Fiverr একাউন্টে গিগ পাবলিশ করার স্ক্রিনশট টিউটোরিয়াল

আজকের এই আর্টিকেলে আমরা Fiverr একাউন্টে গিগ পাবলিশ করার স্ক্রিনশট টিউটোরিয়াল সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করবো এবং পাশাপাশি কিভাবে গিগ পাবলিশ করতে হয় তার সম্পূর্ণ স্ক্রিনশট টিউটোরিয়াল আপনাদের সাথে শেয়ার করবো। 
Fiverr-একাউন্টে-গিগ-পাবলিশ-করার-স্ক্রিনশট-টিউটোরিয়াল

আজকাল আমরা অনেকেই ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস হিসেবে ফাইবারে কাজ করতে চাই। কিন্তু ফাইবারে কাজ পেতে হলে আমাদের নিজেদের গিগ পাবলিশ করতে হয় কিন্তু অনেকেই আমরা জানিনা এটি পাবলিশ করার সঠিক নিয়ম। তো চলুন জেনে নেওয়া যাক বিস্তারিত ব্যাপারে।

পোস্ট সূচিপত্রঃ Fiverr একাউন্টে গিগ পাবলিশ করার স্ক্রিনশট টিউটোরিয়াল

Fiverr একাউন্টে গিগ পাবলিশ করার স্ক্রিনশট টিউটোরিয়া

এখন আমরা Fiverr একাউন্টে গিগ পাবলিশ করার স্ক্রিনশট টিউটোরিয়াল সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করবো। বর্তমানে আমরা অনেকেই ফ্রিল্যান্সিং করছি এবং ফিন্যান্সিং মার্কেটপ্লেস গুলোর মধ্যে ফাইবার একটি অন্যতম মার্কেটপ্লেস হাওয়ায় আমাদের মধ্যে অনেকেরই এই প্লাটফর্মে কাজ করার আগ্রহ রয়েছে। অন্যান্য মার্কেটপ্লেসের ক্ষেত্রে সাধারণত আমাদেরকে ক্লায়েন্টদের কাছে যেতে হয় কিন্তু এক্ষেত্রে ফাইবারে রয়েছে কিছুটা ব্যতিক্রম। ফাইবারে সাধারণত ক্লায়েন্টরায় আমাদের কাছে কাজের অর্ডার দেয়। 
ফাইবারে ক্লায়েন্টরা যাতে আমাদের কাছে কাজের অর্ডার দিতে পারে সেজন্য আমাদের ফাইবারে বিভিন্ন বিষয়ে এবং বিভিন্ন স্কিলের উপর নানা ধরণের গিগ পাবলিশ করতে হয়। আজকের এই আর্টিকেলে আমরা ফাইবারে কিভাবে গিগ পাবলিশ করতে হয় তা স্ক্রিনশটসহ দেখিয়ে দিবো।ফাইবারে গিগ পাবলিশ করার জন্য প্রথমে আমাদের একটি গিগ টাইটেল দিতে হবে এবং আমরা কি ধরনের কাজ অফার করতে চাচ্ছি সেটি বিস্তারিত বর্ণনা করতে হবে। সেখানে আমাদের কাজের বিভিন্ন কিওয়ার্ড যুক্ত হতে হবে।
এরপর আমাদের একটি প্যাকেজ নির্ধারণ করতে হবে প্যাকেজ হতে পারে বেসিক, স্ট্যান্ডার্ড বা প্রিমিয়াম এরকম। এখানে আমরা কোন প্যাকেজে কি কি সেবা প্রদান করবো সেগুলো আমাদের বিস্তারিতভাবে লিখতে হবে। তারপর আমাদের ক্লায়েন্টদের কাছে কোনো প্রশ্ন জানার থাকলে সেটি যুক্ত করতে হবে এই সবগুলো ধাপ শেষ হয়ে গেলে আমাদের গিগের জন্য একটি বা দুইটি ইমেজ আপলোড করতে হবে মূলত এভাবেই ফাইবার গিগ পাবলিশ করতে হয়।

মার্কেটপ্লেস বলতে আসলে কী বোঝায়

মার্কেটপ্লেস বলতে এমন এক ধরনের জায়গায় বোঝায় যেখানে বিক্রেতারা তাদের বিভিন্ন পণ্য সেল করার সুযোগ পায়। অনলাইনে মার্কেটপ্লেস বলতে মূলত ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসগুলোকে বোঝানো হয়। ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসগুলোতে সাধারণত ফ্রিল্যান্সাররা তাদের বিভিন্ন পরিষেবা ক্লায়েন্টের কাছে উপস্থাপন করে থাকে এবং এর মাধ্যমে ক্লায়েন্টের তাদের প্রয়োজন মতো পরিষেবা অর্ডার করতে পারে।তবে কাজ অর্ডার করার ক্ষেত্রে তারা ফ্রিল্যান্সারদের রেটিং দেখে থাকে। বিশ্বের সবচেয়ে পরিচিত মার্কেটপ্লেসগুলো হলো অফ ওয়ার্ক, ফাইবার, ফ্রিল্যান্সার ডটকম ইত্যাদি।

এক এক মার্কেটপ্লেসের নিয়ম সাধারণত এক এক ধরনের হয়ে থাকে। যদি আমরা অফ ওয়ার্ক ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস কথা বলি তাহলে সে ক্ষেত্রে ফ্রিল্যান্সাররা কোন পরিষেবা প্রদান করতে চাইলে বা ক্লায়েন্টের কাছে অর্ডার পেতে চাইলে তাদের ক্লায়েন্টের দেওয়া জব পোস্টে সারা দিতে হয়। অন্যদিকে ফাইবার একদম ব্যতিক্রম একটি মার্কেটপ্লেস। ফাইবার মার্কেটপ্লেসে সাধারণত ফ্রিল্যান্সাররাই বিভিন্ন পরিষেবা দিতে ছেয়ে বিভিন্ন ধরনের গিগ পাবলিশ করে থাকে এবং এর মধ্যে ক্লায়েন্টের যেটি উপযুক্ত বলে মনে হয় ক্লায়েন্ট সেটি অর্ডার করে থাকে এবং এভাবেই মূলত ফাইবারে ক্লায়েন্ট এবং ফ্রিল্যান্সারদের মধ্যে কাজ হয়ে থাকে।

ফাইবার কী এবং কিভাবে এখানে কাজ করতে হয়

আমরা একটু আগেই ফাইবার মার্কেটপ্লেস সম্পর্কে আপনাদের কিছু আংশিক ধারণা দিয়েছি এখন চলুন এই সম্পর্কে আপনাদের বিস্তারিতভাবে জানানো যাক। এবার হলো বিশ্বের অন্যতম একটি জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস। এই মার্কেটপ্লেসে  সাধারণত বায়ার এবং সেলার এই দুই ধরনের ব্যক্তি কাজ করে থাকে।অন্যান ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস থেকে ফাইভার কিছুটা আলাদা। ফাইবারে সাধারণত কাজ পাওয়ার জন্য সেলারদের নিজে নিজেই বিভিন্ন জব বা পরিষেবা প্রদানের জন্য গিগ পোস্ট করতে হয় এবং ক্লায়েন্টরা তাদের পছন্দ অনুযায়ী গিগ অর্ডার দিয়ে থাকে।
আপনি যদি একজন ফ্রিল্যান্সার হোন এবং আপনি যদি গ্রাফিক ডিজাই, ডিজিটাল মার্কেটিং, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, রাইটিং, এসইও সহ ইত্যাদি স্কিলে দক্ষ হোন তাহলে আপনি ফাইবার সহ অন্য সকল মার্কেটপ্লেসে কাজ করতে পারবেন। ফাইবার মার্কেটপ্লেস সহ যেকোনো মার্কেটপ্লেসে কাজ পাওয়ার জন্য আপনাকে অবশ্যই এই সকল স্ক্রিলে খুবই ভালোভাবে দক্ষ হতে হবে। এরপর আপনি মার্কেটপ্লেসগুলোতে এসে বিভিন্ন পরিষেবা প্রদানের জন্য গিগ পোস্ট করতে পারেন এবং ক্লায়েন্টের আপনার গিগ পছন্দ হওয়ার মাধ্যমে আপনি এখান থেকে অর্ডার পেতে পারবেন।

ফাইবারের গিগ বলতে আসলে কি বোঝায়

এতক্ষণ আমরা মার্কেটপ্লেস কি ফাইবার কি এ সকল বিষয়ে নানা আলোচনা করলাম। যেহেতু আমরা ফাইবার মার্কেটপ্লেস আলোচনা করছি তাই সেক্ষেত্রে ফাইবার মার্কেটপ্লেসে কিভাবে ক্লায়েন্টের কাছে থেকে অর্ডার পেতে হয় সে সম্পর্কে আমরা জানতে হবে। আমরা ইতিমধ্যে বলেছি ফাইবারে কাজ পাওয়ার জন্য সাধারণত সেলারদের বিভিন্ন স্কিল এবং পরিষেবার উপর বিভিন্ন গিগ পোস্ট করতে হয়।কিন্তু গিগ বলতে আসলে কি বোঝায় সেটিই আমরা এখনো স্পষ্ট ভাবে জানিনা। এক কথায় বলতে গেলে গিগ হলো একটি পরিষেবা তালিকা।
Fiverr-একাউন্টে-গিগ-পাবলিশ-করার-স্ক্রিনশট-টিউটোরিয়াল-বিস্তারিত
এই পরিষেবার তালিকায় আমরা কি কি পরিষেবা প্রদান করবো আমাদের এ পরিষেবা গুলো প্রদান করতে কতদিন লাগবে এবং আমরা কত টাকা পরিষেবাগুলো প্রদান করার জন্য চার্জ করে থাকবো এই সকল বিষয় একটি গিগের মধ্যে উল্লেখ থাকে। ক্লায়েন্টরা এভাবে একটি গিগ সম্পূর্ণ দেখার মাধ্যমে আমরা কি কাজ করে দিবো, কত টাকা নিবো, কতদিন লাগবে এই সকল বিষয়ের সমস্ত তথ্য খুব সহজেই পেয়ে যায় এবং অসংখ্য গিগের মধ্যে তাদের যেটি উপযুক্ত বলে মনে হয় তারা সেই গিগ বা পরিষেবাটি অর্ডার করে থাকে। মূলত এভাবেই একটি গিগ কাজ করে।

ফাইবার একাউন্টে গিগ পাবলিশ করার প্রথম ধাপ

এতক্ষণ আমরা ফাইবার এবং গিগ কী এগুলো কিভাবে কাজ করে সে সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করলাম। এখন আমরা Fiverr একাউন্টে গিগ পাবলিশ করার স্ক্রিনশট টিউটোরিয়াল স্টেপ বাই স্টেপ আপনাদের সামনে তুলে ধরবো। আমরা এই পুরো কাজটিকে মোট পাঁচটি ধাপে ভাগ করেছি আপনাদের সুবিধার জন্য। এই কাজের জন্য সর্বপ্রথম আমাদের ফাইবারের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে ফাইবারের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার জন্য আমাদের www.fiverr.com লিখে গুগলে সার্চ করতে হবে এবং এখানে লগইন করে নিতে হবে। তারপর আমাদের সামনে এরকম একটি ইন্টারফেস চলে আসবে যেখানে আমাদের বায়ার প্রোফাইল থেকে সেলার প্রোফাইলে সুইচ করতে হবে।


সেলার অপশনে সুইচ করার পর আমাদের প্রোফাইল সেকশন থেকে মাই বিজনেস অপশনের মধ্যে গিগস ক্যাটেগরিতে প্রবেশ করতে হবে।


গিগস ক্যাটাগরির মধ্যে প্রবেশ করার পর আমাদের ক্রিয়েট গিগ এই অপশনে ক্লিক করে একটি নতুন গিগ তৈরি করতে হবে।


ক্রিয়েট এ নিউ গিগ এই অপশনে প্রবেশ করার পর আমাদের সামনে সম্পূর্ণ আলাদা একটি ইন্টারফেস ওপেন হয়ে যাবে। যেখানে আমাদের গিগের সম্পূর্ণ ডিটেইলস স্টেপ বাই স্টেপ যুক্ত করতে হবে যেগুলো আমরা আপনাদের দ্বিতীয় ধাপে বিস্তারিত দেখাবো।

গিগ পাবলিশ করার দ্বিতীয় ধাপ

দ্বিতীয় ধাপে ক্রিয়েট এ নিউ গিগ বাটনে ক্লিক করার পর সম্পূর্ণ একটি নতুন ইন্টারফেস আমাদের সামনে চলে আসবে যেখানে আমাদের গিগের টাইটেল এবং আমরা কি বিষয়ে গিগটি বানাচ্ছি সে সকল বিষয় আমাদের উল্লেখ করতে হবে। পাশাপাশি আমাদেরকে পজেটিভ কিওয়ার্ড যুক্ত করতে হবে।


এখানে প্রথমে রয়েছে গিগের টাইটেল আপনি যে বিষয়ে সেবা প্রদান করবেন সেই বিষয়ে এখানে একটি টাইটেল দিয়ে দিবেন। এরপর তার পরের ধাপে আপনার কাজটি কোন ক্যাটাগরির মধ্যে পড়ে এবং সে ক্যাটাগরির যে সাব ক্যাটাগরি রয়েছে সেগুলো যুক্ত করবেন। এগুলো যুক্ত করা হয়ে গেলে আপনার কাজের সাথে যায় এরকম কিছু পজিটিভ কিওয়ার্ড এখানে উল্লেখ করবেন। সাধারনত পাঁচটার বেশি কিওয়ার্ড আপনি এখানে উল্লেখ করতে পারবেন না। আমরা এই সকল ইনফরমেশন গুলো পূরণ করে আপনাদের একটি নমুনা দেখিয়ে দিচ্ছি।


এখানে আমরা প্রথমে গিগের একটি সুন্দর টাইটেল দিয়েছি তারপরে আমরা কি বিষয়ে কাজ করতে যাচ্ছি সে ক্যাটাগরি উল্লেখ করেছি এখানে আমরা রাইটিং এবং ট্রান্সলেশন এই ক্যাটাগরিটি উল্লেখ করেছি এবং তার সাবক্যাটাগরি হিসেবে আর্টিকেল এবং ব্লক পোস্ট উল্লেখ করেছি। এরপর আমরা সার্ভিস টাইপে এসিও রাইটিং দিয়েছি কারণ আমরা এসিও কনটেন্ট লিখব সেজন্য। এরপরে আমরা ল্যাঙ্গুয়েজ এবং ল্যাঙ্গুয়েজ এর টোন সবকিছু নির্ধারণ করেছি। সবশেষে নিচে সার্চ ট্যাগের বক্সে আমরা কিছু পজিটিভ কিওয়ার্ড যেগুলো আমাদের কাজের সাথে যাই সেগুলো যুক্ত করেছি যেমন আর্টিকেল রাইটিং, ব্লক পোস্ট, এসইও আর্টিকেল, আর্টিকেল সাবমিশন এবং গেস্ট পোস্ট ইত্যাদি। এভাবে আপনাদের কেউ একটি গিগের সমস্ত ইনফর্মেশন ইনপুট করতে হবে।

গিগ পাবলিশ করার তৃতীয় ধাপ

Fiverr একাউন্টে গিগ পাবলিশ করার স্ক্রিনশট টিউটোরিয়াল এর তৃতীয় ধাপে আমরা প্রাইসিং নিয়ে কথা বলবো যেটি গিগ পাবলিশ করার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ। এই ধাপের উপর নির্ভর করে আমরা অর্ডার পাবো কি পাবো না সে সকল বিষয় কারণ আমরা কি সেবা প্রদান করবো এবং আমরা সেই সেবা প্রদান করার জন্য কিরকম টাকা চার্জ করবো তারপর নির্ভর করে আমরা কাজের অর্ডার পাব কিনা। যদি আমরা অতি কম দামে অনেক ভালো সার্ভিস দেওয়ার কথা বলি তাহলে অনেক ক্লায়েন্টের এটা ফেক বলে মনে হতে পারে আবার যদি আমরা অল্প সার্ভিস দিয়ে অনেক উচ্চ দাম ছেয়ে থাকি তাহলে সেক্ষেত্রেও আমরা কোনো অর্ডার পাবো না। তাই আমাদের এই প্রাইসিং এর কাজ খুব সাবধানতা এবং সামঞ্জসতা বজায় রেখে করতে হবে।


এখানে প্রথমে উপরে আমাদের প্যাকেজের নাম দিতে হবে যেমন বেসিক, স্ট্যান্ডার্ড, প্রিমিয়াম এরপর আমরা বেসিকে কি কি কাজ করবো, স্ট্যান্ডার্ডে কি কি কাজ করবো এবং প্রিমিয়ামে কি কি কাজ করবো সেগুলো বর্ণনা করতে হবে। যেমন এখানে বেসিকে আমরা দুই দিনের মধ্যে ডেলিভারি দিবো, স্ট্যান্ডার্ডে আমরা তিন দিনের মধ্যে ডেলিভারি দিবো এবং প্রিমিয়ামে আমরা চার দিনের মধ্যে ডেলিভারি দিবো।
পাশাপাশি বেসিকে আমরা ১০০০ ওয়ার্ডের আর্টিকেল লিখে দিবো স্ট্যান্ডার্ডে ২০০০ এবং প্রিমিয়ামে ৩০০০। প্রথমের দিকে সাধারণত আমাদের বেশি কাজ করার চেষ্টা করতে হবে। আমরা এখানে প্লেগেরিজম চেক সহ যাবতীয় সার্ভিস সবগুলো প্রতিটি প্যাকেজেই ফ্রি দিয়ে থাকবো। এরপর আমরা প্যাকেজের দাম নির্ধারণ করবো একটার সাথে আরেকটা সামঞ্জস্য রেখে যেন ক্লায়েন্ট আমাদের কাছে থেকে বেশি দামের প্যাকেজটা অর্ডার করে। যেমন আমরা বেসিক প্যাকেজ এর দাম ১০ ডলার রেখেছি এবং অন্যদিকে স্ট্যান্ডার্ড প্যাকেজের দাম রেখেছি ১৫ ডলার। এক্ষেত্রে প্রায় মাত্র ৫ ডলারের ব্যবধানে ক্লায়েন্ট ডবল বেনিফিট পাবে তখন সে বেসিক প্যাকেজ অর্ডার না দিয়ে স্ট্যান্ডার্ড প্যাকেজ অর্ডার দেওয়ার চেষ্টা করবে এবং এভাবে আমাদের লাভ হবে।


এছাড়াও আমরা চাইলে এক্সট্রা কিছু সার্ভিস দিয়ে রাখতে পারি যেগুলো আমাদের কাছে থেকে ক্লায়েন্টরা এক্সট্রা পে করার মাধ্যমে পেয়ে থাকবে।


মূলত এভাবেই আমাদের প্রাইসিং এর ধাপটা খুব সাবধানতা এবং বুদ্ধিমত্তার সাথে করতে হবে।

ফাইবার মার্কেটপ্লেসে গিগ পাবলিশ করার চতুর্থ ধাপ

Fiverr একাউন্টে গিগ পাবলিশ করার স্ক্রিনশট টিউটোরিয়াল দিয়ে বর্ণনা করার এটি চতুর্থ ধাপ এই ধাপে আমরা কিভাবে গিগে ইমেজ যুক্ত করতে হয় সেটি জানব। প্রাইসিং এর পরের ধাপে আমাদের প্রথমে ডিসক্রিপশন যুক্ত করতে হবে এবং ক্লায়েন্টের কাছে কোনো প্রশ্ন থাকলে সেটি যোগ করতে হবে।


এখানে আমাদের সেবা এবং আমাদের গিগ সম্পর্কে একটি বিস্তারিত ডেসক্রিপশন লিখতে হবে। আমরা কত বছর ধরে কাজ করি, কি কি কাজ করি, এই সকল বিষয় সম্পর্কে একটি গুছিয়ে ডেসক্রিপশন আমাদের এখানে লিখতে হবে। ডেসক্রিপশন যুক্ত করা হয়ে গেলে আমাদের ক্লায়েন্টের কাছে কোনো প্রশ্ন থাকলে সেটি যুক্ত করার জন্য একটি ইন্টারফেস আসবে। 


আমাদের ক্লায়েন্টের কাছে কোনো কোয়েশ্চেন থাকলে আমরা এড নিউ কোয়েশ্চেন বাটনে ক্লিক করে এখানে যেকোনো কোয়েশ্চেন যুক্ত করে দিতে পারবো। এরপরের ধাপে আমাদের গিগের জন্য একটি ইমেই যুক্ত করতে হবে এখানে সাধারণত তিনটি ইমেজ যুক্ত করা যায় তবে একটি ইমেজ যুক্ত করা ম্যান্ডেটরি।


এখানে ইমেজ যুক্ত করার পাশাপাশি আমরা চাইলে ভিডিও যুক্ত করতে পারবো। ইমেজ বা ভিডিও যুক্ত করার পর আমাদের পূর্ব কোনো কাজের সেম্পল এখানে ওয়ার্ক এক্সপেরিয়েন্সের জায়গায় যুক্ত করতে হবে।


ফাইবারে গিগ পাবলিশ করার সর্বশেষ ধাপ

এটি ফাইবারে গিগ পাবলিশ করার সর্বশেষ ধাপ। আমরা উক্ত সকল ধাপের কাজ সুন্দরভাবে সম্পন্ন করে সেভ দিয়ে দিয়ে এই ধাপে পৌঁছালে আমাদের সকল কিছু একবার চেক দিয়ে সাবমিট বাটনে ক্লিক করতে হবে।


এখানে আমারা আমাদের গিগের সকল ইনফরমেশন ঠিক আছে কিনা তা একবার বিস্তারিতভাবে পড়ে নিবো। গিগে সকল ইনফরমেশন সঠিক থাকলে আমরা এরপর পাবলিশ বাটনে ক্লিক করে গিগটি পাবলিশ করে দিবো।


মূলত এ সকল ধাপগুলো অতিক্রম করেই ফাইবারে একটি সফল গিগ পাবলিশ করতে হয়। যা আমরা স্টেপ বাই স্টে এতক্ষণ ধরে আপনাদেরকে দেখিয়ে দিলাম।

শেষ কথাঃ Fiverr একাউন্টে গিগ পাবলিশ করার স্ক্রিনশট টিউটোরিয়াল

আমরা এতদিন এই আর্টিকেলে Fiverr একাউন্টে গিগ পাবলিশ করার স্ক্রিনশট টিউটোরিয়াল সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করলাম এবং পাশাপাশি কিভাবে গিগ পাবলিশ করতে হয় তার সম্পূর্ণ স্ক্রিনশট টিউটোরিয়াল আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম। আশা করি আপনাদের বুঝতে কোন অসুবিধা হয়নি। ফাইবার যেহেতু একটি অন্যতম জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস তাই ফাইবারে গিগ আপলোড করার সকল বিষয় সম্পর্কে আমাদের অবশ্যই ভালোভাবে জানতে হবে।
Fiverr-একাউন্টে-গিগ-পাবলিশ-করার-স্ক্রিনশট-টিউটোরিয়াল-জানুন-বিস্তারিত
আমার মতে ফাইবার যেহেতু একটি জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস তাই এই মার্কেটপ্লেসে যদি আমরা সঠিকভাবে গিগ আপলোড করতে পারি তাহলে আমাদের ক্লায়েন্ট পাওয়ার সম্ভাবনা কয়েকগুণ বেড়ে যাবে। তাই এই প্লাটফর্মে গিগ আপলোড করা সহ যাবতীয় কাজে আমাদের অবশ্যই সকলকে সচেতন থাকতে হবে। কারণ গিগে যেকোনো ধরনের ভুল থেকে গেলে ক্লায়েন্টের অর্ডার আমাদের কাছ থেকে হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে সুতরাং আমাদের সকলকে এই বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

ক্রিয়েটিভ ইনফো ৩৬০ এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url