এপ্রিল মাসের ক্যালেন্ডার ২০২৬ পহেলা বৈশাখসহ
আমরা আজকের এই আর্টিকেলে এপ্রিল মাসের ক্যালেন্ডার ২০২৬ পহেলা বৈশাখসহ নানা বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব। এপ্রিল হলো বছরের চতুর্থ মাস। এটি গরমের মাস এই মাস থেকে বাংলাদেশের প্রায় সকল স্থানে তীব্র গরম পড়া শুরু করে।
এই এপ্রিল মাসে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে কালবৈশাখী ঝড় দেখা যায়। বাঙালির সবচেয়ে বড় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পহেলা বৈশাখ এই এপ্রিল মাসের ১৪ তারিখ অনুষ্ঠিত হয়। নানা সুবিধা অসুবিধা থাকা সত্ত্বেও এপ্রিল মাস একটি গুরুত্বপূর্ণ মাস। তো চলুন জেনে নেয়া যাক বিস্তারিত এই সম্পর্কে।
পোস্ট সূচীপত্রঃ এপ্রিল মাসের ক্যালেন্ডার ২০২৬ পহেলা বৈশাখসহ
- এপ্রিল মাসের ক্যালেন্ডার ২০২৬ পহেলা বৈশাখসহ
-
যেভাবে ক্যালেন্ডারের ধারণা আসে
-
ক্যালেন্ডারের ব্যবহার শুরু হয় যবে থেকে
-
এপ্রিল মাসের কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্য
-
এপ্রিল মাসে যেসব সরকারি ছুটি রয়েছে
-
এপ্রিল মাসের আবহাওয়া কেমন
-
এই মাসে যেভাবে পহেলা বৈশাখ অনুষ্ঠিত হয়
-
এপ্রিল মাসের কিছু সুবিধা
-
এই মাসের কিছু অসুবিধা
- শেষ কথাঃ এপ্রিল মাসের ক্যালেন্ডার ২০২৬ পহেলা বৈশাখসহ
এপ্রিল মাসের ক্যালেন্ডার ২০২৬ পহেলা বৈশাখসহ
এপ্রিল মাসের ক্যালেন্ডার ২০২৬ পহেলা বৈশাখসহ বিস্তারিত এখন আমরা আলোচনা
করব। এপ্রিল মাস বছরের চতুর্থ মাস। এটি গরমের মাস এই মাস থেকে বাংলাদেশের প্রায়
সকল স্থানে গরম পড়া শুরু হয়ে যায়। এ মাসে বিখ্যাত কালবৈশাখী ঝড় দেখা যায়
এছাড়াও বাঙালির সবচেয়ে বড় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পহেলা বৈশাখ এই এপ্রিল মাসেই
অনুষ্ঠিত হয়। তাই এপ্রিল মাস বছরের একটি
গুরুত্বপূর্ণ মাস। প্রত্যেক মাসের মতো এপ্রিল মাসের ও নিজস্ব কিছু
বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এই মাসে যেমন রয়েছে কিছু সুবিধা তেমনি রয়েছে কিছু
অসুবিধা।
এপ্রিল মাসের ১৪ তারিখ পহেলা বৈশাখ অর্থাৎ এটি বাংলা ক্যালেন্ডারে প্রথম
দিন। পহেলা বৈশাখের মাধ্যমে বাংলা মাস শুরু হয়। এবার ২০২৬ সালের ১৪ই এপ্রিল
হবে বাংলা ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের প্রথম দিন এটি বাঙালিদের সবচেয়ে বড়
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এদিন সারাদেশে সরকারি ছুটি থাকে। স্কুল কলেজ সহ
বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। এছাড়াও
এপ্রিল মাসে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিন রয়েছে যেমন ১৬ই এপ্রিল বিশ্ব কণ্ঠ
দিবস, ১৭ই এপ্রিল মুজিবনগর দিবস, ১৮ই এপ্রিল বিশ্ব ঐতিহ্য দিবস, ২৭শে
এপ্রিল বিশ্ব নকশা দিবস এবং ২৮শে এপ্রিল শ্রমিক নিরাপত্তা দিবস।
যেভাবে ক্যালেন্ডারের ধারণা আসে
বিভিন্ন দিন, মাস বা বছরকে ভাগ করার জন্য এবং একটি নির্দিষ্টক্রমে এগুলোকে
সাজানোর জন্য পাশাপাশি নাগরিক জীবন ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান
নিয়ন্ত্রণ এবং ঐতিহাসিক ও বৈজ্ঞানিক উদ্দেশ্যে ক্যালেন্ডার আবিষ্কারক করা হয়।
ক্যালেন্ডার শব্দটি ল্যাটিন শব্দ ক্যালেন্ডারিয়াম থেকে এসেছে যার অর্থ সুদ
রেজিস্টার বা হিসাব বই। প্রাচীন সভ্যতার মানুষেরা পর্যবেক্ষণ করে ছিল যে আকাশের
চাঁদ, সূর্য নক্ষত্ররা স্থির নয়। এছাড়াও সূর্যের উদয় এবং অস্ত
যাওয়ার সাথে দিন এবং রাত্রের যে চক্র এখান থেকে সময় এবং দিন
রাতের ধারণা তৈরি হয়ে থাকে।
আরও পড়ুনঃ চিয়া সিড খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা
এছাড়াও চন্দ্র মাস এবং নির্দিষ্ট সময় পর পর ঋতুগুলোর আবর্তন সবই
জ্যোতির্বিদরা দেখতে পেতেন।মূলত সূর্যের উদয় হওয়া এবং নির্দিষ্ট সময় পর অক্ত
যাওয়া এই ধারণা থেকেই মানুষ সময়ের ধারণা পেয়েছে এবং এই সময় গণনা করার ধারণা
থেকে পরবর্তীকালে ক্যালেন্ডারের ধারণা মানুষের মধ্যে এসেছে। ক্যালেন্ডার
আবিষ্কারের পিছনে রয়েছে হাজার হাজার বছরের আকাশ পর্যবেক্ষণ জ্যোতির্বিদদের
অক্লান্ত পরিশ্রম এবং জীবন টিকিয়ে রাখার সংগ্রাম। ক্যালেন্ডার আবিষ্কার করার
মাধ্যমে আমরা আগামীকাল আগামী মাস এবং আগামী বছরের পরিকল্পনা সাজাতে পারি এবং সময়
মতো সকল কাজ সম্পন্ন করতে পারি।
ক্যালেন্ডারের ব্যবহার শুরু হয় যবে থেকে
ক্যালেন্ডারের ব্যবহার শুরু হয় সেই প্রাচীনকাল থেকে। প্রায় পাঁচ হাজার বছর আগে
সুমেরীয় এবং মিশরীয় জ্যোতির্বিদরা দিন মাস এবং বছরের সাহায্যে
সময় গণনা করার পদ্ধতি তৈরি করে। ক্যালেন্ডার যখন ছিল না তখন দিনক্ষণ
নির্ধারণ করা বেশ কঠিন ছিল। খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ অব্দে মিশরীয়
জ্যোতির্বিদরা একটি বিশেষ নিয়মের মাধ্যমে দিনকে ১২ ঘন্টা এবং রাতকে ১২
ঘণ্টা ভাগ করে ২৪ ঘন্টার একটি পুরো দিন ধার্য করে। আবার গ্রীক দার্শনিক
প্লেটো একটি পানির ঘড়ি তৈরি করে।
গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার ১৫৮২ সালে পোপ গ্রেগরি চালু করেন। গ্রেগরিয়ান
ক্যালেন্ডারের মূল কাঠামোটা আসলে সৌর বর্ষের উপর নির্ভরশীল এর বর্তমান
যে কাঠামো আমরা দেখতে পাই সেই অবস্থায় পৌঁছাতে প্রায় সময় লেগেছে কয়েকশো
বছর এবং এর মাঝে করা হয়েছে নানা পরিমার্জন এবং পরিবর্তন।গ্রেগরিয়ান
ক্যালেন্ডার জুলিয়ান ক্যালেন্ডারের উন্নত রূপ যা বর্তমানে সারা
বিশ্বজুড়ে ব্যবহৃত হয়।
এপ্রিল মাসের কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্য
এপ্রিল বছরের চতুর্থ মাস এই মাসে ৩০ দিন থাকে। এপ্রিল মাসের বেশ কিছু
গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য রয়েছে যেমন এপ্রিল মাস থেকে বাংলাদেশে গরম পড়া শুরু
হয়। এপ্রিলের ১৪ তারিখ সারা বাংলাদেশে পহেলা বৈশাখ উৎযাপিত হয় অর্থাৎ
বাংলা ক্যালেন্ডার শুরু হয়। এপ্রিল মাসে কালবৈশাখী ঝড় হয়। এপ্রিল মাস
থেকে বাংলাদেশে গ্রীষ্মকাল শুরু হয় তাই এপ্রিল মাসে গ্রীষ্মকালীন
বিভিন্ন মুখরোচক ফল পাওয়া যায় যেমন তরমুজ, আম, জাম, লিচু, কাঁঠাল ইত্যাদি। এসময়
বিভিন্ন ধরনের ফসল ফলে যেমন ভুট্টা, বীট, ব্রকলি, শালগম
আলু ইত্যাদি।
এছাড়া এপ্রিল মাসে বেশ কিছু আন্তর্জাতিক দিবস রয়েছে যেমন ২ই এপ্রিল
আন্তর্জাতিক শিশুতোষ বই দিবস, ৭ই এপ্রিল বিশ্বস্বাস্থ্য দিবস, ১১ই এপ্রিল
বিশ্ব পারকিন্সন দিবস, ১৪ই এপ্রিল বাংলা নববর্ষ, ১৫ই এপ্রিল শিল্পকলা
দিবস, ১৭ই এপ্রিল মুজিবনগর দিবস, ১৮ই এপ্রিল বিশ্ব ঐতিহ্য দিবস, ২৭শে
এপ্রিল বিশ্ব নকশা দিবস এবং ২৮শে এপ্রিল শ্রমিক নিরাপত্তা দিবস। সুতরাং
আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে এপ্রিল মাস বেশ গুরুত্বপূর্ণ এবং বৈশিষ্ট্যপূর্ণ একটি
মাস।
এপ্রিল মাসে যেসব সরকারি ছুটি রয়েছে
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এপ্রিল মাসের ক্যালেন্ডার ২০২৬ পহেলা বৈশাখসহ আলোচনা
করা হলো ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসে তেমন কোন সরকারি ছুটি নেই। বাংলাদেশের
সরকারি অফিস আদালত এবং স্কুল-কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতি শুক্র
এবং শনিবার সরকারি ছুটি থাকে। সপ্তাহে ৭ দিনের মধ্যে এই দুইদিন সরকারি
ছুটি। এছাড়াও প্রতিবছর ১৪ই এপ্রিল পহেলা বৈশাখী উদযাপন করা হয় এ
দিনটি সরকারি ছুটির দিন। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক উৎসব
আয়োজন করা হয়।
এপ্রিল মাস ৩০ দিনের এই ৩০ দিনের মাসের মধ্যে প্রায় আট দিন শুক্র এবং
শনি। এবং পহেলা বৈশাখের জন্য একদিন ছুটি থাকে। অর্থাৎ এই ৩০ দিনের মাসে
প্রায় ২১ দিন কর্ম দিবস থাকে। তবে অন্যান্য বিভিন্ন ধর্মের অনুষ্ঠান অথবা
স্থানীয় উৎসবের তেমন কোন সরকারি ছুটি নেই। অর্থাৎ অন্যান্য বছরের মতো ২০২৬
সালের এপ্রিল মাসে তেমন কোন সরকারি ছুটি নেই কেবলমাত্র পহেলা বৈশাখ এবং
সাপ্তাহিক ছুটি ব্যতীত।
এপ্রিল মাসের আবহাওয়া কেমন
এপ্রিল বাংলাদেশের উষ্ণতম একটি মাস। এই মাসে সারাদেশে তীব্র গরম
পরে। এ মাসে তাপপ্রবাহ দেখা যায়। ছাড়া অতিরিক্ত গরমের
কারণে কালবৈশাখী ঝড় শিলাবৃষ্টি নিম্নচাপ এমনকি ঘূর্ণিঝড় হওয়ার মতো ঝুঁকি
থাকে এই মাসে। বছরের সবচেয়ে উষ্ণতম মাস গুলোর একটি হলো এপ্রিল। এপ্রিল
মাসে প্রায় সারা বাংলাদেশ জুড়ে তাপপ্রবাহ বয়ে যায় কোথাও মৃদু বা
কোথাও তীব্র। বিশেষ করে বরেন্দ্রভূমি অর্থাৎ রাজশাহী বগুড়া দিনাজপুর
ইত্যাদি অঞ্চলে বেশ তীব্র গরম পরে।
আরও পড়ুনঃ কবুতরের মাংসের উপকারিতা ও অপকারিতা
এপ্রিল মাসে তাপমাত্রা সর্বোচ্চ ৪০ ডিগ্রি বা তারও বেশি হতে পারে। এই তীব্র
গরমে সাধারণ জনগণের বেশ ভোগান্তি হয়। এছাড়া এপ্রিল মাসে কালবৈশাখী ঝড়,
নিম্নচাপ, শিলাবৃষ্টি সহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ সৃষ্টি হয়। এপ্রিল মাসে
অতিরিক্ত গরম পড়াই এ মাসটি সাধারণ জনগণের কাছে বেশি কষ্টকর। এই মাসে
নানা ফল মূল পাওয়ার পাশাপাশি নানা অসুবিধা থাকলেও তীব্র গরম সহ বিভিন্ন
প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে অনেকেরই এই এপ্রিল মাস পছন্দ নয়।
এই মাসে যেভাবে পহেলা বৈশাখ অনুষ্ঠিত হয়
এপ্রিল মাসের ক্যালেন্ডার ২০২৬ পহেলা বৈশাখসহ আমরা সবাই জানি এপ্রিল মাসের ১৪
তারিখ সারা বাংলাদেশে পহেলা বৈশাখ বা নববর্ষ উদযাপন করা হয়। নতুন বছরকে বরণ করে
নেওয়ার উৎসব হলো এই নববর্ষ বা পহেলা বৈশাখ। বাংলাদেশ সহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে
বাংলা ভাষাভাষী মানুষেরা এই উৎসব পালন করে থাকে। এদিন সারা দেশে সরকারি ছুটি
থাকে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন সরকারি অফিস আদালতে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক
অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশের জাতীয় উৎসবের মধ্যে একটি হলোএই
নববর্ষ।
পহেলা বৈশাখ এই উৎসবটি সারা দেশে বিভিন্নভাবে উদযাপিত হয় শোভাযাত্রা,
বিভিন্ন মেলা, সকালে পান্তা ইলিশ খাওয়া এগুলো বাঙালির সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের
মধ্যে পড়ে। এছাড়াও নতুন বছর উপলক্ষে বিভিন্ন দোকানে হালখাতা খোলা হয়।
বাংলাদেশে প্রতিবছর শোভাযাত্রা আয়োজন করা হয়। পহেলা বৈশাখ বা নববর্ষের
শুভেচ্ছা বাক্য হলেও শুভ নববর্ষ। সকলে একে অপরকে এই শুভেচ্ছা বাক্য আদান প্রদান
করে। মেলা। শোভাযাত্রা, হালখাতা সহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক
অনুষ্ঠান আয়োজনের মাধ্যমে একটি আনন্দমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয় এই
নববর্ষকে ঘিরে।
এপ্রিল মাসের কিছু সুবিধা
এপ্রিল মাসে বেশ কিছু সুবিধা রয়েছে যেমন এ সময় সারা দেশে মুখরোচক সব ফল
পাওয়া যায় যেমন তরমুজ, আম, জাম, কাঁঠাল লিচু ইত্যাদ। এটি বছরের প্রথম
৩০ দিনের মাস। এপ্রিল মাসে অনেকেই ঘুরে বেড়াতে পছন্দ করে। এই সময় বিভিন্ন
ধরনের মৌসুমী ফসল ফলানো যায়। আবার গরম থাকার ফলে ছোট ছোট বাচ্চারা খাল,
বিল, পুকুর বা নদীতে গোসল করতে পছন্দ করে।
এপ্রিল মাসে গ্রীষ্মকালের আবির্ভাবে দিন বড় হওয়ায় এ সময় অনেকে বাগান করতে
পছন্দ করে পাশাপাশি শীত থেকে গ্রীষ্মে উষ্ণ আবহাওয়ায় সকলের মেজাজ
ফুরফুরা থাকে। নানা ফুলে ভরে ওঠে সকল বাগান। এটি হলো সবজি চাষ করার জন্য একটি
আদর্শ সময়। এই সময় নানা পুষ্টিকর সবজি চাষ করা হয় ফলে তাজা সবজি পাওয়া যায় এই
এপ্রিল মাসে।
এই মাসের কিছু অসুবিধা
এতক্ষণ আমরা এপ্রিল মাসের নানা বৈশিষ্ট্য এবং সুবিধা নিয়ে কথা বললাম এবার কিছু
অসুবিধা নিয়ে কথা বলা যাক। এপ্রিল মাসের সর্বপ্রথম অসুবিধা হলো এটি একটি তীব্র
গরমের মাস এই মাসে তাপ্রবাহ মৃদু থেকে তীব্র পর্যন্ত হয়ে থাকে ফলে বাংলাদেশের
বিভিন্ন স্থানে নিম্নচাপ, ঘূর্ণিঝড়, কালবৈশাখী ঝড় সহ নানা ধরনের প্রাকৃতিক
দুর্যোগ সৃষ্টি হয়। এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগ জনসাধারণের যেমন ক্ষতি করে তেমনি
নানা ফসল নষ্ট হয় এবং বিভিন্ন জিনিসের ক্ষতি হয়।
আরও পড়ুনঃ কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসলে করণীয় কি
এপ্রিল মাস দেশের উষ্ণতম মাস গুলোর একটি এই সময় তাপমাত্রা ৩০ থেকে ৪০ ডিগ্রি
সেলসিয়াস বা তারও বেশি হয়ে থাকে। এজন্য জনসাধারণের খুব কষ্ট হয়।
অনেকেই হিট স্ট্রোকের শিকার হয়।অতিরিক্ত গরমের ফলে সকলে অস্থির থাকে এবং
কেউই প্রশান্তি পায় না পাশাপাশি বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রভাব তো
রয়েছেই। এই সকল কারণে এপ্রিল মাস কে অনেকেই খুব একটা পছন্দ করে না।
শেষ কথাঃ এপ্রিল মাসের ক্যালেন্ডার ২০২৬ পহেলা বৈশাখসহ
উপরে আমরা এতক্ষন এপ্রিল মাসের ক্যালেন্ডার ২০২৬ পহেলা
বৈশাখসহ বিস্তারিত আলোচনা করলাম। এটি বছরের চতুর্থ মাস এবং বছরের
উষ্ণতম মাস গুলোর একটি। এই মাসে তেমন কোন সরকারি ছুটি নেই তবে বাঙালির
সবচেয়ে বড় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পহেলা বৈশাখ এই মাসের ১৪ তারিখ অনুষ্ঠিত
হয়। এ মাসটিতে নানা ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা যায় যেমন কালবৈশাখী ঝড়,
ঘূর্ণিঝড়, নিম্নচাপ এবং দেশের উষ্ণতম মাসগুলোর একটি হওয়ায় দেশের বিভিন্ন
স্থানে তাপপ্রবাহ চলে।
আমার মতে এপ্রিল মাসের যেমন সুবিধার দিক রয়েছে তেমনি কিছু অসুবিধার দিকেও
রয়েছে। এই মাসে যেমন বাঙালির সবচেয়ে বড় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পহেলা বৈশাখ
অনুষ্ঠিত হয় তেমনি গ্রীষ্মকাল রসালো ফলমূল পাওয়া যায়। তবে অতিরিক্ত
উষ্ণতমাস হওয়ায় জনসাধারণের নানা কষ্টের কারণ হওয়ার পাশাপাশি
বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের সম্ভাবনা এই মাসে থাকে। 250945




ক্রিয়েটিভ ইনফো ৩৬০ এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url