জন্মনিবন্ধন নাম সংশোধন বাতিল হলে করণীয় কি
আজকের এই আর্টিকেলে আমরা জন্মনিবন্ধন নাম সংশোধন বাতিল হলে করণীয় কি এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব। জন্ম নিবন্ধন আমাদের সকলের জন্য একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরি ডকুমেন্ট। আমাদের জীবনের প্রতিটা কাজে জন্ম নিবন্ধনের প্রয়োজন রয়েছে।
জন্ম সনদ হলো প্রত্যেক নাগরিকের একটি আইনি সনদ। এটা আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি, পাসপোর্ট তৈরি, জাতীয় পরিচয় পত্র তৈরি, সরকারি চাকরিসহ জীবনের প্রতিটা পদক্ষেপে প্রয়োজন। তাই এটিতে ভুল থাকলে আমাদের নানারকম সমস্যা ভোগ করতে হবে। তো চলুন জেনে নেয়া যাক বিস্তারিত।
পোষ্ট সূচিপত্রঃ জন্মনিবন্ধন নাম সংশোধন বাতিল হলে করণীয় কি
- জন্মনিবন্ধন নাম সংশোধন বাতিল হলে করণীয় কি
-
জন্ম নিবন্ধন বা সনদ আসলে কী
-
জন্ম নিবন্ধন আমাদের কী কী কাজে লাগে
-
কিভাবে জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন করতে হয়
-
কারো জন্ম নিবন্ধনে জন্মের তথ্য প্রদানকারী কারা
-
জন্ম বা মৃত্যু নিবন্ধন কোথায় করতে হয়
-
জন্ম নিবন্ধনের নাম সংশোধন প্রক্রিয়া
-
জন্ম নিবন্ধনের নাম সংশোধন বাতিল হলে করণীয়
- জন্মনিবন্ধনে ভুল থাকলে যেসব সমস্যায় পড়তে হয়
- শেষ কথাঃ জন্মনিবন্ধন নাম সংশোধন বাতিল হলে করণীয় কি
জন্মনিবন্ধন নাম সংশোধন বাতিল হলে করণীয় কি
আমরা এখন জন্মনিবন্ধন নাম সংশোধন বাতিল হলে করণীয় কি এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা
করব জন্ম নিবন্ধন আমাদের সকলের জন্য একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ
ডকুমেন্ট। স্কুল কলেজে ভর্তি, পাসপোর্ট তৈরি, ব্যাংক একাউন্ট তৈরি
এছাড়া জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরি সহ জীবনের প্রতিটা কাজে আমাদের জন্ম
নিবন্ধনের প্রয়োজন হয়। কিন্তু এই জন্ম নিবন্ধনে অনেক সময় আমাদের নাম
ভুল ভাবে প্রকাশিত বা ছাপা হয়। সেই ক্ষেত্রে আমরা জন্ম নিবন্ধন
সংশোধন করার জন্য আবেদন করে থাকি।
আবেদন করা হলেও অনেক সময় আমাদের আবেদনটি বাতিল হয়ে যায়। আবেদন বাতিল
হয়ে যাওয়ার মূল কয়েকটি কারণ হলো আমরা আবেদন করার সময় আবেদনের
সাথে যে কয়েকটি ডকুমেন্ট দিয়েছিলাম সেগুলোতে ভুল থাকা
অথবা আমরা জন্ম নিবন্ধনের নাম পরিবর্তনের বা সংশোধনের ক্ষেত্রে যদি
বড় ধরনের কোন পরিবর্তন বা সংশোধন করি তাহলেও আবেদনটি বাতিল হতে
পারে। তো চলুন জেনে নেওয়া যাক জন্ম নিবন্ধন নাম সংশোধন বাতিল হলে আমাদের
করণীয় আসলে কী।
জন্ম নিবন্ধন বা সনদ আসলে কী
জন্ম নিবন্ধন বা জন্ম সনদ হলো জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন। ২০০৪ সনের
২৯ নং আইন। এই আইন মোতাবেক একজন মানুষের নাম, জন্মের তারিখ ও স্থান,
মা-বাবার নাম, তাদের জাতীয়তা এবং স্থায়ী ঠিকানাসহ যাবতীয় তথ্য
নির্ধারিত জায়গা থেকে রেজিস্টার করার মাধ্যমে কম্পিউটারে এন্ট্রি প্রদান
করে জন্ম নিবন্ধন বা সনদ প্রদান করা। এটি হলো মূলত জন্ম নিবন্ধন বা জন্ম
সনদ। এই জন্ম নিবন্ধনে ব্যক্তির সকল ধরনের ব্যক্তিগত তথ্যের
পাশাপাশি একটি জন্ম নিবন্ধন নাম্বার থাকে।
আরও পড়ুনঃ এপ্রিল মাসের ক্যালেন্ডার ২০২৬ পহেলা বৈশাখসহ
সোজা কথায় বলতে গেলে একজন শিশু জন্ম হওয়ার পরে তার পরিচয় পত্র কে জন্ম
নিবন্ধন বলে। এ নিবন্ধনে শিশুর ব্যক্তিগত সকল তথ্যের পাশাপাশি শিশুর মা-বাবার
সকল তথ্য দেয়া থাকে। শিশুর জন্ম নিবন্ধন করার মাধ্যমে শিশুর নাম এবং
জাতীয়তা আইনগতভাবে নির্ধারিত হয়। একটি শিশু জন্মানোর পর সে প্রথম রাষ্ট্র
কর্তৃক স্বীকৃত পায় জন্ম নিবন্ধনের মাধ্যমে। এই জন্ম নিবন্ধন শিশুকে অন্যান্য
সকল নাগরিকদের সাথে সমান নাগরিক সুবিধা ভোগ করতে সাহায্য করে।
জন্ম নিবন্ধন আমাদের কী কী কাজে লাগে
একটি শিশু জন্মানোর পর প্রথম রাষ্ট্র কতৃক স্বীকৃত প্রদান করা হয় জন্ম
নিবন্ধনের মাধ্যমে। জন্ম নিবন্ধন প্রতিটি শিশুসহ যেকোনো ব্যক্তির জীবনের
প্রতিটি পর্যায়ে এবং প্রতিটি ধাপে অসংখ্য প্রয়োজনীয় এবং গুরুত্বপূর্ণ একটি
জিনিস। এটি ব্যক্তির রাষ্ট্র কর্তৃক নাম এবং জাতীয়তা নির্ধারণ করে।জন্ম
নিবন্ধন ছাড়া কোন ব্যক্তি নাগরিক সুবিধা ভোগ করতে পারবে না কারণ সে ওই
রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে গণ্য হবে না। তাই জন্ম নিবন্ধন আমাদের
প্রত্যেকের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা আশা করছি আমরা সকলেই বুঝতে পারছি।
জন্ম নিবন্ধন আমাদের কি কাজে লাগে তা আসলে বলে শেষ করা যাবে না। তাও আমরা
কয়েকটি উদাহরণ দেওয়ার মাধ্যমে বিষয়টি স্পষ্ট করে বুঝে নেয়ার চেষ্টা
করছি। জন্ম নিবন্ধন আমাদের পাসপোর্ট তৈরি বা ইস্যু করতে, শিক্ষা
প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে, বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে, ভোটার
হতে, ব্যাংক একাউন্ট খুলতে এবং যেকোনো আর্থিক লেনদেন
করতে, সরকারি বা বেসরকারি যে কোন চাকরিতে যোগ দিতে এমনকি সর্বশেষ
জাতীয় পরিচয় পত্র প্রাপ্তিতে প্রয়োজন হয়।
কিভাবে জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন করতে হয়
কোন শিশু পৃথিবীতে ভূপৃষ্ঠ হওয়ার পর পিতা-মাতার প্রথম কাজ হলো শিশু
জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন করা। বর্তমানে আপনারা চাইলে খুব সহজে ঘরে বসেই
জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন করতে পারবেন এর জন্য আপনাদের প্রথমে
br.lgd.gov.bd এই ওয়েবসাইট প্রবেশ করে নিবন্ধকের কার্যালয় বরাবর একটি
জন্ম নিবন্ধনের আবেদন সাবমিট করতে হবে। অনলাইনে আবেদন করা হয়ে গেলে
আবেদনের প্রিন্ট কপি নিবন্ধন অফিসে জমা দিতে হবে।
যদি শিশু জন্মের পাঁচ বছরের মধ্যে জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন করা হয় তাহলে
তথ্য সংগ্রহকারীর প্রত্যয়, সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল বা চিকিৎসা
প্রতিষ্ঠানের ছাড়পত্র বা জন্ম সংক্রান্ত তথ্য
এবং নিবন্ধকের প্রয়োজন অনুযায়ী অন্য কোন দলিল প্রদান করতে
হবে। এবং শিশু জন্মের পাঁচ বছরের অধিক হলে বয়স প্রমাণের জন্য ডাক্তার বা
জন্মস্থানের এবং স্থায়ীভাবে বসবাসের স্থান প্রমাণের জন্য সংশ্লিষ্ট
ওয়ার্ড কাউন্সিলরের প্রত্যয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক
মনোনীত প্রত্যয় এবং নিবন্ধকের প্রয়োজন অনুযায়ী অন্য কোন দলিল প্রদান
করতে হবে।
কারো জন্ম নিবন্ধনে জন্মের তথ্য প্রদানকারী কারা
শিশু জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে সাধারণত শিশুর জন্ম নিবন্ধন করাতে
হয়। শিশুর জন্ম নিবন্ধনের তথ্য প্রদান করে সাধারণত শিশুর বাবা
মা। তবে কোন কারণবশত সেসব বাবা মা না থাকলে অথবা ইন্তেকাল
করলে ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য বা সচিব, পুলিশ, সিটি কর্পোরেশন বা
পৌরসভার কাউন্সিলর, ইউনিয়ন পরিষদ, সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা অথবা
ক্যান্টনমেন্টে নিয়োজিত স্বাস্থ্যকর্মী শিশুর জন্মের তথ্য প্রদান করতে
পারবে।
এছাড়া সরকারি, বেসরকারি বা মাতৃসদন বা অন্য কোন প্রতিষ্ঠানে জন্ম হলে
উক্ত প্রতিষ্ঠানের মেডিকেল অফিসার বা ডাক্তার শিশুর জন্মের তথ্য প্রদান
করতে পারবে। কোন শিশু যদি জেলখানায় জন্মগ্রহণ করে তাহলে সে
ক্ষেত্রে জেলা সুপার পাওয়ার জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শিশুর
জন্মের তথ্য দিতে পারবে এবং পরিত্যক্ত শিশু হলে সংশ্লিষ্ট থানার
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শিশুর জন্য তথ্য দিবে।
জন্ম বা মৃত্যু নিবন্ধন কোথায় করতে হয়
এবার আসা যাক জন্ম বা মৃত্যু নিবন্ধন কোথায় করতে হয় এবং কিভাবে করতে
হয় সেই বিষয় নিয়ে।কোন ব্যক্তির জন্মের ক্ষেত্রে সে ব্যক্তির
জন্মস্থান, স্থায়ী ঠিকানা বা বর্তমানে যেখানে বসবাস করছে সেখানে
সংশ্লিষ্ট নিবন্ধকের কাছ থেকে জন্ম নিবন্ধন করতে পারবে এবং কোন ব্যক্তির মৃত্যু
হওয়ার ক্ষেত্রে যে এলাকাতে মৃত্যু হয়েছে সেই এলাকাতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কাছে
নিবন্ধন করতে পারবে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি গুলো হলো
- ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতা প্রাপ্ত কোন সদস্য
- পৌরসভার মেয়র
- সিটি কর্পোরেশনের মেয়র
- ক্যাটরমেন্টের ক্ষেত্রে ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট
-
বিদেশে মৃত্যু হলে বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত
জন্ম নিবন্ধনের নাম সংশোধন প্রক্রিয়া
আমাদের অনেকের জন্ম নিবন্ধনের সময় নামে ভুল হয়। সেক্ষেত্রে
আমাদের নানা জটিলতাই করতে হয় এবং অনেক হয়রানি পোহাতে
হয়। তো চলুন জেনে নেওয়া যাক জন্ম নিবন্ধনের নাম সংশোধন প্রক্রিয়া কি।
জন্ম নিবন্ধনের নাম বা অন্যান্য তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের প্রথমে
bdris.dscc.gov.bd এই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। এবং কিছু তথ্য
প্রদান করতে হবে।
জন্ম নিবন্ধনের নাম বা অন্যান্য তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের মধ্যে যারা
ধর্মের পরিবর্তন করেছে তাদের ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেটের দ্বারা করা
এফিডেভিট, কোথায়, কোন সাক্ষীর উপস্থিতিতে ধর্মান্তরিত হয়েছে, কার দ্বারা
ধর্মান্তরিত হয়েছে এবং বর্তমানে ধর্মান্তরিত অবস্থায় আছে কিনা এ সকল
জিনিস প্রমাণ স্বরূপ জমা দিতে হবে। জন্ম তারিখ পরিবর্তনের জন্য স্কুল,
কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক সনদ অথবা জাতীয় পরিচয় পত্র লাগবে। পিতা
মাতার নামে ভুল থাকলে পিতা-মাতার জন্ম নিবন্ধন এবং জাতীয় পরিচয় পত্র
লাগবে। সকল ডকুমেন্ট আপনার কাছে থাকলে আপনি জন্ম সনদ সংশোধনের জন্য
আবেদন করতে পারবেন।
জন্ম নিবন্ধনের নাম সংশোধন বাতিল হলে করণীয়
জন্মনিবন্ধন নাম সংশোধন বাতিল হলে করণীয় কি এই বিষয়ে এখন আমরা বিস্তারিত
আলোচনা করব জন্ম নিবন্ধন নাম সংশোধন বাতিল সাধারণত যেসব কারণে হয় আমাদের
আগে সে কারণগুলো নির্ধারণ করতে হবে। জন্ম নিবন্ধনের নাম
সংশোধনের আবেদন বাতিল হওয়ার প্রধান কারণ হলো প্রশাসনিক কাগজপত্রে ভুল
থাকা অর্থাৎ জন্ম নিবন্ধন এর নাম সংশোধন করার সময় যে কাগজপত্রগুলো প্রদান
করা হয়েছিল সেগুলোতে ভুল থাকলে সাধারণত জন্ম নিবন্ধনের নাম সংশোধন বাতিল
হয়ে যায়।এক্ষেত্রে আমাদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে অথবা উপযুক্ত অফিসে যোগাযোগ
করতে হবে।
আমাদের নামের যদি বাংলা বা ইংরেজি বানানে ভুল থাকে তাহলে সে ক্ষেত্রে
আমাদের করণীয় হলো আমাদের সকল উপযুক্ত ডকুমেন্টসহ পুনরায় আবেদন করা। যদি
নামে বড় ধরনের কোন ভুল থাকে বা বড় ধরনের কোন পরিবর্তন করা হয় তাহলে
সেক্ষেত্রে আবেদন বাতিল হয়ে যেতে পারে এক্ষেত্রে আমাদের উপযুক্ত সকল
ডকুমেন্ট পুনরায় সাবমিট করে সংশোধন আবেদন করতে হবে এবং সংশোধন বাতিল
হওয়ার কারণ সম্পর্কে জানার চেষ্টা করতে হবে। তবে আমাদের মনে রাখতে হবে বিবাহের
পর নাম পরিবর্তন করা যায় না।
জন্মনিবন্ধনে ভুল থাকলে যেসব সমস্যায় পড়তে হয়
আমরা জন্মনিবন্ধন নাম সংশোধন বাতিল হলে করণীয় কি এই সম্পর্কে আলোচনা
করলাম এবার আসা যাক জন্ম নিবন্ধনে ভুল থাকলে আমাদের কী কী সমস্যা হতে পারে
এই বিষয়ে। আমরা সকলে জানি জন্ম নিবন্ধন আমাদের সকলের জন্য কত
গুরুত্বপূর্ণ একটি ডকুমেন্ট এটি ছাড়া আমরা আমাদের জীবনের যাবতীয় এবং
নাগরিক সুযোগ সুবিধা ভোগ করতে পারবো না।
জন্ম নিবন্ধনের মাধ্যমে আমাদের রাষ্ট্র কর্তৃক একটি নাম এবং জাতীয়তা
নিবন্ধিত হয়। তাই জন্ম নিবন্ধনের ভুল থাকলে আমাদের পরবর্তী সকল
কার্যক্রমে ভোগান্তি পোহাতে হবে। যেমন জন্ম নিবন্ধন ভুল থাকলে আমাদের
স্কুল, কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের যাবতীয় সার্টিফিকেটেও সেই ভুল
থেকে যাবে। আবার ভোটার হওয়ার সময়, ব্যাংক একাউন্ট খোলা এবং যেকোনো
আর্থিক লেনদেন করার সময়, সরকারি বা বেসরকারি যে কোন চাকরিতে যোগ দিতে দিয়ে
এমনকি সর্বশেষ জাতীয় পরিচয় পত্র প্রাপ্তিতে আমাদের সমস্যা সৃষ্টি হবে।
শেষ কথাঃ জন্মনিবন্ধন নাম সংশোধন বাতিল হলে করণীয় কি
আমার এতক্ষণ এই আর্টিকালে জন্মনিবন্ধন নাম সংশোধন বাতিল হলে করণীয়
কি এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করার পাশাপাশি সকল সমাধান দেখিয়ে
দিলাম। মূলত জন্ম নিবন্ধন হলো আমাদের প্রত্যেকের জন্য একটি খুবই
গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরি ডকুমেন্ট তাই এটিতে ভুল থাকলে আমাদের অবশ্যই সংশোধন
করতে হবে। সাধারণত সংশোধনের আবেদন করার সময় আমরা যে ডকুমেন্টগুলো
সাবমিট করি সেগুলোতে ভুল থাকা বা বড় কোন পরিবর্তন করতে চাইলে আমাদের
আবেদনটি বাতিল হয়ে যায়।
আমার মতে এই ক্ষেত্রে আমাদের অবশ্য সংশ্লিষ্ট অফিসে যোগাযোগ করার পাশাপাশি
পুনরায় অনলাইনে আবেদন করা উচিত। পুনরায় আবেদন করার সময় আমাদের অবশ্যই
সতর্ক থাকতে হবে এবং সকল সঠিক ডকুমেন্ট সাবমিট করতে হবে। তাহলে আশা করা
যায় জন্ম নিবন্ধনের নাম সংশোধনের আবেদন আর বাতিল হবে না।




ক্রিয়েটিভ ইনফো ৩৬০ এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url