ফেসবুক পেজে অর্ডার কমে যাওয়ার অজানা কারণ
আজকের এই আর্টিকালে আমরা ফেসবুক পেজে অর্ডার কমে যাওয়ার অজানা কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব। বর্তমানে অধিকাংশ ব্যবসায়ী তাদের ব্যবসার প্রচার এবং প্রোডাক্টের সেল কয়েক গুণ বৃদ্ধি করার জন্য বেছে নিয়েছে ফেসবুক পেজ।
এই ফেসবুক পেজে তারা তাদের ব্যবসার প্রচার এবং প্রোডাক্ট সেল করার জন্য বিভিন্ন ধরনের ফেসবুক অ্যাড দিয়ে থাকে। তবে একটা সময় খুব ভালো অর্ডার পেলেও কিছু কারণে হঠাৎ পেজে অর্ডার কমে যায়। তো চলুন আজকে এই বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা যাক।
পোস্ট সূচীপত্রঃ ফেসবুক পেজে অর্ডার কমে যাওয়ার অজানা কারণ
- ফেসবুক পেজে অর্ডার কমে যাওয়ার অজানা কারণ
- ফেসবুক পেজ বলতে আসলে কি বোঝায়
- ফেসবুক পেজ এবং প্রোফাইলের মধ্যে পার্থক্য
-
কিভাবে ফেসবুক পেজে ব্যবসা করা যায়
-
ফেসবুক পেজে অর্ডার কমে যাওয়ার কারণ
-
কন্টেন্টের মান উন্নত না হওয়া
- প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি এবং দর্শকদের আগ্রহের অভাব
- অ্যালগরিদম এবং ভুল টার্গেটিং জনিত সমস্যা
-
ব্যবসা করার ক্ষেত্রে যে ভুলগুলো করা যাবে না
- শেষ কথাঃ ফেসবুক পেজে অর্ডার কমে যাওয়ার অজানা কারণ
ফেসবুক পেজে অর্ডার কমে যাওয়ার অজানা কারণ
এখন আমরা ফেসবুক পেজে অর্ডার কমে যাওয়ার অজানা কারণ সম্পর্কে
বিস্তারিত আলোচনা করার পাশাপাশি সমাধান দেয়ার চেষ্টা করবো।মূলত আজকাল ডিজিটাল
যুগে সকল ব্যবসায়া অনলাইন ভিত্তিক এবং এই অনলাইনে ব্যবসা করার একটি
অন্যতম প্লাটফর্ম হলো ফেসবুক বা ফেসবুক পেজ। আজকাল ফেসবুক ব্যবহার করে না এমন
মানুষের সংখ্যা প্রায় নাই বললেই চলে। যেহেতু একটি বিশাল জনগোষ্ঠী এই
সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে তাই ফেসবুক ব্যবহার করে ব্যবসা করা
অন্যান্য প্ল্যাটফর্মের তুলনায় অধিক লাভজনক।
এই ফেসবুক পেজের মাধ্যমে ব্যবসা করার জন্য প্রথমে আমাদের প্রোডাক্টের অ্যাড
চালাতে হবে।প্রোডাক্টের অ্যাড রান করানোর পর হয়তো প্রথমে আমাদের অর্ডার
ভালো আসবে কিন্তু কিছু সময় পর হঠাৎ অর্ডার কমে যেতে পারে। যে ধরনের
ভুলগুলো করলে অর্ডার কমে যেতে পারে সেগুলো হলো কন্টেন্টের কোয়ালিটি খারাপ
হওয়া, কথার সাথে কাজের মিল না থাকা, প্রতিযোগিতা বুঝতে না
পারা, গ্রাহকদের আগ্রহ সম্পর্কে ধারণা না নিয়ে কাজ করা, ভুল মানুষদের
টার্গেট করে অ্যাড চালানো এবং বিশ্বস্ত না হয়ে ব্যবসার নামে প্রতারণা
করা।
ফেসবুক পেজ বলতে আসলে কি বোঝায়
আমাদের যদি কোনো ব্যবসা বা কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে থাকে তাহলে সে ক্ষেত্রে আমরা
ফেসবুকে আমাদের সে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নামে একটি ফেসবুক পেজ খুলতে
পারি। ফেসবুক পেজের বেশ কিছু সুবিধা রয়েছে। ফেসবুক পেজ খুলতে গেলে কোনো
রকম টাকা পয়সা লাগে না একদম বিনামূল্যে আপনি একটি ফেসবুক একাউন্টের মতো একটি
ফেসবুক পেজ খুলতে পারবেন। ফেসবুক পেজ খোলার পরে আপনি ব্যবসার প্রচার করার
জন্য আপনার প্রোডাক্ট সম্পর্কে মানুষের কাছে জানাতে পারবেন।
ফেসবুক পেজ পাবলিক হওয়ায় যে কোন মানুষ আপনার ব্যবসা সম্পর্কে জানতে পারবে এবং
আপনিও তাদেরকে জানাতে পারবেন। আজকাল প্রায় অধিকাংশ ব্যবসায়ী
ফেসবুকের মাধ্যমে ব্যবসা করে থাকে এভাবে ব্যবসা করার ফলে অনেক মানুষ আপনার
ব্যবসা সম্পর্কে জানতে পারে এবং আপনার অর্ডার পাওয়ার সম্ভাবনা
অনেকগুণ বেড়ে যায়। এছাড়াও আপনি আপনার ফেসবুক পেজে আপনার প্রোডাক্টের
অ্যাডও চালাতে পারবেন।
ফেসবুক পেজ এবং প্রোফাইলের মধ্যে পার্থক্য
ফেসবুক পেজ এবং প্রোফাইলের মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে। আপনি যখন কোনো ব্যবসা
প্রতিষ্ঠান বা কোনো সেবা প্রদান করবেন সে ক্ষেত্রে আপনার একটি ফেসবুক পেজ থাকা
উচিত। কারণ ফেসবুক প্রোফাইলে যারা আপনার ফ্রেন্ডলিস্টে আছে কেবল
তারাই আপনার সম্পর্কে জানতে পারবে। এক্ষেত্রে আপনি ফেসবুক প্রোফাইলে কোন
ব্যবসা শুরু করতে চাইলে কোনভাবেই অধিক মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারবেন না।
অন্যদিকে ফেসবুক পেজ হলো পাবলিক এবং এখানে আপনি আপনার ব্যবসা সম্পর্কে
যাবতীয় তথ্য শেয়ার করতে পারবেন পাশাপাশি আপনার প্রোডাক্ট এর জন্য অ্যাড তৈরি
করতে পারবেন এবং সেই অ্যাড রান করতে পারবেন। ফেসবুক পেজের অনেক সুবিধা
রয়েছে আপনি চাইলে ফেসবুক পেজে অটোমেটিক মেসেজ রিপ্লাই সেট করে রাখতে
পারেন অর্থাৎ আপনি ব্যস্ত থাকলেও আপনাকে কেউ মেসেজ দিলে সে অটোমেটিক রিপ্লাই
পেয়ে যাবে। এই ধরনের সুবিধা কেবল ফেসবুক পেজে পাওয়া যায় প্রোফাইলে
নয়। মূলত এক কথায় বলতে গেলে ফেসবুক প্রোফাইল হলো আপনার ব্যক্তিগত তথ্য
শেয়ার করার জন্য এবং ফেসবুক পেজ গুলো যে কোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বা
ব্যবসায়িক কাজে ব্যবহার করার জন্য।
কিভাবে ফেসবুক পেজে ব্যবসা করা যায়
ফেসবুক পেজে ব্যবসা করার জন্য প্রথমে আপনাকে একটি ফেসবুক পেজ খুলতে হবে আপনার
ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নামে এরপর সেখানে আপনার যাবতীয় ব্যবসায়িক তথ্য আপনাকে
প্রদান করতে হবে।পাশাপাশি আপনি যদি কোন প্রোডাক্ট বা সার্ভিস সেল করতে চান
তাহলে সে ক্ষেত্রে সেই প্রোডাক্ট সম্পর্কে আপনাকে মানুষকে জানাতে
হবে। প্রোডাক্ট অথবা সার্ভিস সম্পর্কে জানানোর জন্য আপনার
প্রোডাক্টগুলোর ছবি তুলে জনগণের কাছে শো করতে পারেন এছাড়াও বিভিন্ন অ্যাড তৈরি
করে সে অ্যাড গুলোর মাধ্যমে জনগণের কাছে আপনার প্রোডাক্ট বা সার্ভিস নিয়ে
পৌঁছাতে পারেন।
এভাবে জনগণ আপনার ব্যবসা সম্পর্কে ফেসবুকে জানতে পারবে এবং তাদের যদি কোন জিনিস
পছন্দ হয় তাহলে তারা আপনাকে পেজে মেসেজ করতে পারবে। এবং সেই মোতাবেক
আপনি অর্ডার গ্রহণ করতে পারবেন। এছাড়া ফেসবুক পেজের বেশ কিছু সুবিধা
রয়েছে সেগুলো হলো আপনার প্রোডাক্ট শোকেস করতে
পারবেন, অ্যাডভার্টাইজিং ক্যাম্পেইন চালাতে
পারবেন, অটোমেটিক মেসেজ রিপ্লাই সেট করতে পারবেন, যেকোনো
ব্যক্তির কাছে পৌঁছাতে পারবেন এছাড়াও ফেসবুকের সপ ফিচার ব্যবহার করে একটি
ভার্চুয়াল শপিং প্রতিষ্ঠান তৈরি করতে পারবেন।
ফেসবুক পেজে অর্ডার কমে যাওয়ার কারণ
এইবার ফেসবুক পেজে অর্ডার কমে যাওয়ার অজানা কারণ গুলো
সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা যাক। ফেসবুক পেজে ব্যবসা করার
জন্য আমাদের অবশ্যই কিছু নিয়ম-নীতি বা পদ্ধতি মেনে তারপর ব্যবসা করতে
হবে। আপনি যদি সে নিয়ম নীতি বা পদ্ধতিগুলো অবলম্বন করে ব্যবসা না করেন
তাহলে আপনার ব্যবসা অধিক মানুষের কাছে পৌঁছাবে না এবং আপনি আপনার কাঙ্খিত
অর্ডার পাবেন না। তাই আমাদের অবশ্যই সে কারণগুলো সম্পর্কে জানতে হবে।
আমরা যে ধরনের ভুল করে থাকি সেগুলো হলো প্রতিযোগিতা না বুঝা এবং
অ্যাডভার্টাইজমেন্ট ক্যাম্পেইন না চালানো। অন্য জায়গায় একই জিনিস
কম দামে দিতে পারে এই সকল বিষয়ে লক্ষ্য না রাখা। পাশাপাশি ভুল মানুষকে
টার্গেট করা অর্থাৎ আমাদের প্রোডাক্টটি যাদের কাছে প্রয়োজনীয় না আমাদের
তাদের টার্গেট করা। আবার অ্যাড রান করার সময় অপটিমাইজ অ্যাড রান না
করা এছাড়া আকর্ষণ ধরে রাখার জন্য বিভিন্ন সময় বিভিন্ন বিভিন্ন অফার
বা গিফট না দেওয়া ইত্যাদি কারণে সাধারণত ফেসবুক পেজে অর্ডার কমে যায়।
কন্টেন্টের মান উন্নত না হওয়া
আমরা এতক্ষণ ফেসবুক পেজে অর্ডার কমে যাওয়ার অজানা কারণ গুলো সম্পর্কে
জেনেছি। এবার আমরা কয়েকটি প্রধান কারণ নিয়ে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করার
পাশাপাশি সমাধান দেয়ার চেষ্টা করব। আমাদের অর্ডার কমে যাওয়ার প্রথম সমস্যা
গুলোর একটি হলো আমাদের কন্টেন্টের কোয়ালিটি খারাপ হওয়া। আমরা যদি
আমাদের কন্টেন্ট অর্থাৎ প্রোডাক্ট এর বিভিন্ন ছবি বা
ভিডিও কোয়ালিটিফুল ভাবে উপস্থাপন না করি তাহলে মানুষ তা কিনতে বা
অর্ডার করতে আগ্রহ প্রকাশ করবে না।
আরও পড়ুনঃ কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসলে করণীয় কি
তাই ফেসবুক পেজে পোস্ট করার সময় অথবা বিভিন্ন অ্যাড ক্যাম্পেইন চালানোর
সময় আমাদের চেষ্টা করতে হবে যেন আমরা খুব মানসম্মত কনটেন্ট
বানাই। প্রোডাক্টের ছবি বা ভিডিও গুলো তোলার সময় আমাদের খুব সুন্দর
ভাবে সেগুলো শুট করতে হবে এবং তারপরে এডিট করতে হবে যেন মানুষ
দেখে খুব আকৃষ্ট হয় এবং আমাদের প্রোডাক্টটি অর্ডার দেয়। তাই আমাদের কন্টেন্ট
বাড়ানোর সময় এমন কন্টেন্ট বানাতে হবে যেন মানুষ তা দেখে আমাদের প্রোডাক্ট
অর্ডার করতে আগ্রহী হয়।
প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি এবং দর্শকদের আগ্রহের অভাব
এবার আলোচনা করা যাক ফেসবুকে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি ও গ্রাহকদের আগ্রহের
অভাব সৃষ্টি হওয়ার কারণ এবং এর সমাধান সম্পর্কে। মূলত কোনো
প্রোডাক্ট সেল করার সময় আমাদের অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে এই একই প্রোডাক্ট
অন্য জায়গায় বা অন্য কোনো পেইজে কত দামে এবং কিভাবে সেল হচ্ছে সে বিষয়
নিয়ে। এভাবে রিসার্চ করার মাধ্যমে আমরা আমাদের প্রোডাক্টের একচুয়াল
ভ্যালু বুঝতে পারবো এবং আমরা তার সঠিক দাম নির্ধারণ করতে পারব আকর্ষণীয়
দাম রাখার মাধ্যমে আমরা অন্যান্য পেজের তুলনায় অর্ডার বেশি পাবো।
এছাড়াও আমাদের এমন ক্রিয়েটিভ অ্যাড বানাতে হবে যে অ্যাডগুলো মানুষ খুব রিলেট
করতে পারবে এবং মানুষের সমস্যা তুলে ধরবে। এভাবে সমস্যা এবং সমস্যা
সমাধানের পরিপেক্ষিতে আমাদের প্রোডাক্টটি কিভাবে কাজে লাগতে পারে তা
যদি আমরা অ্যাডের মাধ্যমে প্রচার করি তাহলে আমরা অন্যান্য পেজের তুলনায় অধিক
অর্ডার পাবো। সুতরাং আমাদের দুটি জিনিস মাথায় রাখতে হবে আমরা যে
প্রোডাক্টটি সেল করতে চাচ্ছি সেটির বাজারসহ অন্যান্য পেজে চাহিদা এবং
দাম কিরকম পাশাপাশি আমাদের ক্রিয়েটিভ অ্যাড বানাতে হবে যাতে দর্শক খুব
আগ্রহ বোধ করে এবং আমাদের প্রোডাক্টটি কিনতে উৎসাহিত হয়।
অ্যালগরিদম এবং ভুল টার্গেটিং জনিত সমস্যা
ফেসবুকে অ্যাড রান করার পরেও প্রোডাক্ট সেল না হওয়ার সবচেয়ে বড় কারণ বা প্রধান
কারণ গুলোর মধ্যে একটি হলো ভুল মানুষকে টার্গেট করে অ্যাড চালানো। অর্থাৎ আমরা
এমন মানুষকে কেন্দ্র করে অ্যাড চালাচ্ছি যাদের কাছে আমাদের প্রোডাক্ট এর কোন
ভ্যালু নেই ফলে এরকম অ্যাড চালানো এবং না চালানো আসলে একই কথা। তাই আমাদের
সবার প্রথমে বুঝতে হবে আমাদের প্রোডাক্টটি আসলে কাদের জন্য উপযোগী এবং তারপর
আমাদের সেই মানুষকে টার্গেট করে অ্যাড চালাতে হবে তাহলে আমরা আমাদের প্রোডাক্ট এর
বেশি সেল জেনারেট করতে সক্ষম হবো।
এর পাশাপাশি আমাদের ফেসবুক অ্যালগরিদম সম্পর্কে যথেষ্ট জ্ঞান থাকতে
হবে। কিভাবে অ্যাড চালালে, কোন সময় অ্যাড চালালে এবং কাদের কেন্দ্র করে অ্যাড
চালালে আমরা আমাদের প্রোডাক্টের বেশি সেল জেনারেট করতে পারবো এই সমস্ত
বিষয়ে আমাদের দক্ষতা অর্জন করতে হবে।পাশাপাশি যে ধরণের কাজ করলে ফেকবুক আমাদের
পেজ ব্যান করতে পারে, রেস্ট্রিক্ট করতে পারে অথবা রিচ কমিয়ে দিতে পারে সে
সকল ধরণের কাজ থেকে আমাদের বিরোধ থাকতে হনে। মূলত কোনো প্রতারণামূলক বা স্প্যাম
কনটেন্ট আপলোড দেয়া যাবে না। আমাদের সব সময় নিষ্ঠার সাথে এবং
প্রফেশনাল ভাবে ব্যবসা করার চেষ্টা করতে হবে।
ব্যবসা করার ক্ষেত্রে যে ভুলগুলো করা যাবে না
আমরা ফেসবুক পেজে অর্ডার কমে যাওয়ার নানা কারণ আলোচনা করলাম। এক্ষেত্রে
আমরা অনেক ধরণের ভুলের কথা বললাম যে ধরনের ভুলগুলো করলে আমাদের অর্ডার কমে যেতে
পারে তাই আমাদের সেই ধরণের ভুলগুলো করা যাবে না। প্রথমেই আমাদের কোনো লো
কোয়ালিটি কন্টেন্ট আপলোড দেয়া যাবে না আমাদের সবসময় হাই কোয়ালিটি এবং মানসম্মত
কন্টেন্ট আপলোড দেওয়ার চেষ্টা করতে হবে। এর পাশাপাশি আমাদের প্রতিযোগিতা এবং
গ্রাহকদের আকর্ষণ বজায় রাখার জন্য বিভিন্ন ক্রিয়েটিভ অ্যাড বানানোর চেষ্টা করতে
হবে। গ্রাহকের প্রয়োজন মোতাবেক আমরা যদি অ্যাড বানায় তাহলে
অবশ্যই আমরা অর্ডার বেশি পাবো।
এগুলো ছাড়াও আমাদের ফেসবুক অ্যালগরিদম সম্পর্কে যথেষ্ট জ্ঞান থাকতে হব। যে
ধরনের কাজ করলে ফেসবুক আমাদের পেজ ব্যান করতে পারে, রেস্ট্রিক্ট করতে পারে কিংবা
বন্ধ করে দিতে পারে সে ধরনের কাজ কোনোভাবেই আমাদের করা যাবে না। ব্যবসায়
কোনোরকম প্রতারণা অথবা ভন্ডামি করা যাবে না সব সময় প্রফেশনাল এবং কনফিডেন্স
নিয়ে আমাদের কাস্টমারদের সাথে কথা বলতে হবে। এতে করে তারা বিশ্বাস পাবে এবং
আমাদের প্রোডাক্টটি অর্ডার করার সাহস পাবে এভাবে করে আমাদের অর্ডার কয়েক গুণ
বেড়ে আভাব। তাই আমাদের সকলকেই এ বিষয়গুলো মাথায় নিয়ে কাজ করতে হবে।
শেষ কথাঃ ফেসবুক পেজে অর্ডার কমে যাওয়ার অজানা কারণ
আমরা এতক্ষণ উপরে ফেসবুক পেজে অর্ডার কমে যাওয়ার অজানা কারণ গুলো সম্পর্কে
বিস্তারিত আলোচনা করলাম এবং যথাসম্ভব তার সমাধান দেওয়ার চেষ্টা
করলাম। ব্যবসা করার ক্ষেত্রে আমাদের সকলকে একটি জিনিস মাথায় রেখে ব্যবসা
করতে হবে আর সেটি হলো কাস্টমারের বিশ্বস্ততা অর্জন করার চেষ্টা করতে হবে।
কোনো ধরনের প্রতারণা অথবা ভন্ডামি করা যাবে না এতে করে কাস্টমাররা আমাদের
পেজের প্রতি আস্থা এবং বিশ্বাস পাবে যার ফলস্বরূপ আমাদের অর্ডার কয়েক গুণ বেড়ে
যাবে।
আমার মতে আমরা যদি সঠিক নিয়তে এবং হালাল ভাবে ব্যবসা করি তাহলে অবশ্যই আমাদের
সাফল্য আসবে। ফেসবুকে অর্ডার কমে গেলে আমাদের না ঘাবরিয়ে কিভাবে
অর্ডার বারানো যায় তা চেষ্টা করতে হবে। বিভিন্ন ব্যবসায়িক বুদ্ধি খাটানোর
পাশাপাশি ফেসবুক অ্যালগরিদম, কাস্টমার চাহিদা, অ্যাড ক্যাম্পেইন, গ্রাহকদের
আকর্ষণ বৃদ্ধি এবং কনটেন্টের মান উন্নত করার দিকে আমাদের অধিক মনোযোগ দিতে হবে।
আমরা যদি এভাবে নিয়মিত লেগে থাকতে পারি তাহলে অবশ্যই আমরা একদিন ব্যবসায় সফল
হবো এবং আমাদের ফেসবুক পেজে অর্ডার কমে গেলেও পরবর্তীতে কয়েক গুণ অর্ডার
বেড়ে যাবে।



ক্রিয়েটিভ ইনফো ৩৬০ এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url