শীতে শুষ্ক ত্বকের যত্নে ঘরোয়া উপায়
আজকের এই আর্টিকেলে আমরা শীতে শুষ্ক ত্বকের যত্নে ঘরোয়া উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো এবং পাশাপাশি কিভাবে আপনি শীতকালে নিজের ত্বক সুন্দর এবং কমল রাখতে পারেন সেই সকল বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত এবং ধারাবাহিক আলোচনা করবো।
শীতকালে ত্বক শুষ্ক বা রুক্ষ হয়ে যাওয়া আমাদের সকলের জন্য একটি কমন
সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে তাই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আমাদের সকলকে
নিজেদের ত্বকের পর্যাপ্ত যত্ন নিতে হবে। তো চলুন শীতকালে ত্বকের যত্নে ঘরোয়া
উপায়গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাক।
পোস্ট সূচীপত্রঃ শীতে শুষ্ক ত্বকের যত্নে ঘরোয়া উপায়
- শীতে শুষ্ক ত্বকের যত্নে ঘরোয়া উপায়
-
শীতকালে ত্বক শুষ্ক বা রুক্ষ হয়ে যাওয়ার কারণ
-
ত্বকের যত্নে মধু এবং দুধের উপকারিতা
-
নারিকেল তেল এবং কলা যেভাবে ত্বকের যত্ন রাখে
-
ত্বককে বাঁচাতে লেবু এবং ঘি এর ভূমিকা
-
ত্বকের যত্নে অ্যালোভেরা এবং ওটমিলের গুরুত্ব
- ত্বকে ময়েশ্চারাইজার এবং গ্লিসারিনের উপকারিতা
- শুষ্ক ত্বক থেকে মুক্ত থাকতে কিছু পরামর্শ
-
শীতে ত্বকের যত্নে কিছু সতর্কতা
- শেষ কথাঃ শীতে শুষ্ক ত্বকের যত্নে ঘরোয়া উপায়
শীতে শুষ্ক ত্বকের যত্নে ঘরোয়া উপায়
এখন আমরা শীতে শুষ্ক ত্বকের যত্নে ঘরোয়া উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত
আলোচনা করবো। ঋতু পরিবর্তনের মাধ্যমে শীতকাল আসার সাথে সাথেই
আমাদের ত্বক হয়ে ওঠে শুষ্ক এবং রুক্ষ। তাই শীতকালে আমাদের ত্বকের অধিক যত্ন
নেওয়ার প্রয়োজন পড়ে। মূলত এই যত্ন আমরা চাইলে বাইরে বিভিন্ন
পার্লারে না গিয়ে ঘরে বসেই নিতে পারি। কিভাবে ঘরে বসেই বিভিন্ন ঘরোয়া
উপায় অবলম্বন করে শীতকালে আমরা আমাদের নিজেদের ত্বকের যত্ন নিতে পারি তা নিয়ে
থাকছে আজকে আমাদের এই পুরো আর্টিকেল।
শীতকালে ত্বকের যত্ন নেওয়ার জন্য বিভিন্ন ধরনের ঘরোয়া উপায় রয়েছে। এই
উপায় গুলো অবলম্বন করে আমরা খুব সহজেই আমাদের নিজেদের ত্বকের যত্ন নিতে
পারবো। এই কাজের জন্য আমাদের বেশ কিছু ঘরোয়া উপকরণ প্রয়োজন হবে যেগুলো
আমাদের ত্বকের জন্য খুবই ভালো এবং খুবই উপকারী। ত্বকের যত্নে এমন কিছু
ঘরোয়া উপকরণের নাম হলো মধু, দুধ, নারিকেল
তেল, অ্যালোভেরা, লেবু, ঘি, বিভিন্ন ময়েশ্চারাইজার এবং
গ্লিসারিন ইত্যাদি। এই সকল উপাদানগুলোতে বিভিন্ন
ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল উপাদান
থাকার পাশাপাশি থাকে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন যা আমাদের ত্বকের জন্য খুবই
উপকারী।
শীতকালে ত্বক শুষ্ক বা রুক্ষ হয়ে যাওয়ার কারণ
যেহেতু আমরা শীতকালে শুষ্ক ত্বকের যত্নে বিভিন্ন ঘরোয়া উপায় নিয়ে আলোচনা করছি
তাই এই বিষয়ে আলোচনা করার পূর্বে আমাদের অবশ্যই জানতে হবে যে শীতকালে
আমাদের ত্বক রুক্ষ বা শুষ্ক কেন হয়ে যায় সেই সম্পর্কে। মূলত শীতকালে
বাতাসের আদ্রতা অনেক কমে যায় এবং এই কম আদ্রতা যুক্ত বাতাসের পাশাপাশি বাতাস হয়
অনেক ঠান্ডা। বাইরে ঠান্ডা থাকলেও সাধারণত ঘরের ভেতরে তাপমাত্রা গরম
থাকে এবং ঘরের ভেতরে এরকম গরম তাপমাত্রা থাকার ফলে আমাদের ত্বক থেকে জলীয়
অংশ বাষ্পীভূত হয়ে যায়। মূলত এই কারণেই আমাদের শীতকাল ত্বক ফেটে যায়।
আরও পড়ুনঃ টমেটো খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা
এছাড়া শীতকালে যদি আমরা অনেক কম পানি পান করি বা অনেকক্ষণ ধরে পানিতে গোসল করি
তাহলে সে ক্ষেত্রও আমাদের ত্বক খুব রুক্ষ শুষ্ক অসুস্থ হয়ে যেতে
পারে পাশাপাশি ত্বকের তৈলাক্ত ভাব কমে গেলেও আমাদের ত্বক রুক্ষ দেখায়।
তাই শীতকালে আমাদের বেশি বেশি বিভিন্ন ময়েশ্চারাইজার, তেল, গ্লিসারিন
ইত্যাদি মাখতে হবে যেন আমাদের ত্বক আদ্র না থাকে এবং শুষ্ক না হয়ে যায় কারণ
ত্বক শুষ্ক হয়ে গেলে একসময় ত্বক ফেটে জ্বালাপোড়া এবং চুলকানির মতো সমস্যা
সৃষ্টি হতে পারে।
ত্বকের যত্নে মধু এবং দুধের উপকারিতা
এবার আলোচনা করা যাক ত্বকের যত্নে কিছু উপকারী উপাদান নিয়ে। । প্রথমে আমরা যে
দুইটি উপাদান নিয়ে আলোচনা করবো সেগুলো হলো মধু এবং দুধ। দুধ এবং মধু এই
দুইটি উপাদান শীতকালে আমাদের ত্বকের জন্য অত্যন্ত উপকারী। মধুতে রয়েছে
প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল
উপাদান। আমরা যদি এক চামচ মধুর সাথে কিছুটা মিল্ক পাউডার বা এক চিমটি
হলুদ মিশিয়ে মুখে লাগাতে পারি তাহলে আমাদের ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়ার সমস্যা প্রায়
অনেক অংশ কমে যাবে।
মধুর পাশাপাশি দুধও একটি অত্যন্ত কার্যকারী এবং খুবই উপকারী উপাদান। দুধ
ত্বকের উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই
আমাদের শীতকালে প্রতি রাত্রে ঘুমাতে যাওয়ার আগে একটু কুসুম গরম দুধ খেয়ে নেওয়া
উচিত। পাশাপাশি ঘুমানোর আগে ২ চামচ দুধের সাথে ১ বা ২ চামচ গোলাপ জল মিশিয়ে
তারপর সেটি ত্বকে লাগিয়ে ম্যাসাজ করে ১০ মিনিট পর ধুয়ে ফেললে ত্বকের
উজ্জ্বলতা নিমিষেই চলে আসবে এবং শুষ্কতা দূর হয়ে যাবে।
নারিকেল তেল এবং কলা যেভাবে ত্বকের যত্ন রাখে
আমরা এবার ত্বকের যত্নে নারকেল তেল এবং কলা কিভাবে ভূমিকা রাখে সে সম্পর্কে
বিস্তারিত জানার চেষ্টা করবো। প্রথমে আসা যাক নারিকেল তেল কিভাবে অবদান রাখে
সে সম্পর্কে। নারকেল তলে নিয়ে আমাদের আশা করি নতুন করে বলার কিছু নেই।
শীতকালে যেকোনো রুক্ষ বা শুষ্ক ত্বকের উপর নারিকেল তেল ব্যবহার করলে চমৎকার ফল
পাওয়া যায়। আমরা যদি প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এক চামচ নারিকেল
তেল ভালোভাবে শরীরে ম্যাসাজ করি তাহলে আমাদের ত্বক কখনোই রুক্ষ বা
শুষ্ক হবে না।
নারিকেল তেলের মতো কলাও ত্বকের রুক্ষতা এবং শুষ্কতা দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা
পালন করে। কলা খাওয়া যেমন আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকারী তেমনি ত্বকের জন্য
খুবই উপকারী। কলা একটি প্রাকৃতিক উপাদান হাওয়ায় এটি খাওয়ার ফলে
আমাদের ত্বক ময়েশ্চারাইজ হয়।কলাতে বিভিন্ন ধরনের উপকারী উপাদান থাকে যেমন
ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস কার্বোহাইড্রেট,
পটাশিয়ামসহ ইত্যাদি। যা আমাদের ত্বকের যেকোনো ধরনের সমস্যা দূর করতে খুবই
কার্যকারী ভূমিকা পালন করে।
ত্বককে বাঁচাতে লেবু এবং ঘি এর ভূমিকা
আমরা যেহেতু শীতে শুষ্ক ত্বকের যত্নে ঘরোয়া উপায় নিয়ে আলোচনা করছি তাই এই
ক্ষেত্রে আমাদের ঘি এবং লেবুর উপকারিতার কথা বাদ দিলে চলবে
না। আমাদের শরীরের ত্বককে বাঁচাতে লেবু এবং ঘি খুবই কার্যকারী ভূমিকা
পালন করে। আমরা যে ঘি সাধারণত খেয়ে থাকি সেই ঘিতে থাকে প্রচুর
পরিমাণে ময়েশ্চারাইজিং উপাদান যা আমাদের ত্বককে
শুষ্ক এবং রুক্ষ হতে বাধা দেয়। তাই আমরা যদি ঘি একটু গরম
করে রোজ আমাদের হাত-পায়ে অথবা শরীরের বিভিন্ন অংশে ম্যাসাজ করি তাহলে
আমাদের ত্বকের সমস্যা অনেক অংশে দূর হয়ে যাবে।
ঘি এর পাশাপাশি লেবুও আমাদের ত্বকের জন্য অত্যন্ত উপকারী একটি
প্রাকৃতিক উপাদান। লেবু প্রাকৃতিক উপাদান হওয়ায় এতে কোনো ধরণের ভেজালের
সম্ভাবনা থাকে না। লেবুতে সাধারণত ভিটামিন সি এবং সাইট্রিক এসিড থাকে যা
আমাদের ত্বকের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এটি আমাদের ত্বকের ব্রণ বা বিভিন্ন
জীবাণু ধ্বংস করতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে পাশাপাশি ত্বকের তেল ভাব নিয়ন্ত্রণ
করে। আমরা চাইলে প্রতি রাতে মধুর সাথে লেবু মিশিয়ে সেটা ফেসপ্যাক এর মতো
আমাদের ত্বকের বিভিন্ন জায়গায় লাগাতে পারি যেটি আমাদের ত্বক শুষ্ক হওয়ার হাত
থেকে রক্ষা করবে।
ত্বকের যত্নে অ্যালোভেরা এবং ওটমিলের গুরুত্ব
ত্বকের যত্নে এবার আমরা অ্যালোভেরা এবং ওটমিলের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করবো।
শীতকালে আমাদের ত্বক যদি শুষ্ক হয়ে ফেটে যায় এবং জ্বালাপোড়া করে তাহলে আমরা
সেই জ্বালাপোড়া কমানোর জন্য অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করতে পারি। অ্যালোভেরা
জেল একটি অত্যন্ত উপকারী উপাদান। এটি ত্বককে ঠান্ডা রাখে এবং যেকোনো
ধরনের জ্বালাপোড়া রোধ করতে সাহায্য করে। এর জন্য আমরা গাছ
থেকে অ্যালোভেরা পাতা ছিড়ে সেটার জেল বানিয়ে শরীরের বিভিন্ন
অংশে লাগাতে পারি।
আরও পড়ুনঃ কবুতরের মাংসের উপকারিতা ও অপকারিতা
অ্যালোভেরার পাশাপাশি ওটমিলো আমাদের ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। আমরা
শীতকালে ত্বকের চুলকানি কমাতে গোসলের করার সময় পানিতে ওটস ব্যবহার করতে
পারি। ওটসে বিটা গ্লুকান থাকে যা জ্বালাভাব কমায় ও ত্বক সুরক্ষিত
রাখে। এর জন্য আমরা ওটস গুড়া করে গোসলের আগে পানিতে ভিজে রাখতে পারি
এবং সে পানিতে গোসল করতে পারি। এ পানিতে গোসল করলে আমাদের ত্বক মসৃণ
হবে এবং শীতকালে অধিক সুরক্ষিত থাকবে।
ত্বকে ময়েশ্চারাইজার এবং গ্লিসারিনের উপকারিতা
আমরা এতক্ষন শীতে শুষ্ক ত্বকের যত্নে ঘরোয়া উপায় নিয়ে আলোচনা
করছি। এক্ষেত্রে এখন আমরা ময়েশ্চারাইজার এবং গ্লিসারিনের
উপকারিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো। যদিও এই দুটি পণ্য বাজারে
কিনতে পাওয়া গেলও আমরা সাধারণত ঘরেই ব্যবহার করে থাকি অর্থাৎ এগুলো ব্যবহার
করার জন্য আমাদের বাইরে যেতে হয় না। আমরা উপরে বিভিন্ন উপাদান নিয়ে আলোচনা
করলাম যেগুলো আমাদের ত্বককে ময়েশ্চারাইজ রাখবে মূলত ত্বককে
ময়েশ্চারাইজ রাখার আমাদের উদ্দেশ্যেই। তাই আমরা চাইলে বিভিন্ন
কোম্পানির ময়েশ্চারাইজার আমাদের ত্বকে ব্যবহার করতে পারি।
শীতকালে আমাদের ঘন ঘন ময়েশ্চারাইজার মাখতে হবে যেন আমাদের ত্বক শুষ্ক না
হয়ে যায়।
ময়েশ্চারাইজারের পাশাপাশি আমাদের গ্লিসারি মাখতে হবে। গ্লিসারিন হলো কি প্রাকৃতিক হিউমেক্ট্যান্ট।যা ত্বকের আদ্রতা বজায় রাখে এবং ত্বককে রুক্ষ এবং শুষ্ক হতে বাধা দেয়। আমি যদি নিয়মিত গ্লিসারিন আমাদের শরীরে ব্যবহার করি তাহলে আমাদের ত্বক কখনো শুষ্ক বা রুক্ষ হবে না।আমরা চাইলে গ্লিসারিনের সাথে কয়েক চামচ গোলাপ জল মিশিয়ে একটি স্প্রে বানিয়ে সেটিও আমাদের ত্বকে ব্যবহার করতে পারি।
শুষ্ক ত্বক থেকে মুক্ত থাকতে কিছু পরামর্শ
আমরা এখন শীতকালে ত্বক শুষ্ক হওয়ার হাত থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য পরামর্শ
নিয়ে এখন আলোচনা করবো। শীতকালে সাধারণত আমাদের গোসলের সময় সাবান ব্যবহার
করা খুব একটা উচিত না এবং ব্যবহার করলেও আদ্রতা যুক্ত সাবন ব্যবহার করা
উচিত। শীতকালে আমাদের বেশি বেশি তেল মাখতে হবে যেমন অলিভ অয়েল বা নারকেল
তেল ইত্যাদি। শীতকালে আমরা সাধারণত গরম পানি দিয়ে গোসল করে থাকি কিন্তু
অতিরিক্ত গরম পানি আমাদের ত্বক এবং চুলের জন্য খুব একটা ভালো না।
এছাড়া বাইরে গেলে আমাদের বেশি ময়েশ্চারাইজারযুক্ত সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে
এবং বাইরে থেকে বাসায় আসলে অবশ্যই মুখ
ভালোভাবে ধুয়ে ময়েশ্চারাইজার লাগাতে হবে। এছাড়াও বিকেলে আমরা
একটু মধুর সাথে লেবু মিশিয়ে একটি পেক বানিয়ে মুখে ব্যবহার করতে পারি এবং অল্প
কিচু সময় পর সেটি ধুয়ে ফেলতে পারি। এটি আমাদের ত্বকের উজ্জ্বলতা এবং
মসৃণতা বৃদ্ধি করবে। পাশাপাশি রাতে ঘুমানোর আগে আমাদের বিভিন্ন তেল বা
ময়েশ্চারাইজার অথবা গ্লিসারিন ব্যবহার করলে ত্বকের খসখসে ভাব দূর হবে।
শীতে ত্বকের যত্নে কিছু সতর্কতা
ত্বক আমাদের সকলের ক্ষেত্রে একটি অতি সেন্সিটিভ জিনিস তাই ত্বকে কোন কিছু ব্যবহার
করার পূর্বে অবশ্যই আমাদের ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে তারপর ব্যবহার করা উচিত।
আমাদের কারো যদি ত্বকে কোনো ধরনের সমস্যা অথবা এলার্জর থাকে তাহলে উক্ত
উপাদানগুলো ব্যবহার ক্ষেত্রে আমাদের অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। সাধারণত
আমরা যে উপাদানগুলোর কথা বলেছি সেগুলোতে তেমন কোনো সমস্যা হওয়ার কথা না
তবুও কারো সমস্যা থাকলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে তারপর এগুলো ব্যবহার করা
উচিত।
আরও পড়ুনঃ চিয়া সিড খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা
এছাড়া এগুলো ব্যবহার করার ক্ষেত্রে অবশ্যই নিয়ম মেণে তারপর ব্যবহার করা উচিত
অতিরিক্ত বা পরিমাণে বেশি ব্যবহার করলে হেতে বিপরীত হতে পারে এবং আমাদের
ত্বকে না না ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই এগুলো ব্যবহার করার সময়
আমাদের জেনেশুনে এবং পরিমাণ মতো ব্যবহার করতে হবে। পাশাপাশি এগুলো ব্যবহার করার
পূর্বে এগুলো আমাদের ত্বকে শুট হবে কিনা সে বিষয়টি আমাদের মাথায় রাখতে
হবে।
শেষ কথাঃ শীতে শুষ্ক ত্বকের যত্নে ঘরোয়া উপায়
এতক্ষণ আমরা উপরে শীতে শুষ্ক ত্বকের যত্নে ঘরোয়া উপায় নিয়ে
বিস্তারিত আলোচনা করলাম এবং বিভিন্ন ঘরোয়া উপাদানের উপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত
বর্ণনা করলাম। কিভাবে এ উপাদানগুলো আমাদের ত্বককে শুষ্ক এবং রুক্ষ হওয়া থেকে
রক্ষা করে সে সম্পর্কে আপনাদের ধারণা দিলাম। তাই আমাদের শীতকালে অবশ্যই এই
উপাদানগুলো নিয়ম মেনে নিয়মিত মাখা উচিত যেন আমাদের ত্বক শুষ্ক
বা রুক্ষ না হয়ে যায়। তবে এক্ষেত্রে কারো কোনো সমস্যা থাকলে
অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
আমার মতে শীতে ত্বক শুষ্ক এবং রুক্ষ হয়ে যায় একটি সাধারণ সমস্যা তবে
এটিকে যদি আমরা প্রাধান্য না দেই তাহলে ত্বক শুষ্ক হয়ে ফেটে জ্বালাপোড়া করতে
পারে তাই আমাদের শীতের শুরুতেই ত্বকের উপরে যত্ন নিতে হবে। এই জন্য আমরা
বিভিন্ন ধরনের ঘরোয়া উপায় অবলম্বন করতে পারি। তবে এগুলো অবলম্বন করার
পূর্বে কারো ত্বকে অ্যালার্জি বা অন্য কোনো সমস্যা থাকলে অবশ্যই
ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।



ক্রিয়েটিভ ইনফো ৩৬০ এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url