ফাইবার একাউন্ট খোলার নিয়ম
আজকের এই আর্টিকেলে আমরা ফাইবার একাউন্ট খোলার নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা
করবো এবং কিভাবে একটি সম্পূর্ণ ভেরিফাইড ফাইবার অ্যাকাউন্ট খুলে সেখানে কাজ
করতে হয় তা ধারাবাহিকভাবে আপনাদের দেখিয়ে দিবো।
প্রোফাইল অপশনে ক্লিক করার পরে যে ইন্টারফেস আসবে সে ধাপগুলো সম্পর্কে আমরা
দ্বিতীয ধাপে আলোচনা করবো।
নাম টাইটেল এবং প্রোফাইল পিকচার যুক্ত করার পরে আমরা কোন কোন ল্যাঙ্গুয়েজে
পারদর্শী সেটি নির্বাচন করতে হবে সেজন্য আমাদের এড ল্যাঙ্গুয়েজ অপশনে ক্লিক
করে ল্যাঙ্গুয়েজ গুলো এক এক করে লিস্টে যুক্ত করে দিতে হবে।
এই সকল ইনফরমেশন গুলো সম্পূর্ণভাবে পূরণ করার পরে আমাদের নিচে আরো তিনটি অপশন
থাকবে সেটি হল ওয়ার্ক এক্সপেরিয়েন্স এডুকেশন এবং সার্টিফিকেট এই তিনটি
অপশন অপশনাল অর্থাৎ না দিলেও চলবে তবে অবশ্যই একটি ভালো এবং অপটিমাইজ
প্রোফাইল পাওয়ার জন্য এবং ফাইবারে কাজ পাওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের এই তিনটি জিনিস
অবশ্যই যুক্ত করতে হবে এক্ষেত্রে আপনারা এডুকেশন এবং এক্সপেরিয়েন্স যুক্ত করে
দিবেন সার্টিফিকেটটি যদি আপনাদের কাছে না থাকে তাহলে স্কিপ করবেন। মূলত এ
সকল ইনফরমেশন যুক্ত করার মাধ্যমে আমাদের দ্বিতীয় ধাপের কার্যক্রম শেষ হলো তৃতীয়
ধাপে আমরা একটি কমপ্লিট প্রোফাইলে আপনাদের সামনে হাজির হবো।
এ দুটির মধ্যে একটি অপশন নির্বাচন করার পরে আমাদের সামনে একটি কমপ্লিট প্রোফাইল
হাজির হয়ে যাবে এবং এখানে আমাদের একটি গিগ তৈরি করার জন্য বলবে এবং কিভাবে একটি
অপটিমাইজ গিগ তৈরি করতে হয় বা কিভাবে ইমেজ বানাতে হয় এ সকল কিছু নিয়ে আমাদের
ওয়েবসাইটে ইতিমধ্যে একটি সম্পূর্ণ আর্টিকেল রয়েছে।
আমরা যারা ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজ করি এবং বিদেশী ক্লায়েন্টদের কাজ করে দেওয়ার মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করতে চাই তাদের সবচেয়ে পছন্দের মার্কেটপ্লেস হলো ফাইবার মার্কেটপ্লেস। তো চলুন আজকে ফাইবারে একাউন্ট খোলার সকল নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাক।
পোস্ট সূচীপত্রঃ ফাইবার একাউন্ট খোলার নিয়ম
- ফাইবার একাউন্ট খোলার নিয়ম
-
ফাইবার মার্কেটপ্লেস বলতে আসলে কী বোঝায়
-
কিভাবে ফাইবার মার্কেটপ্লেসে কাজ করতে হয়
-
ফাইবার মার্কেটপ্লেস থেকে আয়ের উপায়
- ফাইবারে একাউন্ট খোলার প্রথম ধাপ
-
ফাইবারে একাউন্ট খোলার দ্বিতীয় ধাপ
-
ফাইবারে একাউন্ট খোলার সর্বশেষ ধাপ
-
ফাইবার একাউন্ট ভেরিফাই করার পদ্ধতি
-
মোবাইল দিয়ে ফাইবারে কাজ করার সহজ পদ্ধতি
- শেষ কথাঃ ফাইবার একাউন্ট খোলার নিয়ম
ফাইবার একাউন্ট খোলার নিয়ম
এখন আমরা ফাইবার একাউন্ট খোলার নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত জানবো। বর্তমান
সময়ে অনলাইন থেকে অর্থ উপার্জন করার একটি জনপ্রিয় উপায় হলো ফাইবার। আপনি যদি
একজন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে নতুন হয়ে থাকেন এবং আপনার ফ্রিল্যান্সিং জার্নি করে
করতে চান তাহলে আপনার প্রথম ধাপ হলো একটি ফাইবার একাউন্ট তৈরি করা। এটি করার
জন্য প্রথমে আপনাকে গুগলে গিয়ে Fiverr লিখে সার্চ করতে হবে এবং পরবর্তীতে
অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। এরপর আমরা Join বা Sign Up অপশনে ক্লিক
করে খুব সহজেই রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া শুরু করতে পারবো। এখানে আমাদের ইমেইল,
ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে একাউন্ট তৈরি করতে হয়, এই পুরো প্রক্রিয়াকে
অনেক সহজ এবং দ্রুত।
ফাইবার একাউন্ট খোলার সময় আমাদের কিছু বিষয় খুব ভালোভাবে মাথায় রাখতে হবে,
কারণ এগুলোই ভবিষ্যতে আমাদের কাজ পাওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
যেমন, ইউজারনেম নির্বাচন করার সময় এমন একটি নাম ব্যবহার করা উচিত যা প্রফেশনাল
এবং সহজে মনে রাখা যায়। পাশাপাশি আমাদের ইমেইল অবশ্যই সংক্রিয় বা ওয়ার্কিং
থাকতে হবে কারণ আমাদের ইমেইলে বিভিন্ন সময় অনেক গুরুত্বপূর্ণ নোটিফিকেশন আসবে।
সবকিছু সঠিকভাবে সম্পন্ন হলে এবং আর কোনো সমস্যা না হলে আমরা খুব সহজেই ফাইবারে
আমাদের যাত্রা শুরু করে দিতে পারবো এবং ধীরে ধীরে নিজেদের দক্ষতা আরো বাড়িয়ে
আয়ের সুযোগ তৈরি করতে পারবো।
ফাইবার মার্কেটপ্লেস বলতে আসলে কী বোঝায়
ফাইবার মার্কেটপ্লেস বলতে মূলত এমন একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্মকে বোঝায় যেখানে
আমরা আমাদের দক্ষতা বা স্কিল অনুযায়ী বিভিন্ন সার্ভিস বিক্রি করতে পারি এবং
বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের ক্লায়েন্টরা সেই সার্ভিস কিনে নিতে পারে। এখানে
কাজগুলো সাধারণত “Gig” আকারে উপস্থাপন করা হয়, যেখানে আমরা নির্দিষ্ট একটি
কাজের বিস্তারিত বর্ণনা, মূল্য এবং সময় উল্লেখ করে রাখি। একজন ক্লায়েন্ট যখন
আমাদের দেওয়া সার্ভিস তার প্রয়োজন অনুযায়ী উপযুক্ত মনে করে, তখন সে আমাদেরকে
অর্ডার দেয় এবং আমরা সেই কাজ সম্পন্ন করে নির্দিষ্ট অর্থ উপার্জন করি।
আরও পড়ুনঃ Fiverr এ গিগ ইমেজ আপলোডের সঠিক ডাইমেনশন সেটআপ
এই মার্কেটপ্লেসের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো আমরা ঘরে বসেই আন্তর্জাতিকভাবে কাজ করার সুযোগ পাই এবং নিজের স্কিলকে কাজে লাগিয়ে আয় করতে পারি। এখানে গ্রাফিক ডিজাইন, ডিজিটাল মার্কেটিং, কনটেন্ট রাইটিং, ভিডিও এডিটিংসহ বিভিন্ন ধরনের কাজ পাওয়া যায়, ফলে আমরা আমাদের পছন্দ অনুযায়ী যেকোনো একটি বা একাধিক ক্যাটাগরিতে কাজ করতে পারি। ফাইবার মূলত একটি ব্রিজের মতো কাজ করে, যেখানে ফ্রিল্যান্সার এবং ক্লায়েন্ট একসাথে যুক্ত হয় এবং উভয়ের জন্যই একটি নিরাপদ ও সহজ লেনদেনের পরিবেশ তৈরি হয়।
এই মার্কেটপ্লেসের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো আমরা ঘরে বসেই আন্তর্জাতিকভাবে কাজ করার সুযোগ পাই এবং নিজের স্কিলকে কাজে লাগিয়ে আয় করতে পারি। এখানে গ্রাফিক ডিজাইন, ডিজিটাল মার্কেটিং, কনটেন্ট রাইটিং, ভিডিও এডিটিংসহ বিভিন্ন ধরনের কাজ পাওয়া যায়, ফলে আমরা আমাদের পছন্দ অনুযায়ী যেকোনো একটি বা একাধিক ক্যাটাগরিতে কাজ করতে পারি। ফাইবার মূলত একটি ব্রিজের মতো কাজ করে, যেখানে ফ্রিল্যান্সার এবং ক্লায়েন্ট একসাথে যুক্ত হয় এবং উভয়ের জন্যই একটি নিরাপদ ও সহজ লেনদেনের পরিবেশ তৈরি হয়।
কিভাবে ফাইবার মার্কেটপ্লেসে কাজ করতে হয়
ফাইবার মার্কেটপ্লেসে কাজ করতে হলে আমাদের প্রথমে নিজেদের একটি নির্দিষ্ট
স্কিল ঠিক করতে হবে, কারণ এখানে সফল হতে হলে একটি নির্দিষ্ট কাজের ওপর দক্ষতা
থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা যখন ফাইবার একাউন্টে প্রবেশ করি, তখন আমাদের
প্রোফাইলটি সুন্দরভাবে সেটআপ করতে হবে যেখানে আমাদের দক্ষতা, অভিজ্ঞতা এবং
আমরা কী ধরনের কাজ করতে পারি তা পরিষ্কারভাবে উল্লেখ করতে হবে। এরপর আমাদের
একটি বা একাধিক Gig তৈরি করতে হবে, যেখানে আমরা আমাদের সার্ভিসের বিস্তারিত
বর্ণনা, মূল্য এবং ডেলিভারি সময় নির্ধারণ করে দেই যাতে ক্লায়েন্ট সহজেই
বুঝতে পারে আমরা কী অফার করছি।
Gig তৈরি করার পর আমাদের নিয়মিতভাবে একটিভ থাকতে হবে এবং ক্লায়েন্টের
মেসেজের দ্রুত উত্তর দিতে হবে, কারণ এতে আমাদের প্রোফাইলের বিশ্বাসযোগ্যতা
বাড়ে। যখন কোনো ক্লায়েন্ট আমাদের কাজ পছন্দ করে অর্ডার দেয়, তখন আমাদের
সময়মতো এবং মানসম্মতভাবে কাজটি সম্পন্ন করে ডেলিভারি দিতে হয়। পাশাপাশি,
আমরা যদি ভালো কমিউনিকেশন বজায় রাখি এবং ক্লায়েন্টকে সন্তুষ্ট রাখতে পারি,
তাহলে তারা আমাদেরকে ভালো রিভিউ দেয়, যা ভবিষ্যতে আরও বেশি কাজ পাওয়ার
ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ফাইবার মার্কেটপ্লেস থেকে আয়ের উপায়
ফাইবার মার্কেটপ্লেস থেকে আয় করার জন্য আমাদের প্রথমে একটি নির্দিষ্ট স্কিলের উপর কাজ শুরু করতে হবে এবং সেই অনুযায়ী Gig তৈরি করতে হবে। আমরা যখন আমাদের প্রোফাইলে বিভিন্ন সার্ভিস যোগ করি, তখন ক্লায়েন্টরা আমাদের কাজ দেখে অর্ডার দিতে আগ্রহী হয়। এখানে আমরা গ্রাফিক ডিজাইন, কনটেন্ট রাইটিং, ডিজিটাল মার্কেটিং, ভিডিও এডিটিংসহ নানা ধরনের সার্ভিস দিতে পারি। একটি ভালোভাবে সাজানো Gig, পরিষ্কার বর্ণনা এবং আকর্ষণীয় প্রেজেন্টেশন আমাদের আয়ের সুযোগ অনেক বাড়িয়ে দেয়, কারণ এতে ক্লায়েন্ট সহজেই বুঝতে পারে আমরা কী ধরনের কাজ কতটা দক্ষতার সাথে করতে পারি।
আয় বাড়ানোর জন্য আমাদের শুধু একটি Gig-এর উপর নির্ভর না করে ধীরে ধীরে একাধিক সার্ভিস যুক্ত করা উচিত এবং প্রতিটি কাজেই ভালো মান বজায় রাখতে হবে। আমরা যদি ক্লায়েন্টকে সময়মতো কাজ ডেলিভারি দেই এবং তাদের সাথে ভালো কমিউনিকেশন বজায় রাখি, তাহলে তারা আমাদেরকে পজিটিভ রিভিউ দেয়, যা ভবিষ্যতে আরও বেশি অর্ডার পাওয়ার পথ খুলে দেয়। পাশাপাশি, আমরা চাইলে Gig-এ extra service বা package যোগ করে আয় বাড়াতে পারি, এতে একই ক্লায়েন্ট থেকে আরও বেশি ইনকাম করা সম্ভব হয় এবং ধীরে ধীরে ফাইবার থেকে একটি স্থায়ী আয়ের উৎস তৈরি করা যায়।
কন্টিনিউ উইথ গুগল এই বাটনে ক্লিক করার পরে আপনার সামনে আপনার যে গুগল
একাউন্ট গুলো রয়েছে সেগুলো চলে আসবে এবং সেখান থেকে আপনি যে একাউন্টের
পরিপ্রেক্ষিতে ফাইবার অ্যাকাউন্ট খুলতে চান সেই google একাউন্টে নির্বাচন করে
কন্টিনিউ বাটনে ক্লিক করলে সে একাউন্টের পরিপ্রেক্ষিতে আপনার একটি ফাইবার
একাউন্ট ওপেন হয়ে যাবে। এখন ওপেন হয়ে গেলে ফাইবার একাউন্টের প্রোফাইলটি
কমপ্লিট করার জন্য আমাদের পরবর্তী ধাপগুলো সম্পূর্ণ করতে হবে তো চলুন জেনে
নেওয়া যাক পরবর্তী ধাপগুলো সম্পর্কে।
আয় বাড়ানোর জন্য আমাদের শুধু একটি Gig-এর উপর নির্ভর না করে ধীরে ধীরে একাধিক সার্ভিস যুক্ত করা উচিত এবং প্রতিটি কাজেই ভালো মান বজায় রাখতে হবে। আমরা যদি ক্লায়েন্টকে সময়মতো কাজ ডেলিভারি দেই এবং তাদের সাথে ভালো কমিউনিকেশন বজায় রাখি, তাহলে তারা আমাদেরকে পজিটিভ রিভিউ দেয়, যা ভবিষ্যতে আরও বেশি অর্ডার পাওয়ার পথ খুলে দেয়। পাশাপাশি, আমরা চাইলে Gig-এ extra service বা package যোগ করে আয় বাড়াতে পারি, এতে একই ক্লায়েন্ট থেকে আরও বেশি ইনকাম করা সম্ভব হয় এবং ধীরে ধীরে ফাইবার থেকে একটি স্থায়ী আয়ের উৎস তৈরি করা যায়।
ফাইবারে একাউন্ট খোলার প্রথম ধাপ
ফাইবার একাউন্ট খোলার নিয়ম সম্পর্কে এখন আমরা স্ক্রিনশট সহ
ধারাবাহিকভাবে দেখিয়ে দিবো। ফাইবারে একাউন্ট খোলার জন্য সর্বপ্রথম আমাদের
গুগলে Fiverr লিখে সার্চ করতে হবে
এরপর আমাদের সামনে ফাইবারের যে অফিশিয়াল ওয়েবসাইট আসবে
www.Fiverr.com সেটাতে প্রবেশ করতে
হবে। ফাইবারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রবেশ করলে আমাদের সামনে এরকম একটি
ইন্টারফেস সো করবে। এখান থেকে আমাদের জয়েন বাটনে ক্লিক করতে হবে।
জয়েন বাটনে ক্লিক করার পরে আমাদের সামনে এরকম আরেকটা ইন্টারফেস
চলে আসবে এবং সেখানে আমাদের একাউন্ট খোলার করার জন্য যেকোনো একটি মাধ্যমে
নির্বাচন করতে হবে এক্ষেত্রে আমি প্রেফার করবো গুগলকে নির্বাচন করার জন্য।
গুগল একাউন্টে জয়েন করার পরে আমাদের এরকম একটি ইন্টারফেস চলে আসবে সেখান
থেকে আমাদের উপরে প্রোফাইল অপশন এ ক্লিক করতে হবে।
ফাইবারে একাউন্ট খোলার দ্বিতীয় ধাপ
দ্বিতীয় ধাপের প্রথমে আমাদের সামনে এরকম একটি ইন্টারফেস চলে আসবে এবং সেখান
থেকে আমাদের দ্বিতীয় যে অপশনটি রয়েছে সেটি নির্বাচন করতে হবে।
দ্বিতীয় অপশনটি নির্বাচন করার পরে আমাদের সামনে আমাদের প্রোফাইল ইনফরমেশন
দেওয়ার জন্য একটি ইন্টারফেস চলে আসবে সেখানে আমাদের ব্যক্তিগত সকল ইনফরমেশন
দিতে হবে এখানে আমাদের প্রথমেই নাম আমাদের টাইটেল এবং প্রোফাইল পিকচার যুক্ত
করতে হবে।
এগুলো যুক্ত করা হয়ে গেলে আমাদের নিচের স্ক্রল করতে হবে এবং নিচে আমাদের
তিনটি অপশন দেখাবে সেটি হলো এবাউট সেকশন অর্থাৎ আমরা কি করি এবং আমাদের
সম্পর্কে একটি অপটিমাইজড বর্ণনা দিতে হবে এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ আপনার এটি
দেওয়ার সময় খুবই মনোযোগ দিয়ে পূরণ করবেন এবং এরপর আমাদের স্কিল এড করতে হবে
অর্থাৎ আমরা কোন কোন স্কিলে পারদর্শী সেটি যুক্ত করতে হবে এটা খুবই
গুরুত্বপূর্ণ অযথা কোন স্কেল যুক্ত না করে আমরা যে স্কিল পারি আমাদের শুধু সেই
এক ক্যাটাগরির স্কিল যুক্ত করা উচিত।
ফাইবারে একাউন্ট খোলার সর্বশেষ ধাপ
এটাই আমাদের পাইবার অ্যাকাউন্ট খোলার সর্বশেষ ধাপ অর্থাৎ এভাবে আমাদের ফাইবার
একাউন্ট সম্পন্নভাবে খোলা হয়ে যাবে উপরের সকল ইনফরমেশন গুলো পূরণ করার পরে
আমাদের নিচে কন্টিনিউ যে বাটন রয়েছে সে বাটনে ক্লিক করতে হবে এবং কন্টিনিউ
বাটনে ক্লিক করার পরে আমাদের সামনে এরকম একটি ইন্টারফেস চলে আসবে সেখানে আপনারা
আপনাদের মত ফুল টাইম অথবা পার্ট টাইম যে কোন একটি নির্বাচন করতে আমি এখানে
পার্ট টাইম অপশনটা নির্বাচন করলাম কারণ অনেক সময় ফুল টাইম নির্বাচন করলে
কিছু ডকুমেন্ট দেওয়ার ঝামেলা পোহাতে হয়।
আপনারা চাইলে কিভাবে গিগ তৈরি করতে হয় সেটা জানার জন্য আমাদের ওয়েবসাইটের সেই
আর্টিকেলটি দেখে আসতে পারেন।
তো আমাদের একটি সম্পূর্ণ ফাইবার একাউন্ট খোলা হয়ে গেছে এবং একটি প্রোফাইল
রেডি করা হয়ে গেছে। এখন এখানে আমাদের প্রোফাইলে আরো বেশ কিছু জিনিস যুক্ত করতে
হবে এবং সেগুলো আপনাকে ফাইবারে কাজ পেতে আরো অনেক বেশি সাহায্য করবে যেমন
পোর্টফলিও। আপনি যদি পোর্টফলিও যুক্ত করেন তাহলে সেটি আপনাকে ফাইবারে কাজ
পাওয়ার জন্য অনেক বেশি সহযোগিতা করবে পাশাপাশি আপনাকে একটি নতুন গিগ পাবলিশ
করতে হবে এবং আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে যেন
গিগটি
এসিও এবং অপটিমাইজ হয়। মূলত এভাবেই একটি সম্পন্ন ফাইবার একাউন্ট তৈরি
করতে হয়।
ফাইবার একাউন্ট ভেরিফাই করার পদ্ধতি
ফাইবার একাউন্ট খোলার নিয়ম অনুযায়ী একাউন্ট তৈরি করার পর আমাদের পরবর্তী
গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো একাউন্ট ভেরিফাই করা, কারণ ভেরিফিকেশন ছাড়া আমরা
পুরোপুরি নিরাপদভাবে কাজ করতে পারি না। আমরা যখন একাউন্ট তৈরি করি, তখন
ফাইবার আমাদের দেওয়া ইমেইলে একটি ভেরিফিকেশন লিংক পাঠায়। আমাদের সেই
ইমেইলে প্রবেশ করে ভেরিফিকেশন লিংকে ক্লিক করতে হবে, এর মাধ্যমে খুব সহজেই
আমাদের একাউন্টটি অ্যাক্টিভ হয়ে যায়। অনেক ক্ষেত্রে মোবাইল নাম্বারও
ভেরিফাই করতে হতে পারে, যেখানে আমরা একটি কোড পাই এবং সেটি সঠিকভাবে বসিয়ে
ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করতে হয়।
ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করলে আমাদের একাউন্ট আরও বিশ্বাসযোগ্য হয়ে
ওঠে এবং ক্লায়েন্টদের কাছেও একটি প্রফেশনাল ইমেজ তৈরি হয়। আমরা যদি সব
তথ্য সঠিকভাবে প্রদান করি এবং ভেরিফিকেশন সম্পূর্ণ করি, তাহলে ভবিষ্যতে
কোনো ধরনের সমস্যা ছাড়াই কাজ করতে পারি। পাশাপাশি, ফাইবারের বিভিন্ন ফিচার
ব্যবহার করা এবং পেমেন্ট গ্রহণের ক্ষেত্রেও ভেরিফিকেশন একটি গুরুত্বপূর্ণ
ভূমিকা রাখে, তাই একাউন্ট খোলার পর এই ধাপটি অবশ্যই সম্পন্ন করা উচিত।
মোবাইল দিয়ে ফাইবারে কাজ করার সহজ পদ্ধতি
বর্তমান সময়ে আমরা খুব সহজেই মোবাইল ব্যবহার করে ফাইবারে কাজ করতে পারি,
যদি আমরা সঠিকভাবে সেটআপ করে নেই। এজন্য আমাদের প্রথমে Google Play Store
বা App Store থেকে Fiverr App ডাউনলোড করতে হবে এবং আমাদের একাউন্টে লগইন
করতে হবে। এরপর আমরা খুব সহজেই আমাদের Gig ম্যানেজ করা, মেসেজ রিপ্লাই
দেওয়া এবং অর্ডার চেক করার কাজগুলো করতে পারি। অনেক ক্ষেত্রে ছোটখাটো কাজ
যেমন কনটেন্ট রাইটিং, কমিউনিকেশন বা অর্ডার ডেলিভারি মোবাইল দিয়েই করা
সম্ভব, যা আমাদের কাজকে আরও সহজ এবং দ্রুত করে তোলে।
আরও পড়ুনঃ সরকার অনুমোদিত অনলাইন ইনকাম সাইট
মোবাইল দিয়ে কাজ করার সময় আমাদের কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে হবে যাতে আমরা
প্রফেশনালভাবে কাজ চালিয়ে যেতে পারি। যেমন, আমরা যেন সব সময় ইন্টারনেট
কানেকশন ভালো রাখি এবং ক্লায়েন্টের মেসেজের দ্রুত উত্তর দেই, কারণ এতে
আমাদের রেসপন্স রেট ভালো থাকে। পাশাপাশি, আমরা যদি নিয়মিতভাবে একটিভ থাকি
এবং অর্ডারগুলো ঠিকভাবে ম্যানেজ করি, তাহলে মোবাইল দিয়েও ফাইবারে ভালোভাবে
কাজ করা সম্ভব। ধীরে ধীরে আমরা অভিজ্ঞতা অর্জন করলে মোবাইল এবং কম্পিউটার
দুটোই ব্যবহার করে আরও বড় পরিসরে কাজ করতে পারবো।
শেষ কথাঃ ফাইবার একাউন্ট খোলার নিয়ম
এতক্ষণ আমরা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ফাইবার একাউন্ট খোলার নিয়ম সম্পর্কে
বিস্তারিত জেনেছি।আমরা প্রথমে Fiverr ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে একাউন্ট তৈরি
করেছি, এরপর প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করেছি এবং ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করেছি
যাতে একাউন্টটি সম্পূর্ণভাবে অ্যাক্টিভ হয়। পাশাপাশি, আমরা কিভাবে প্রোফাইল
সেটআপ করতে হয়, Gig তৈরি করতে হয় এবং মোবাইল দিয়েও কিভাবে কাজ পরিচালনা
করা যায় তা ধাপে ধাপে বুঝেছি। এসব বিষয় ঠিকভাবে অনুসরণ করলে খুব সহজেই যে
কেউ ফাইবারে তার যাত্রা শুরু করতে পারে।
আমার মতে ফাইবারে সফল হতে হলে শুধু একাউন্ট খুললেই হবে না, বরং ধৈর্য ধরে
নিয়মিত কাজ শেখা এবং নিজের স্কিল উন্নত করা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আমরা
যদি সৎভাবে কাজ করি, ক্লায়েন্টের সাথে ভালো কমিউনিকেশন বজায় রাখি এবং
প্রতিটি কাজ সময়মতো ও মানসম্মতভাবে সম্পন্ন করি, তাহলে ধীরে ধীরে ভালো রিভিউ
এবং অর্ডার পাওয়া শুরু হবে। শুরুতে কিছুটা সময় লাগলেও ধারাবাহিকতা বজায়
রাখলে ফাইবার থেকে একটি স্থায়ী আয়ের সুযোগ তৈরি করা সম্ভব।













ক্রিয়েটিভ ইনফো ৩৬০ এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url