমরা সেটাও এই গ্যালারি অ্যাপের মাধ্যমে করতে পারবো।

যেহেতু এ অ্যাপটি ফার্স্ট কাজ করে তাই বড় বড় মুভি ভিডিও এডিট করতেও যেমন যেমন কম সময় লাগে ঠিক তেমনি ডিলিট করার সময় অন্যান্য গ্যালারি অ্যাপ এর মতো অধিক সময় লাগে না। তাই আমরা যারা ঘনঘন মুভি দেখি এবং দেখা শেষ হয়ে গেলে আবার ডিলিট করে দিন তাদের জন্য এটি কার্যকরী হতে পারে হতে পারে। আর আমাদের স্মার্টফোনে অধিক বাড়ি ফাইল যেমন মুভি থাকার ফলে এমনিতেই জায়গা কমে যায় এবং ফোন স্লো হয়ে যায়। যেহেতু ক্যামেরা রোল গ্যালারি অ্যাপের সাইজ কম তাই এই অ্যাপ ব্যবহার ফলে স্লো হবে না।

ক্যামেরা রোল গ্যালারি অ্যাপ এটি একটি ওপেন সোর্স অ্যাপ। এই অ্যাপের সাইজ অন্যান্য গ্যালারির তুলনায় কম হয় এটি আপনার ফোনের জায়গা বাঁচাবে। আমরা যদি কেউ কম সাইজের মধ্যে কোন ভাল মানের গ্যালারি অ্যাপ খুজে থাকেন তবে ক্যামেরা রোল গ্যালারি অ্যাপ হতে পারে আপনার জন্য একটি আদর্শ গ্যালারি অ্যাপ। কারণ এতে যেমন রয়েছে ভরপুর ফিচার তেমনি এই অ্যাপের সাইজেও কম আবার এর মাধ্যমে করা যাচ্ছে দ্রুত এডিটিং সুতরাং এটিকে আমরা একটি আদর্শ গ্যালারি আমি বলতে পারি।

Quickpic Gallery অ্যাপের বৈশিষ্ট্য

ক্যামেরা রোল গ্যালারি অ্যাপের পরে আসা যাক কুইক পিক গ্যালারি অ্যাপ সম্পর্কে। কুইক পিক মূলত  
একটি থার্ড পার্টি অ্যাপ। কিন্তু থার্ড পার্টি অ্যাপ হলেও এটি আমার দেখা একটি দুর্দান্ত গ্যালারি অ্যাপ। কুইক পিক থার্ড পার্টি অ্যাপ হলেও বর্তমানে এটি গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। তাই আপনারা যারা এই অ্যাপটি ডাউনলোড করতে চাচ্ছেন তারা গুগল প্লে স্টোরে গিয়ে কুইক পিক লিখে সার্চ দিলেই এই অ্যাপটি পেয়ে যাবেন। এই অ্যাপের নানান সুযোগ-সুবিধা থাকার পাশাপাশি রয়েছে একটি চমৎকার ইউজার ইন্টারফেস যা আমাদের অ্যাপটি ব্যবহার করার অভিজ্ঞতাকে আরও বাড়িয়ে দেয়।

এই গ্যালারি অ্যাপে বাড়তি সুযোগ সুবিধা রয়েছে যেমন আমরা চাইলে কোন ডেট দিয়ে ছবি দেখতে পারি। অর্থাৎ আপনি যদি চান যে অমুক ডেটে আপনি কি কি ছবি আপনি তুলেছেন তা সব একসাথে দেখতে আপনি চাইলে সে কাজটি এখানে করতে পারেন। পাশাপাশি আপনি ছবিগুলোকে ফোল্ডারে আকারে সুন্দরভাবে সাজিয়েও রাখতে পারেন। এছাড়াও আপনি আপনার মোমেন্টস দেখতে পারবেন এই অ্যাপে অর্থাৎ বেশ কিছু ছবি নিয়ে একটি মোমেন্টস বানিয়ে দিবে। কুইক পিক গ্যালারি অ্যাপ এ এছাড়া রয়েছে ওয়াইফাই ট্রান্সফার ফিচার যার মাধ্যমে আমরা অন্য ফোন থেকে ছবি আদান প্রদান করতে পারবো।

এই গ্যালারি অ্যাপের অন্যতম সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো আমরা চাইলে এই গ্যালারি কে সরাসরি গুগল ড্রাইভ, ড্রপবক্স অথবা অন্যান্য ক্লাউডের সাথে সরাসরি কানেক্ট করতে পারবো। সুতরাং বিভিন্ন ক্লাউডে যদি আমাদের ছবি থাকে আমরা এবং আমরা যদি এই গ্যালারির সাথে কানেক্ট করে দিই তাহলে এক গ্যালারি অ্যাপ থেকে আমরা বিভিন্ন ক্লাউডের ছবি সব একসাথে দেখতে পাবো। এরকম ফিচার অন্যান্য গ্যালারিতে আমি দেখিনি। তাই এরকম অসাধারণ ফিচারস এর কারণে কুইক পিক গ্যালারি অ্যাপ আমার খুবই পছন্দ।

A+ Gallery এবং Cyanogen Gallery অ্যাপ সম্পর্কে

এবার আমরা আলোচনা করবো এ প্লাস গ্যালারি এবং ছাইনোজেন গ্যালারি সম্পর্কে। এই দুটি গ্যালারির মধ্যে দুটি গ্যালারিই অধিক ফিচার সম্পন্ন। উভয় গ্যালারিতে রয়েছেন নানা ধরনের সুবিধা। প্রথম আসা যাক এ প্লাস গেলে সম্পর্কে। এ প্লাস গ্যালারি কে মূলত অ্যান্ড্রয়েড এবং আই ও এস মিলিয়ে বানানো হয়েছে। তবে আই ও এস এর সংশমিশ্রণ থাকলেও এটি ব্যবহার করা খুবই সহজ। একজন অ্যান্ড্রয়েড ইউজার সহজেই এই এ প্লাস গ্যালারি ব্যবহার করতে পারবে। এই এ প্লাস গ্যালারি দেখতে অনেকটা আই ও এস এর ফটোজের মত দেখতে।

আপনি যখন এ প্লাস গ্যালারি ওপেন করবেন তখন আপনার কাছে তিনটা অপশন আসবে। যার মধ্যে একটি হলো সব ছবি একসাথে দেখার জন্য আপনি চাইলে সেই অপশনে গিয়ে সব ছবি একসাথে দেখতে পারেন। তৃতীয় অপশনটি হলো অ্যালবামের আপনি দিতে অপশনটিতে চাপ দিলে আপনার সব অ্যালবাম দেখাবে। এবার মাঝের অর্থাৎ দ্বিতীয় অপশনটি হলো অনলাইন। অর্থাৎ আপনি অনলাইন অপশনে গিয়ে আপনার বিভিন্ন ড্রাইভ বা ক্লাউড এখানে যোগ করতে পারেন। যদি আপনি আপনার ক্লাউড বা গুগল ড্রাইভ এখানে যোগ করেন তাহলে আপনার ড্রাইভে থাকা ছবিগুলো এই গ্যালারিতে শো করবে।

এ প্লাস গ্যালারিতে অন্যতম সুন্দর ফিচার হলো আপনি চাইলে ছবির কারণ যে ছবিগুলো আলাদা করতে পারবেন। যদি এটি একদম সঠিকভাবে কাজ করে না তবে এটি একটি অসাধারণ ফিচার।এছাড়াও এ প্লাস গ্যালারিতে রয়েছে আরও নানা ধরনের ফিচার যা অন্যান্য সাধারণ গ্যালারি থেকে এ প্লাস গ্যালারিতে আলাদা করেছে। তাই আপনারা যদি কেউ চান ছিমচাম সুন্দর একটি গ্যালারি এবং সাথে আই ও এস এর মতো ইন্টারফেস তাহলে আপনি এ প্লাস গ্যালারি ব্যবহার করতে পারেন।

এবার আসা যাক আমাদের আলোচনা দ্বিতীয় গ্যালারি ছাইনোজেন গ্যালারির ব্যাপারে। আমাদের মধ্যে অনেকেই ছাইনোজেন মোড এর কাস্টম রোম ব্যবহার করে থাকে। ছাইনোজেন গ্যালারি এই অ্যাপটা চালানোর জন্য আপনাকে আপনার ফোন রুট করতে হবে না। আপনি গুগল প্লে স্টোরে গিয়ে সার্চ বারে ছাইনোজেন গ্যালারি লিখে সার্চ দিলেই অ্যাপটি আপনার সামনে চলে আসবে। এই গ্যালারির ইন্টারফেস অনেকটা অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন কিটক্যাট এর মতো।

এই অ্যাপটি ওপেন করলে প্রথমে আপনি দেখতে পাবেন  এর বাম পাশে একটি স্লাইড বার আছে এবং উপরের দিকে একটি কুইক ক্যামেরা বাটন দেওয়া আছে যার সাহায্যে আপনি গ্যালারি থেকে সরাসরি ক্যামেরা ওপেন করে ছবি তুলতে পারবেন। স্লাইড বারের মধ্যে যে অপশন গুলো আসে তার হলো মোমেন্ট, অ্যালবাম এবং মিডিয়া। মোমেন্টে গেলে আপনি আপনার মোমেন্টগুলো দেখতে পাবেন অ্যালবাম অপশনে গেলে আপনি আপনার সকল অ্যালবাম গুলো দেখতে পাবেন এবং মিডিয়াতে গেলে আপনি আপনার সকল ছবি একসাথে দেখতে পাবেন।

সর্বশেষ MyRoll Gallery ও Gallery অ্যাপ সম্পর্কে

এবার আমরা আলোচনা করবো আমাদের এই আর্টিকেলের সর্বশেষ দুইটি অ্যান্ড্রয়েড গ্যালারি সম্পর্কে যেগুলো হল মাই রোল গ্যালারি এবং গ্যালারী। দুটি সম্পর্কে এখন আমরা বিস্তারিত জানবো। প্রথমে কথা বলা যাক মাইরোল গ্যালারি সম্পর্কে। মাইরোল গ্যালারির ইন্টারফেস অনেকটা গুগল ফটোস এর মতন তবে এর ইন্টারফেস নীল রঙের। এই অ্যাপে প্রবেশ করলে প্রথমেই দেখতে পাওয়া যাবে দুইটি ট্যাব যদিও দুইটি ট্যাবই প্রায় একি রকম।

এই অ্যাপের বাম পাশে একটি কুইক ক্যামেরা বাটন রয়েছে যেটা চাপ দিলে সরাসরি ফোনের ক্যামেরা ওপেন হয়ে যাবে এবং আপনি সরাসরি ছবি তুলতে পারবেন। অন্যান্য সব গ্যালানির মতো মাইরোল গ্যালারিতেও আমরা আমাদের নিজেদের পছন্দের ছবি নিজেদের মনের মত করে সাজাতে পারবো কিন্তু মাইরোল গ্যালারিতে ছবিগুলকে কোন ফোল্ডারে অ্যাড করতে পারবো না। তাই আমাদের মধ্যে যারা গুগল ফটোস অ্যাপ্লিকেশনটি পছন্দ করেন তাদের এই মাইরোল গ্যালারিটি পছন্দ হতে পারে। তবে এখানে সুবিধা হলো আপনি অফলাইনও আপনার সব কিছু দেক্তে পারবেন।
অ্যান্ড্রয়েডের-সেরা-১০-টি-গ্যালারি-অ্যাপ-সম্পর্কে-জানুন
আমরা এতক্ষন মাইরোল গ্যালারি নিয়ে আলোচনা করলাম এবার আমরা আলোচনা করবো গ্যালারি নামের এই গ্যালারি অ্যাপ সম্পর্কে। আপনার ছবিগুলো নিয়ন্ত্রণ করার জন্য অ্যান্ড্রয়েডের সেরা ১০ টি গ্যালারি অ্যাপ এর মধ্যে এখন আমরা আলোচনা করছি আমাদের শেষ অ্যান্ড্রয়েড গ্যালারি অ্যাপ যার নাম গ্যালারি সম্পর্কে।
গ্যালারি নামের এই গ্যালারি অ্যাপটি একটি আর্টিফিশিয়াল নির্ভর গ্যালারি অ্যাপ। এই গ্যালারি অ্যাপেও আমরা অন্যান্য গ্যালারির মতো ভিডিও প্লে করার সুবিধা পাব, ছবি বা ভিডিও এডিট করার সুবিধা পাব এবং অ্যালবাম বানাতে পারবো। এছাড়াও এই গ্যালারি অ্যাপে রয়েছে সরাসরি, প্রিন্ট করার সুবিধা যা অন্যান্য গ্যালারি থেকে এই গ্যালারি কে কিছুটা আলাদা করেছে। যেহেতু এটি আর্টিফিশিয়াল নির্ভর একটি অ্যাপ সুতরাং এই গ্যালারি অ্যাপে আমরা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সকে বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করতে পারবো।

যেহেতু এই অ্যাপ আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স নির্ভর তাই এটি খুব সহজে মানুষ এবং প্রকৃতির মাঝে পার্থক্য বের করতে পারে। তাই আমাদের এই অ্যাপে কোন জিনিস খুঁজতে খুব একটা বেশি সময় লাগবে না কারণ আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের মাধ্যমে আমরা খুব সহজেই আমাদের প্রয়োজনীয় জিনিস খুঁজে পাবো। এছাড়াও আমরা আমাদের বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্টের ছবিগুলা আলাদা আলাদা ক্যাটাগরিতে ভাগ করে রাখতে পারবো।

শেষ কথাঃ আপনার ছবিগুলো নিয়ন্ত্রণ করার জন্য অ্যান্ড্রয়েডের সেরা ১০ টি গ্যালারি অ্যাপ

আপনার ছবিগুলো নিয়ন্ত্রণ করার জন্য অ্যান্ড্রয়েডের সেরা ১০ টি গ্যালারি অ্যাপ এ বিষয়ে আমরা এতক্ষণ নানা আলোচনা করলাম। তারও আগে আমরা আলোচনা করেছি গ্যালারি কি এবং গ্যালারির প্রয়োজনীয়তা কী। তারপর আমরা অ্যান্ড্রয়েডের জন্য সেরা ১০ টি  অ্যাপের বিভিন্ন সুবিধা ও ফিচার নিয়ে বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করলাম। সুতরাং অ্যান্ড্রয়েডের জন্য সেরা ১০ টি গ্যালারি অ্যাপগুলয় হলো গুগল ফটোস, সিম্পল গ্যালারি, F-stop Gallery, Fossify Gallery, Camera Roll Gallery, Quickpic Gallery, A+ Gallery, Cyanogen Gallery এবং সর্বশেষ MyRoll Gallery ও Gallery।

আমার মতে আমাদের অনেকের এন্ড্রয়েডের স্টক গ্যালারিটা পছন্দ হয় না অথবা সে গ্যালারিতে খুব একটা কার্যকর ফিচার থাকে না। যার কারণে আমরা আমাদের দৈনন্দিন কাজে নানা বেগ পেয়ে থাকি। সে ক্ষেত্রে আমরা আমাদের পছন্দ ও কাজের ধরণ ভরন অনুযায়ী অ্যান্ড্রয়েডের জন্য সেরা ১০ টি গ্যালারি মধ্যে একটি ব্যবহার করতে পারি। তবে এইরকম গ্যালারি ব্যবহারের ক্ষেত্রে অবশ্যই আমাদের সতর্ক হতে হবে এবং থার্ড পার্টি কোন ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড না করে গুগল প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করতে হবে। তা না হলে আমাদের ফোনে নানা ধরনের ভাইরাস প্রবেশ করতে পারে। এমনকি হ্যাক পর্যন্ত হয়ে যেতে পারে।  

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

ক্রিয়েটিভ ইনফো ৩৬০ এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url